(ভাই বিশ্ব মিত্রকে বলছি)
আমার বিয়ের ৬ মাস পর হতেই আমি ক্যান্টনমেন্ট সিভিল এলাকায় বসবাস করছি। আর উকিল সাহেব আরো আগে থেকে। যদিও উকিল সাহেবের কোর্ট এখান থেকে বহু দূর। যাওয়া আসাতে তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়। আামিও প্রায় ১৫ বছর এই কষ্ট করেছি।
শহর থেকে দূরে থাকি। অনেক কিছুই নাগরিক সুযোগ নিতে অনেক বেগ পেতে হয়। তারপরেও এই এলাকা ছাড়ি না। কারন দিনের শেষে কাজ শেষ করে ফিরে এসে এখানে এক বুক শান্তির শ্বাস নেওয়া যায়। যেটা ান্য এরাকাতে সম্ভব নয়।
এই এলাকাতে যে একবার বাস করেছে, সে আর অন্য এলাকাতে বাস করতে পারবে না। কারন এখানে
মিটিং নেই, মিছিল নেই্ রাজনৈতিক দলের শো ডাউন নেই,
ট্রাফিক জাম নেই, অযথা গাড়ীর হুর্ণ নেই, গাড়ীর দ্রুত গতি নেই, হরতাল অবরোধ নেই, বৃষ্টির পানি জমা নেই, ম্যানহোলেল ঢাকনা খোলা নেই,চাঁদা বাজি নেই,হকারদের যত্র তত্র ঘোরা ফেরা নেই, ডাস্টবিনের ময়লা পচা দুগন্ধ নেই, এ রকম আরো নেগেটিভ জীবন যাত্রা এখানে নেই।
এখানে আছে সুন্দর হাটার মতো রাস্তা, সবুজ গাছ পালা, সুন্দর জলাশয়, সকাল সন্ধ্যা হাটা যায়, জানালা খুলে ঘুমানো যায়, খালি বাসায় তালা দিয়ে ঈদ পুজোতে গ্রামে যাওয়া যায়, মেয়েদের একা বাজারে স্কুলে পাঠানো যায়।
এখানে ডিউটিতে থাকা এমপি ভাই দের অতি আপন বান্ধব মনে হয়। মিথ্যার আশ্রয় না নিলে যতটা সম্ভব তারা সেবা দান করেন, সহযোগিতা করেন।
উকিল সাহেব বা মেয়েরা যখন শহর থেকে বাসায় ফেরে, তভন ফোনে যখন জানতে পারি যে, তারা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ঢুকে গেচে, তখন এক বুক স্বস্তির শ্বাস নিতে পারি। মনটা শান্ত হয় এই ভেবে যে, তারা এখন বিপদ মুক্ত।
কিন্তু সম্প্রতী আলোচিত তনুর ঘটনা কি মা হিসেবে আমাদের নতুন করে ক্যান্টনমেন্ট নিয়ে ভাবতে শেখায় না?আমাদের নিরোগ দেহে কি ক্ষতের সৃষ্টি করে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


