"দুইদিন আগে একজন বাবা তাঁর চার বছর বয়সী সন্তান, যার মাথার অর্ধেকটা উড়ে গেছে ইজরায়েলি বোমার আঘাতে, সেই শিশুর মৃতদেহের সামনে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, "উঠে দাঁড়া বাপ! তোর যেই খেলনা লাগবে আমি তোকে এনে দিব! তোর যা লাগবে আমি এনে দিব। তুই খালি উঠে দাঁড়া!"
আরেকজন পিতা, যার একমাত্র কন্যা মারাত্মক আহতাবস্থায় বিছানায় শুয়ে আছে, তিনি জোরে জোরে চিৎকার করে বলছিলেন, "আমার শরীরের সব রক্ত নিয়ে নাও, তবু আমার মেয়েকে বাঁচাও!"
আরেকজন ছয় বছর বয়সী শিশু হাসপাতালের বিছানায় পরে আছে, এবং সে জানেও না যে তার পুরো পরিবার এখন আর নেই।"
এটুকু বলতে বলতেই নিউজ রিপোর্টারের গলা ধরে এলো। একটি ইরানী টেলিভিশনের সংবাদে তিনি গাজার হাসপাতালের বর্ণনা রিপোর্ট করছিলেন।
তিনি ক্যামেরার সামনেই অতি সাবধানে চোখের পানি মুছলেন। তারপর কিছু সময় নিলেন নিজেকে সামলে নেয়ার জন্য। তারপর ধরা গলাতেই বললেন, "এত কিছু ঘটে যাচ্ছে, অথচ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একদম নিরব হয়ে আছে।"
নিউজ ক্লিপটি দেখতে দেখতে আমাদের চোখে পানি আসে।
গণহত্যার শিকার হাজার হাজার মানুষের কষ্টে আমাদের হৃদয় ভেঙ্গে যায়।
এবং সেই সাথে আমাদের একটি স্বাধীনদেশে জন্ম দেয়ার জন্য উপরওয়ালাকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা সবাই কিন্তু না, মুষ্টিমেয় ক'জনাই কেবল স্রষ্টার এই অশেষ অনুগ্রহের কথা স্বীকার করি।
বাকিরা জীবনের অনেক ঘটনার কারণেই দুঃখিত হই।
প্রেয়সী আমার প্রেমে সাড়া না দিয়ে অন্য কারও সাথে প্রেম করছে? হে আল্লাহ, তুমি শুধু আমাকেই কেন এত কষ্ট দাও?
পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ পাইনি। হে আল্লাহ এরচেয়ে তুমি আমাকে মেরে ফেললে না কেন?
একটা আই ফোন পকেটে নিয়ে ঘুরতে পারলাম না। এই জীবন রেখে আর কি হবে?
পৃথিবীর এত এত দেশ থাকতে তুমি আমাকে এই বাংলাদেশেই জন্ম দিলা? কেন আল্লাহ? কেন?
কথা সত্য।
আল্লাহ কেবল আমাদেরকেই অসুখী রেখেছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




