somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"উর্দু-ফার্সি-ইংরাজ/পড়তে আমি নিমরাজি/পড়লে পড়াম বাংলা/অইলে অয়্যাম কামলা।" - খুবই ফাউল কথা।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"উর্দু-ফার্সি-ইংরাজি
পড়তে আমি নিমরাজি
পড়লে পড়াম বাংলা
অইলে অয়্যাম কামলা।"
ভাষার মাসে অনেকের ওয়ালে/প্রোফাইলে এই চার লাইন শেয়ার হতে দেখছি। ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং ডিসেম্বরে বাঙালির দেশপ্রেম চেতনাবোধ বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, কাজেই গা করার কিছু নেই। বিপদসীমা একারনেই বলছি যে এই সময় অনেকেই ফ্যানাটিক ন্যাশনালিস্টদের মতন আচরণ শুরু করে দেন।
"বাংলা ছাড়া এইমাসে একটি ইংলিশ "ওয়ার্ডও" উচ্চারণ করবো না। মোদের গরব মোদের আশা, আমাদের বাংলাভাষা!"
এবং এদের সামনে যদি কেউ ভুল করেও ইংলিশে কথা বলে বসে, তাইলে কথাই নাই। দেশপ্রেমের সার্টিফিটেক হাতছাড়া হয়ে যাবে। যেকোন বিষয়ে ফ্যানাটিসিজ্ম বা উগ্রবাদ মানুষকে কেবল মূর্খই প্রমাণ করে, এর বেশি কিছু নয়।
যাই হোক, এই লাইনগুলোর ভুল ব্যাখ্যা বা মিসইন্টারপ্রিটেশন নিয়ে কিছু কথা বলতেই হয়।
সোজা বাংলায় উপরের কবিতা হচ্ছে "আমি বাংলা ছাড়া আর কিছুই পড়বো না। এরজন্য যদি কামলাগিরিও করে খেতে হয়, তাহলেও সমস্যা নাই।"
খুবই ইমোশনাল কথাবার্তা, বুঝতেই পারছেন। সিরিয়াসলি নেবার কিছু নেই। নিলেই বরং বিপদে পড়বেন।
ভাষার মাসে আমরা বেশিরভাগই লিখি আমাদের dude generation যেভাবে নিজেদের বাংলা ভাষাকে খ্যাত, অশিক্ষিত শ্রেণীর মানুষের ভাষা গণ্য করছে, ইংলিশে কথা বলতে না পারাকে unsmart জ্ঞান করছে সেটা কেবল ভুলই না, রীতিমত দন্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু তাই বলে ইংলিশ ভাষা জানাটাকে কী তিরস্কার করা ঠিক? অবশ্যই না। বরং আমার মতে প্রতিটা বাঙালির অবশ্যই বাংলার পাশাপাশি ইংলিশ ভাষায় সমান দক্ষ হওয়াটা জরুরি। সাথে ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ ভাষায় দক্ষ হলেতো কথাই নাই। নাহলে গ্লোবাল প্রতিযোগিতায় কখনই সামনে এগুতে পারবো না।
অ্যামেরিকানরা আমাদের মুখে ইংলিশ শুনে খুব অবাক হয়। জিজ্ঞেস করে, "তুমি মাত্র এই কটা বছরে ইংলিশ শিখে ফেলেছো?"
যখন বলি আমরা আমাদের দেশে শৈশব থেকেই ইংলিশ শিখি, হেমিংওয়ে, এডগার এলেন পোদের লেখাগুলো আমরাও পড়ি; তখন মোটামুটি একটা খটকা খায়। কারন ওরাতো না পারতে নিজের মাতৃভাষা ছাড়া অন্য বিদেশী ভাষা শিখেনা। আমাদের সমস্যাটা কী? বিশেষ করে চায়না, জাপান, কিংবা ইউরোপিয়ানরা নিজেদের মাতৃভাষা ছাড়া ইংলিশ তেমন শিখেই না।
সাথে আমরা যখন বলি আমরা কেবল বাংলা এবং ইংলিশই না, হিন্দি উর্দু ভাষাতেও মোটামুটি পারদর্শী এবং আরবি ভাষাটা দেখে দেখে পড়তে পারি, তখন ওদের চোখ কপালে উঠে যায়। কেউ কেউ বিস্ময়ে বলেও ফেলে "তোমরা কত সৌভাগ্যবান! আমরা ইংলিশ আর কালে ভদ্রে স্প্যানিশ (ম্যাক্সিকানদের অবদান) ছাড়া কোন ভাষাই পারিনা।"
দেশের অনেককেই দেখি হিন্দি ভাষা জানা লোকজনকে তিরষ্কার করে। কেউ উর্দুতে কথা বললেতো কথাই নাই, সরাসরি রাজাকার ট্যাগ পেয়ে যাবে। কিন্তু ভাষার কী কোন জাত-ধর্ম আছে? যে দোষে আমরা পাকিস্তানিদের দুষ্ট বলি, সেই একই অপরাধ আমরা করি কোন লজিকে? মাল্টিলিঙ্গুয়াল হওয়া কোন লজ্জার বা ডিসক্রেডিটের বিষয় কেন হবে? এইটাতো অবশ্যই একটি গুন। আমি হিন্দি/উর্দু/ফার্সি/জার্মান যত ভাষা জানবো, আমার মনের জানালা ততই খুলবে। কর্মক্ষেত্রেও এর সুফল পাবো। যেমন স্রেফ ইংলিশ জানেনা বলেই বাংলাদেশ থেকে অ্যামেরিকায় আসা অনেককে আমি দেখি দেশি দোকানে টুটাফুটা কাজ করে কিংবা অ্যামেরিকান প্রতিষ্ঠানেই অত্যন্ত নিচুশ্রেনীর কাজ করে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছেন। ম্যানেজার হবার সব যোগ্যতা থাকার পরেও কেবল ইংলিশে ফ্লুয়েন্ট নন বলেই ক্যারিয়ারে এগুতে পারছেন না।
আবার ভাল ইংলিশ জানা লোকজনও স্প্যানিশ না জানার কারনে ক্যারিয়ারে এগুতে হিমশিম খান। যেখানে তাঁর চেয়ে বিদ্যাবুদ্ধিতে অনেক পিছিয়ে থাকা লোকজনও কেবল মাত্র ভিনদেশি ঐ ভাষা জানার কারনে ক্যারিয়ারে সাকসেসফুল হয়ে যায়। রিটেইল ব্যাংকিংয়ে এই উদাহরণ পাবেন হাজারে হাজার।
সবার আগে আমাদের বুঝতে হবে নিজের ভাষাকে সম্মান করার মানে কিন্তু এই না যে বিদেশী কোন ভাষাকে অপমান করতে হবে। আমাদের একটা বিরাট অংশের জনতা এখানেই তালেগোল গোলে মাল পাকিয়ে বসেন। স্মার্টনেস মানুষের চালচলন, পোশাক আষাক, কথাবার্তা আচার আচরণের উপর নির্ভরশীল। একটি সম্পূর্ণ বাক্যে কয়টা ইংলিশ শব্দ ব্যবহার করলো সেটার উপর বিচার করা শুরু করলেই সমস্যা।
যে আহাম্মক মনে করে নিজের বাপ দাদার ভাষায় কথা বলা ক্ষ্যাত, সেই আহাম্মকের বুঝা উচিৎ নিজের মাতৃভাষা না জানাটাই বরং আহাম্মকীপনা। খুব অবাক লাগে যখন দেখি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী দর্শকদের উপস্থিতিতে বাঙালি বক্তা ইংলিশে বক্তৃতা দেন। বুদ্ধিশুদ্ধি কোন আস্তাকুঁড়ে ফেলে আসলে এই কান্ড ঘটানো সম্ভব? এরা কী প্রমান করতে চায়? দেশে কবে থেকে বেকুবের বাম্পার ফলন হওয়া শুরু হয়েছে?
ইংলিশ শিক্ষা নিয়ে প্রসংগক্রমে ইন্ডিয়ানদের একটি গুনের কথা বলি। তার আগে বলে নেই যে এইটা নিশ্চই সবাই জানেন যে যদিও ভারতীয়দের জাতীয় ভাষা হিন্দি, কিন্তু তারপরেও তাঁরা এক রাজ্যের লোক অন্য রাজ্যের লোকের সাথে যোগাযোগে ইংলিশ ভাষা ব্যবহার করেন। ইন্ডিয়ান উচ্চারণ নিয়ে (আসলে দক্ষিণ ভারতীয়দের ইংলিশ উচ্চারন) পশ্চিমা দেশে যতই হাসাহাসি হোক না কেন, তাঁদের "ইংলিশ বিদ্যা" নিয়ে কিন্তু কারোরই কোন সন্দেহ নাই। কাজেই মোটামুটি শিক্ষিত ভারতীয় মাত্রই ইংলিশে দক্ষ। তা তাঁর উচ্চারণ পশ্চিমাদের কাছে যতই হাস্যকর শোনাক না কেন।
এখন প্রসঙ্গে আসা যাক।
অ্যামেরিকায় একটি বিশেষ ধরণের ভিসা আছে, সহজ বাংলায় যাকে কর্মী ভিসা বলা চলে। মানে এই দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য বিদেশ থেকে কর্মী আনার জন্য যে ভিসা দেয়া হয় আর কি। তা এই ভিসায় লোকজন আসে, অ্যামেরিকান প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। তারপর এই ভিসাই বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে একসময়ে গ্রীন কার্ড এবং সিটিজেনশিপ এনে দেয়।
তা এই কর্মী ভিসা কী শর্তে দেয়া হয়? যে কোম্পানি একজন বিদেশিকে এই ভিসা দিবে, তাঁকে প্রমান করতে হবে যে যেই বিশেষ স্কিলের জন্য এই লোকটিকে ভিসা দেয়া হচ্ছে, লোকালদের মধ্যে সেই স্কিলটি নেই।
সহজ উদাহরণ দেই। ধরা যাক আমি একটি রেস্টুরেন্টের মালিক। আমার একটি মেনু হচ্ছে "হায়দ্রাবাদি জাফরানি পোলাও।" এজন্য আমার একজন বাবুর্চি লাগবে। আমাকে প্রথমে বিজ্ঞাপন দিতে হবে হায়দ্রাবাদি জাফরানি পোলাও রেসিপি জানা এমন বাবুর্চি আমার চাই। কোন সাড়া পাওয়া না গেলে তবেই আমি হায়দ্রাবাদ বা বিশ্বের অন্য কোন প্রান্ত থেকে বাবুর্চি আনতে পারবো যে এই বিশেষ রান্নায় পারদর্শী। যদি অ্যামেরিকায় আমি বাবুর্চি পেয়ে যাই, তাহলে কিন্তু আনতে পারবো না।
সমান শর্ত যেকোন কাজের জন্য প্রযোজ্য। হোক সে ইঞ্জিনিয়ার বা একাউন্ট্যান্ট। বুঝাতে পারছি?
তা ইন্ডিয়ানরা এই বিষয়ে যথেষ্ট স্মার্ট। তাঁরা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা, বিশেষ করে আইটি সেক্টরকে এমনভাবে ডিজাইন করে যে ওরা পাশ করার সাথে সাথেই অ্যামেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলো বুভুক্ষের মতন ওদের ধরে ধরে খুঁজে খুঁজে নিয়ে আসে।
প্রশ্ন উঠতে পারে, অ্যামেরিকায় কী আই.টি পড়ানো হয়না? তাহলে সেই ইন্ডিয়া থেকে আনা হয় কেন?
উত্তর হচ্ছে, গুগল, মাইক্রোসফট বা এইসমস্ত প্রতিষ্ঠান যে স্কিলের লেবার চায়, তা আসলেই অ্যামেরিকায় পাওয়া কঠিন। অ্যামেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় অনেক আজাইরা কোর্সও করায় যেগুলোর সাথে এইসব প্রতিষ্ঠানের দূরদূরান্ত পর্যন্ত কোন সম্পর্ক নেই। যেমন আমাকে ড্রামা/ডান্স/আর্ট/মিউজিক থেকে যেকোন কিছু সাবজেক্ট ইলেক্টিভ হিসেবে নিতে হয়েছিল। আমি ড্রামা নিয়েছিলাম ইন্টারেস্ট ছিল বলেই। ইন্ডিয়াতে যতদূর জানি এর বদলে আরও কঠিন কোন কোডিং ক্লাস ধরিয়ে দিবে। আমার ড্রামায় বিল গেটস ভাইয়ের কী যায় আসে? তাঁর দরকার ঐ কোডিং জানা ছেলে। তাছাড়া অ্যামেরিকান লোকজনের নখরারও শেষ নেই। "আমাকে এই ঐ সেই বেনিফিট দিতেই হবে। এত বেতনের নিচে দিলে কাজ করার প্রশ্নই উঠে না।" আর কোথাও ভাল অপর্চুনিটি পেলে পায়ে ধরেও ওদের আটকে রাখা সম্ভব না। বর্তমান জেনারেশনে অ্যামেরিকানরা চল্লিশ ছোঁয়ার আগেই পাঁচ ছয়টা (আরও বেশি হতে পারে) প্রতিষ্ঠানে ঢু মেরে আসে।
আর ভারতীয়রা অ্যামেরিকায় কাজ পাচ্ছে এতেই আলহামদুলিল্লাহ! অর্ধেক বেতনে করে দিচ্ছে। মোটামুটি এক দুই প্রতিষ্ঠানেই রিটায়ারমেন্টের প্ল্যান নিয়ে এগোয়।
শুনেছি গুগল নিজেরাই নাকি ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে, কেবলমাত্র নিজেদের প্রতিষ্ঠানের জন্য। তাঁরা যা যা চায়, যেমন কর্মী চায়, সেরকম তৈরী করে নিবে। কারন ডোনাল্ড ট্রাম্প এসে ঘ্যানর ঘ্যানর শুরু করেছে এইসব কর্মী ভিসা বন্ধ করে অ্যামেরিকানদের হায়ার করতে। দক্ষ কর্মী সংকটে পড়লে এর দায়ভার ট্রাম্প নিবে?
যে কারনে উদাহরণটা দিলাম, দেখুন আমরাও কিন্তু লেবার পাচার করছি। মধ্যপ্রাচ্যে। মিস্ত্রি, ঝাড়ুদার, খানসামা এইসব। আমাদের দেশের খুব কম শিক্ষিত লেবার বাইরে কাজ নিয়ে আসে। বেশিরভাগ পড়াশোনা করতে এসে থেকে যায়। দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে। অথচ আমরা যদি অন্যান্য কাজের সাথে ইংলিশ শিখিয়ে শিখিয়ে লোকজন পাচার করা শুরু করতাম, তাহলে আমাদের ইকোনোমি আরও বহু আগেই বদলে যেত। যেমন আমাদের নাপিত সম্প্রদায়। হাতে হাতে যেভাবে যেই ডিজাইন দেখিয়ে দেই সেই ডিজাইনে চুল কাটে, এমন কাস্টম বারবার সার্ভিস এখানে $১০০ দিয়েও পাওয়া কঠিন। আমাদের বাবুর্চিরা বিশ্বসেরা। এই বিষয়ে আমার কোন তর্ক নাই। আমাদের মুচি, দর্জি, কিংবা আমাদের কাঠ মিস্ত্রি। কিছুদিন আগেই দেখলাম মিরপুরে চিপা গলির ভিতরে এক ভাঙা দোকানে ফার্নিচার তৈরী হচ্ছে। কী নিখুঁত ডিজাইন যে লোকগুলো ফুটিয়ে তুলছে। এইদেশে এইরকম কাস্টম ডিজাইন হ্যান্ডমেড ফার্নিচার হাজার দশেক ডলারের নিচে পেলে নিজেকে ভাগ্যবান বলতেই হবে। এরা যদি ইংলিশ জেনে বাইরের দেশে গিয়ে ব্যবসা খুলতে শুরু করতো - এদের কোটিপতি হতে বেশিদিন লাগতো না। স্রেফ ইংলিশ না জানার এবং ভাগ্যবিড়ম্বনায় তাঁদের জীবন রাস্তার ধারে ফুটপাথে কেটে যাচ্ছে। হ্যা, সেগুন কাঠের অর্ডার নিয়ে কেরোসিন কাঠ গছিয়ে দেয়ার অভ্যাস ধরে রাখলে এদের অবস্থান গলির চিপাতে থাকাই ভাল।
মদ্দা কথা, বাংলা শিখুন, বাংলা জানুন, নিজের মাতৃভাষাকে নিয়ে গর্বিত হন। কিন্তু অন্য কোন ভাষাকে কটাক্ষ করলে, অসম্মান দেখালে লোকসানটা নিজেরই হবে। শিক্ষিত হয়ে কামলা হবেন কেন? অফিসার হন।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৫
৬টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বরাজনীতি চলে স্বার্থের হিসেবে, আমরা চলি অন্ধ আবেগে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২২


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিস হলো বিশ্লেষণ। চাল, ডাল কিংবা তেলের দাম নিয়ে যতই হাহাকার থাকুক, ভূরাজনীতি নিয়ে জ্ঞানের কোনো অভাব নেই। চায়ের দোকানে বসে যিনি নিজের বাসার গ্যাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।

বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×