
...................................................
'কবিতা বুঝিনি আমি'। আজও সত্যি আমি কবিতায় মোহগ্রস্ত এক মূর্খ। যতো পড়ি, ফুড়োয় না। অন্ত:হীন। যতো উপলব্দি, তারও বেশি বিস্ময়। গভীরতা। ধীরে ধীরে দূর থেকে দূরে দৃষ্টি যায়। ধূসর হয়ে আসে। কবিতায় তেমনি বোদলেয়ার আমার কাছে। কবিতার ঈশ্বর। প্রথমেই বোঝা যায় না কী শব্দহিরের খনি! ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় দ্যুতি... আলোকময় হয়ে ওঠে সময়ের পথ ধরে।
বোদলেয়ারের সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে কবিতার পয়গম্বর বুদ্ধদেব বসুর মাধ্যমে। কী অসাধারণ অনুবাদ! কারো কারো সমালোচনা থাকলেও এটি সত্যি অনবদ্য। আর বাংলাভাষায় যে বোদলেয়ার এর জনপ্রিয়তা, তরুণদের বিমোহীত করার মন্ত্র সে-তো বুদ্ধদেব বসুই করেছিলেন।
আমি ফ্রেঞ্চ শিখিনি। দুটি কবিতা অনুবাদ করেছি বোদলেয়ারের। ইংরেজি থেকে। ইংরেজিতে যেমন ছিলো, তার সাথে যথাসম্ভব মিল রেখেছি। একটি- দ্য স্ট্রেঞ্জার, অপরটি, দ্য লিভিং ফ্লেম। প্রথমটি বহুবার কাটাছেঁড়া করেছি। তারপর সন্তুষ্টি। তা-ও ষাটভাগ। দ্বিতীয়টি নিয়ে ডিসেকশন চলছে। সম্প্রতি হাতে এসেছে বোদলেয়ারের 'প্যারিস স্প্লীন( Le Spleen De Paris)', এটিও অনবদ্য। অনুবাদ করেছেন গৌতম পাল। এখন মনে হচ্ছে বোদলেয়ারের অনুবাদ করতে হলে ফ্রেঞ্চ না শিখলে চলবে না।
আমার যে সাহসটুকু নিয়ে এই অনুবাদ, তার অনুপ্রেরণায় বুদ্ধদেব বসু স্বয়ং। অনুরোধ, আমার আর বুদ্ধদেব বসুর তুলনা করবেন না। বরং আমার অনুবাদের সমালোচনার জন্য স্বাগত জানাব।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




