somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেম ধীরে মুছে যায় ।

১৯ শে মে, ২০১৬ রাত ৩:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কথা ছিল মাধবী বাবা-মার ঠিক করা ছেলেকেই বিয়ে করবে, এর মধ্য যদি আমি যব যোগার করতে পারি মাধবী সাংসার রেখেই চলে আসবে । কিন্তু যব আর ম্যানেজ হলো না, বছর তিন হয়ে গেল ! ওদিকে মাধবীর স্বামী মাধবীকে সন্তান ধারণ করার জন্য চাপ দিচ্ছে । পর মাধবীকে বুঝালাম কিন্তু মাধবী আর বুঝতে চাইলো না , পর মাধবীকে বলেছিলাম যব ম্যানেজ করলেই তো তুমি আমার কাছে চলে আসবে ,তাহলে আমার পাম নিয়েই জন্ম দিতে পারো , যখন চলে আসবে সন্তান নিয়েই চলে আসবে তাতে আর পিছুটান থাকবে না । মাধবী বললো:- এত ঠকাতে পারবোনা কোন মানুষকে ! যে খাওয়াচ্ছে,যার সাথে থাকচ্ছি একটা দায়বন্ধতা বলেও কথা থাকে তাই না ? তোমাকে তো ভালোবাসলাম - কি হয়েছে তাতে? উল্টো স্বামীর কাছে বায়না করে টাকা নিয়ে তোমাকেই দিতে হয় খরচ করার জন্য । দেখ -আমি আর কিছুদিন দেখবো ধরো দু'মাস তারপর আর মানতে পারবো না আমি সন্তান নিয়ে নিব , আর সন্তান নিলে এক বছরের মধ্য মুভ করতে পারবো না । দু'মাসে যব যোগার করতে পারিনি, মাধবী সন্তান নিয়ে নিল এরপর যেদিন ওর সন্তান হলো তারপর দিনি আমার যব হলো । আমারর যবের খবর দেয়ার পর মাধবী আর আমার ফোনই ধরছে না , দু' মাস নানাভাবে চেস্টা করেছি ওর সাথে যোগাযোগ করার জন্য , ও আর যোগাযোগই করলো না । পর ওর ক্লোজ বান্ধবীর মাধ্যমে ওকে যোগাযোগ করতে বাধ্য করি , ওদিন ও আমার সাথে খুব বিরক্ত নিয়েই দেখা করলো কথাতে কোন আন্তরিকতা ছিল না ! বিয়ের পরও যে মেয়েটা আমার সাথে চলে আসার জন্য একপায়ে রাজি ছিল, তারই আজ এত পরিবর্তন ! মাধবীকে অনেক বুঝালাম তোমার সন্তান আমার জন্য আশিবার্দ চলো এবার বিয়ে করি, আমাদের তো এমনই কথা ছিল ? মাধবী কোন মতেই যেন রাজি হচ্ছিলো না-শুধু বার বার ওর সন্তানের কথাই বলছিল ! আর ওর স্বামী নাকি সন্তান হওয়ার পর ওকে আরো বেশি ভালোবাসছে । মাধবী বললো: -আমাকে ভুলে যাও মানুষ , মনে করো আমি তোমার কেউ নেই ! যদি আমার ভালো চাও কোনদিন কোন অধীকারে আমার সাথে যোগাযোগ করোনা , আমি আমার স্বামী সন্তান নিয়ে ভালো আছি ।
আমি: কিন্তু আমি? আমার তো কেউ আর নেই ।
মাধবী: যব হয়েছে, মেয়েও পাবে ?
আমি: যাকে ভালোবেসেছি অন্তর থেকে ?
মাধবী: অনেক দেরি হয়ে গেছে তোমার । অনেক সময় দিয়েছিলাম তোমাকে ।
আমি: মাধবী তোমাকে যেতে দিব না এখান থেকে ।
মাধবী: যদি ভালোবাস জানি কখনো জোর করতে পারবে না ।
আমি: ভালোবাসার মধ্য জোর নেই?
মাধবী: আছে হয়তো , কিন্তু তুমি মুছে যেতে যেতে একেবারে মুছেই গেছ ।
আমি: ও ।
মাধবী: আর ছবি,ভিডিওগুলো ডিলিট করে দিও , আমি মনে করি তুমি আমাকে কোনদিন অপমান করবে না বা অপমানজন কিছু হয় এমন কিছু , আমি তো তোমার কাছে এসেছিলাম তখন বিশ্বাস নিয়েই ।
আমি: বিশ্বাস করতে পারো , ছবি ছাড়া কিছুই নেই আর ছবি এখনো ডিলিট করতে পারবো না কিছু যাক, যোগাযোগ না করতে করতে এমনিই ভুলে যাবো মাধবী । ওকে তুমি সুখে থাক ।
মাধবী: আমি যাই ।
আমি: যাও, তবে কখনো যদি মনে হয় প্রয়োজন আমার চলে এসো ।
মাধবী: প্রয়োজন হবে না হয়তো ।
আমি: কেন?
মাধবী: আমার সন্তান আছে না, ওই আমাকে দেখবে ।
আমি: এত আশবাদী? দেখবে তোমার ছেলে বড় হয়ে বিয়ে করে তোমাকে ভুলে গেছে ! হাহাহা ।
মাধবী: ভুলবে না, আমার সন্তান ও ।
আমি: তোমার সন্তান তো, এজন্যই বলেছি , যে ভালোবাসকে ভুলতে পারে ।
মাধবী: আমি যাই , তোমার সাথে কোন কথা বলতে ইচ্ছে করছে না ।
আমি: ইচ্ছে ? সখ? আশা ? সময়ে জন্ম হওয়া মাত্র । ভালো থেকো তুমি ।
মাধবী: আমি যাই ,
আমি: একটা রিকুয়েস্ট করবো তোমাকে ।
মাধবী: কি ?
আমি: শেষ বারের মত একটি চুমু খাব ।
মাধবী: না না , আমি এখন অন্যর বধু পারবো না ।
আমি: কেন বিয়ের পর কত চুমু খেয়েছিলে তো ?
মাধবী: জোর করবে আমাকে ?
আমি: শেষবার শুধু ।
মাধবী: না ।
আমি: এতই ঘৃর্ণা করো আমাকে ।
মাধবী: আমার স্বামীকে অনেক ঠকিয়েছি আর পারবো না ।
আমি: শেষবারের জন্য, একটু না হয় ঠকাও ।
মাধবী: না , পারবো না । আমি যাই ।
আমি: এত নিষ্টুর তুমি ।
মাধবী: আমি নিষ্ঠুরই , ভুল হয়েছিল আমার তোমার সাথে প্রেম হয়ে ।
আমি: ভুল?
মাধবী: আমি যাই, ও বিষয়ে আর কিছু বলবো না ।
আমি: যাও ।
মাধবী: আমার প্রতি রাগ করোনা , শরীরের যত্ন নিও । আমি যাই ।
আমি: যাও ।
এরপর মাধবী চলে গেল ! আমি শূর্ন্য হয়ে কিছুক্ষন ঘুরে বাসায় চলে এলাম । আসলে নারী এবং টাকা কারো হাতে গেলে আর ফিরে আসে না , দাদা বলেছিল তাহা আজ অক্ষরে অক্ষের সত্য হলো ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০১৬ রাত ৩:৪৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মার্কো রুবিও ভারতে কী করছেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২


আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুন্দর সর্বনাশ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২১



সবকিছুই পাওয়া যায় এখন বিপণনের কল্যাণে,
বিপনি বিতানে বিতানে;
চাইলে কিনে নিতে পারো লালনীলহলুদ মনও!

মন চাইলে পোষ মানাতে পারো বনের অবাধ্য পশুও;
শুধু পোষ মানাতে যেও না মানুষ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগের পর-

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এফএম রেডিও

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রীয় সফর, আম তারেক আর চার সিটের দূরত্ব!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৪

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নেপালে রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন। সস্ত্রীক আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি। তখন কিশোর তারেক রহমানেরও শখ জাগল—তিনিও নেপাল যাবেন।

বাবা বুঝিয়ে বললেন, রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ মানেই পরিবারের সবাইকে রাষ্ট্রীয় টাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×