আামাদের যৌথ জীবনের শুরুতে ময়মনসিংহ একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এবং সারা জীবন থাকবেও। ঘটনাটা অনেকটা কাকতালিয়।
আমরা দুজনে আমাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই ময়মনসিংহের রাজ বাড়ীতে বসে। তারিখটা ১৯৯৪ সালের ২৬শে আগষ্ট, দুপুর ১টা।এই সিদ্ধান্তেই আমার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দেই। তাই এদিক থেকে আমাদের জীবনের কোন একখানে ময়মনসিংহ তার স্থান সবলে কেড়ে নিয়েছে।
পরে চাকরী জীবনে এর গুরুত্ব আরো অন্যরকম হলো। ময়মনসিংহ বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল এক অনন্য ভূমিকা বহন করে চলেছে তার সেবা কর্ম দিয়ে। এই হাসপাতালের সাবেক অবৈতনিক সাধারন সম্পাদক মরহুম কে জামান স্যার শুধু একজন সাদা মনের মানুষই ছিলেন না, ছিলেন এক বিশাল হৃদয় বহনকারী দেবতা তুল্য মহা মানব।তার পিতৃসম আচরণ আামাকে মোহিত করেছে। তাই এই ময়মনসিংহ একটা নতুন মাত্রা এনে দেয় আমার জীবনে।(এই চক্ষু হাসপাতালের বর্তমান নাম কে জামান স্যারের নামে নামকরন করা হয়েছে)।
এর মোহনগজ্ঞ এর অপরূপ রূপ আমি ভুলতে পারি না। যেমন পারিনা ব্রম্মপুত্রের পাড়ের দৃশ্য। জয়ণুল আবেদীন যাদুঘর, নেত্রকোনার দুর্গাপুর বিড়িশিরি, বালিশ মিষ্টি নকলা, শেরপুর, মুক্তাগাছার জমিদার বাড়ী, আর মুন্ডার কথা।প্রাকৃতিক গাছ গাছালিতে ভরা ধুবাউড়ার কথা।
আজকে তাদের নতুন যে চলার পথ শুরু হলো, তা মসৃণ থেকে মসৃণ তম হোক। বিভাগ হিসেবে বাংলাদেশের মানচিত্রে জ্বলজ্বল করে জ্বলে উঠুক নামটা। এর জনগনের একটা বিরাট অংশ দখল করে আছে আমার আদিবাসী ভাই বোনেরা। আজকে তোমরা আমার শুভেচ্ছা নাও।
অভিনন্দন বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীকে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




