আমার খুবই প্রিয় একটি পদ। এজন্য আমার বাড়ীতে ঠাট্টা করে আমাকে বলে ‘মানুষে মানুষ চেনে আর….চেনে কচু”
যা হোক তার পরেও এটি দেখলে আমি পাগল হয়ে যাই। অনেক সময় মনে হয় কাঁচায় খেয়ে নেই।
গ্রামে গেলে যখন দেখি, আগানে বাগানে এগুলো হয়ে রয়েছে আমি আর ঠিক থাকতে পারি না।
গ্রামে নদীতে কলমি শাক, ডোবাতে হেলেঞ্চা, ভাগারে কচু শাক, ঘ্যাটকল, বনে বাদারে থানকুনি পাতা মালঞ্চ শাক ,জঙ্গলে গন্ধ ভেদাল, তেলেকচু এগুলো সবই আমি ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি।
কিন্তু গ্রাম বাংলার লোকের কাছে আজ এগুলোর সমাদর তেমন নেই্। সকলেই এখন টমেটো ফেলে রেখে ঝুঁকে আছে আপেলের দিকে।
আমার বাবুরা যখন ছোট, তখন গ্রাম থেকে একজন পরিচারিকা এনেছিলাম আমাকে সাহায্য করার জন্য।
তাকে নিয়ে বেশ বিপদে পড়লাম, সে কিছুই খায় না। যেটা খেতে যায়, কেবল হাতে নিয়ে কাঁদে আর বলে, “আহারে ! আমার মেয়েটা কিছু খেতে পাচ্ছে না।”
একদিন মন দিয়ে কচু শাক রান্না করলাম। প্রাণ ভরে খেলাম। একই সংগে খেতে বসে দেখি মেয়েটি কিছুই খাচ্ছে না। কারণ জিজ্ঞাসা করতেই বলে, ’গরীবের ঘরে জন্ম হয়েছে বলে বৌদি কচু ঘেচু খাই না। আমরা আলু পটল খাই।”

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



