আমরা যারা খেলা করি না কিন্তু খেলা দেখি, তারা কি খেলা দেথতে যাচ্ছি, খেলোয়ার কে কে তা আগে থেকে জেনে যদি আমার ভালো লাগে তবে খেরা দেখি নতুবা চ্যানেল ঘুরিয়ে অন্য কিছু খুঁজতে থাকি।
এখন আমরা জানি ,খেলোয়ার দুজন। হাসিনা আর খালেদা। খেলার বল না পুতুল বলতে পারবো না তবে যে আমরা তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু কি খেলা তারা খেলছে তা আমরা জানতে বা বুঝতে পারছিনা।
হাসিনা আপা গর্জন করেই চলেছেন তিনি কঠোর হবেন, আরো কঠোর, কবে কঠোর হবেন, রোম যখন পুড়বে তখন আর খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনুরুদ্ধার এবং ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন করছেন। ভোট কারা দেবে? তারা মায়ে পুতে ৩ জন? না জনগণ? জনগন যদি মরেই গেল তবে ভোট দেবে কারা? পেটে ভাত না থাকলে ভোট দিয়ে কি হবে? ৪৪ বছরের ইতিহাস তো বলে তারা সবাই মুদ্রার এপিঠ আর ও পিঠ। লংকায় গেলে সবাই রাবন হয়ে যায়। এর প্রমাণ তো আমরা সকলে পেয়েছি।
শেখ হাসিনা ২১ শতকে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ করবেন, ১৮ তে পদ্মা সেতু হবে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পেয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আপা কি জানেন আমাদের প্রতিদিন সকাল থেকে রাত কিভাবে কাটছে? ঘরের পুরুষগুলো যখন পেটের খোরাক যোগাতে বাইরে চলে যায় আমরা রমনীকূল তারা না ফেরা পর্যন্ত কি দু:সহ যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকি। ছেলে মেয়েদের বাইরে পাঠিয়ে মা ভাবতে থাকে নানা অমংগলের কথা। অথচ আমাদের দুই খেলোয়ার কি শান্তিতে আছেন। দু জনের স্বামীরা কেউ এ জগতে নেই, তাই তাদের নিয়ে চিন্তা নেই। দুজনের সন্তানেরা বিদেশ বিভুইয়ে ভালোই আছে। বোমাতে পুড়বে বা আগনে জ্বলবে এ ভাবনা তাদেরকে তাড়িত করে না। এখান থেকে দুই খেলোয়ার সম যোগ্যতার।
একজন অফিসে আরাম আয়েশে সময় পার করে অনাগত ভবিষ্যত নিয়ে খেলছেন, তিনি কি ওয়ার্ক আউট করে দেখেছেন কিভাবে কতদিন আন্দোলন চলতে বা চালাতে পারবেন। আর একজন সদা সুসজ্জিত প্রহরায় থেকে হিসাব করেছেন যে এভাবে জ্বালাও পোড়াও করে কোন দেশ এগুতে পারে না। মুখ থুবরে পড়ে উন্নয়ন। থেমে গনতন্ত্রের চাকা।
অতএব আপনারা এই খেলা খেলা রাজনীতি বন্ধ করুন। পাতানো খেলা বন্ধ করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


