somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি হিমু নই, আমি নব্য সাধু

১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গান শুনছি। কোন গানই ভাল লাগছে না, জোর করেই গান শুনছি। এখন খোকা বাবু যায় এই গানটা শুনছি। গানটা কেমন যেন লাগছে! খুব যে খারাপ লাগছে তা নয়, অবাক হচ্ছি! ধ্যাত, এই গানটা শুনতে আর ভাল লাগতাছেনা। এখন আর গানই শুনবনা।



রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। একটা ১৪বছরের একটা মেয়েকে দেখছি একটা ৪ টাকা দামের সিংগারা খাচ্ছে। এমন ভাবে সিংগারাটা খাচ্ছে তাতে আমার খুব লোভ হচ্ছে কিন্তু আমার পকেটে এক টাকাও নাই। টাকা নাই বললে ভুল হবে ২ টা সিগারেট কেনার টাকা আছে আর ২ টা মধুবন চানাচুরের প্যাকেট আছে। সিগারেট কেনার টাকা দিয়ে সিংগারা খাওয়ার মানেই হয় না।



এখন বাসায় বসে বসে চানাচুর খাচ্ছি । ভাবছি, বাসায় একটা নেইমপ্লেট লাগামু......





নামঃ- সাধু

বিশিষ্ট মুখবই(FACEBOOK) ইউজার







এখন আর আগের মত facebook use করতে পারলাম কই? ১০ মিনিট মুখবই(facebook) ইউজ করলে ১৫ এম বি চলে যায়। যাই আমার গুঁরুজীর কাছ থেকে এখনই ফু পড়া নিয়া আসি ।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলাম। মোবাইলে ৭টা ২০ মিঃ। অনেক দিন সকালবেলা হাঁটা হয় না, আজ হাঁটমু।

৭টার সময় রোদের এত তেজ দেখে অবাক হচ্ছি, চোখ মেলে রাখতে কষ্ট হচ্ছে। এই সাত সকালে মুখবই(facebook) এর নোটিফিকেশানে মোবাইল ভরে যাচ্ছে কিন্তু একটা নোটিফিকেশানেও প্রাসঙ্গিক না। দুনিয়াতে মেজাজ খারাপ হওয়ার উপাদান এ ভরপুর। এই মুহূর্তে আমার মেজাজ হট।



খিদা লাগতাসে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলে পেট শুধু বাকবাকুম করে। পকেটে মাত্র ৯ টাকা আছে। কাছেই এক দোস্তের বাসা, তার কাছে ১২০০ তাকা পাই।

পুলকের বাসায় অনেক দিন যাওয়া হয় না প্রায় ৮ মাস। আগে তো রোজ সকালে যাইতাম, পর পর ৩ বছর প্রতিদিন পুলকের বাসায় গেছি। আজ অবধি এত নিয়ম মেনে আমি আর কোন কাজ করতে পারি নাই। আজও যাইতাম, আমার কোন সমস্যা ছিল না কিন্তু উপায় নাই। পুলক দোস্ত বিয়া করসে এক বছর চলতাসে তাই মন চাইলেও যাই না। বিবাহিত এক বন্ধুকে সাত সকালে বিরক্ত করতে চাই না। বিয়া করার আগে সে সম্পূর্ণ ভাবেই আমার বন্ধু ছিল আজ সেখানে সীমাবদ্ধতা যুক্ত হয়েছে।

শুনতাছি সে নাকি বাবা হইবো। ভাবতাছি পুলকের সন্তান হইলে ওই ১২০০ টাকা দিয়া একটা গিফট কিনে দিমু। তাই পাওনা টাকা আনতে যাই না।





তাড়াতাড়ি বাসায় যাই। খিদায় মনে হয় পেট ভেঙ্গে যাইবো। আর সকালে বের হইমুনা।

আজ আবার পুরোনো ভুলটা করলাম । নিজের প্রতি ঘৃণায় নিজেই মুখ বিকৃত করছি। একই ভুল বার বার কেবল আমার মত হীন মানুষের পক্ষেই সম্ভব। যতই পাল্টানোর গীত গাই, কোন লাভ নাই। মনের ভেতর কুৎসিত হিমালয়টা আগের মতই ঠায় দাড়িয়ে থাকে। এখন আর ওই সব নিয়ে ভাবছি না, জানি আমি বদলানোর মানুষ নই। সারাদিন অলস সময় কাটাই মাথার ভেতর অস্থিরতা খেলা করে। শুধুই বসে বসে উল্টাপাল্টা চিন্তা করি, আমার মত জ্ঞানী বোধ হয় এই পৃথিবীতে এখনো জন্মায় নাই। মাঝে মাঝে দু-কলম লিখতে ইচ্ছে করে পরক্ষনে ভাবি এই সব আমার মত জ্ঞানী মানুষের কর্ম নয়।

আসলে আমি কি চাই নিজেই জানি না তবে এ টুকু বুঝতে পারি আমি নিতান্তই একটা মানসিক রোগী। কবে শেষ প্রান খুলে হেসেছিলাম ভুলেই গেছি। সবাই যেটাতে তীব্র মজা পেয়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায় আমার কাছে সেটা নিতান্তই অর্থহীন মনে হয়। অন্য সবার স্বাভাবিক আচরণ আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়। নিজের কোন কাজ আমার নিজের কাছে ভাল লাগেনা সেখানে অন্যদের কাজতো ফালতুমিতে পরিপূর্ণ লাগে। নিজের হীনমন্যতার কথা আমি বুঝি কিন্তু তীব্র ঘোরে বার বার একই জায়গাতেই ফিরে আসি।



এর শেষ কোথায়…………………?
( চলবে )
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে ছবি গুলো আপনি আগে দেখেন নি (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৩০


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সদলবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে।

যখনই আমাদের সামনে বিস্ময়কর কিছু ঘটে, আমরা সবসময়ই চেষ্টা করি সেই দুষ্প্রাপ্য মুহূর্তের একটা ছবি তুলে রাখতে। মাঝেমধ্যেই আমাদের চোখের সামনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মা-বাবাকে ভালো বাসুনঃ একটি শিক্ষনীয় গল্প যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫


অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক দেশে সুন্দর এক নদীর পাড়ে ছিলো একটি বড় আপেল গাছ। একটি বালককে গাছটি খুব পছন্দ করতো। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে সবচেয়ে বড় ছিল ? (একটি কিরিগিজ রুপকথা)

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৭


কিরগিজের এক গ্রামে বাস করত তিন ভাই। ওদের সম্পত্তি বলতে ছিল শুধু একটা সাড়। জীবিত অবস্থায় এটাকে কিভাবে তিনভাগে ভাগ করে নেয়া যায় এর কোন যুক্তিসম্মত উপায় বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষনীয় গল্প বলা যেতে পারে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৪



আমেরিকায় এক বরফশীতল রাতে একজন কোটিপতি তার ঘরের সামনে এক বৃদ্ধ দরিদ্র মানুষকে দেখতে পেলেন। তিনি বৃদ্ধ মানুষটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বাইরে এত ঠান্ডা আর আপনার গায়ে কোন উষ্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পেঁয়াজের অপকারিতা ও ক্ষতিকর প্রভাব

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৫



অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করেছি আমি গুগল সার্চ করে পেঁয়াজের কোনো প্রকার অপকারিতা খুঁজে পাচ্ছি না! এমন একটি পণ্য যার শুধু গুণ আর গুণ! - এমনটি তো হবার কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×