somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাহাঙ্গীর মিয়ার মতন সন্তানহারা বাপগুলো মেয়ের ভাঙা ছাতা হাতে নিয়ে কান্না করতে থাকেন।

৩১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানুষের জন্মের প্রক্রিয়াটা একদম কাছ থেকে দেখেছেন কখনও? নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলি, আপনাদের যাদের যাদের সন্তান হয়েছে তাঁরা হুবহু মিল খুঁজে পাবেন। যাদের হয়নি, তাঁরা কিছুটা হলেও ধারণা পাবেন।
আমার বৌ এক মধ্যরাত্রিতে আমার ঘুম ভাঙিয়ে বলেছিল সে প্রেগন্যান্ট। সেই ক্ষণটি, একদম সেই মুহূর্ত থেকেই আমাদের জীবন পাল্টে গিয়েছিল। সেই প্রথম হার্টবিট শোনা, সেই প্রথম জানা যে সে ছেলে নাকি মেয়ে, মনিটরে সেই প্রথম মাতৃগর্ভে তাঁর মুখের আবছা একটা চেহারা দেখা, পেটের ভিতর প্রথম লাথি - কিছু হলেই হাসপাতালে ছুটে যাওয়া, এবং ডাক্তারের মুখ থেকে যখন শোনা হয় যে সে সুস্থ আছে, তারপরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা।
একটা সময়ে পৃথিবীতেই তাঁর আগমন। গলা ফাটিয়ে কাঁদতে কাঁদতে আমার কোলে উঠে আমার দিকে প্রথম তাকিয়েই হঠাৎ কান্না থামিয়ে ফেলা।
জরাগ্রস্থ মানুষ একটা সময়ে সব স্মৃতি ভুলে যেতে পারে, কিন্তু নিজের সন্তানকে প্রথম কোলে নেয়ার স্মৃতি, তাঁর ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকার স্মৃতি কী কখনও সে ভুলবে?
তারপর ধীরে ধীরে ওর বেড়ে ওঠা। এক দুইমাস বয়সে প্রথম হাসতে শেখা। কয়েক মাস পর বসতে শেখা। এবং তারপর একদিন হাঁটা, দৌড়ানো, চেয়ার-টেবল থেকে মেঝেতে লাফ দিয়ে নিজেকে সুপারহিরো মনে করা। প্রথম নিজের হাতে খাবার খাওয়া, আধো আধো বুলি, সুরে বেসুরে নার্সারি রাইম গাওয়া।
একটা শিশু এইভাবেই বড় হয়। প্রতিদিন নতুন নতুন চমক থাকে বাবা মায়ের জন্য। প্রতিদিনই নতুন নতুন মাইল ফলক। প্রথম স্কুলে গমন, প্রথম পরীক্ষা, প্রথম কলেজ, চাকরি বিয়ে তাঁর বাবা/মা হওয়া। এইভাবে আরও কত কি।
প্রতিটা সন্তানকে নিয়েই বাবা মায়ের অসংখ্য স্বপ্ন থাকে। প্রতিটা মাইল ফলকেরই স্বাক্ষী হবার ইচ্ছে থাকে বাবা মায়ের। প্রতিটা বাবা মায়ের আল্টিমেট ড্রিম হচ্ছে কবরে যাবার সময়ে তাঁর সন্তানের কাঁধে চড়েই যাওয়া। জানাজার নামাজটাতে তাঁর সন্তানের উপস্থিতি। তাঁর কবর জিয়ারতে তাঁর সন্তানের দুই হাত তুলে পরওয়ারদেগারের নিকট তাঁর জন্য দোয়া চাওয়া।
বাবা মায়ের ঋণ শোধ কখনই সম্ভব নয়, জানাজায় কাঁধ দিলে তাও শৈশবে কোলে তোলার ঋণের কিছুটা হলেও পরিশোধ হয়।
একটি বাবা মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন তাঁর সন্তানের মৃত্যু। বয়স্ক সন্তানের মৃত্যুই কেউ মেনে নিতে পারেন না, অকাল মৃত্যু হলেতো কথাই নাই।
এত কষ্ট করে বেড়ে ওঠা একটা শিশুকে তাঁর বাবা মা থেকে কেড়ে নিতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডই যথেষ্ট।
একদল লোক জোর করে ব্রিজ থেকে নদীতে ছুড়ে ফেলা হোক, কিংবা রাস্তার ধারে দাঁড়ানো ছেলেমেয়েদের উপর একজন ড্রাইভার আস্ত বাস তুলে দিলেই খেল খতম! মন্ত্রী সাহেব হাসি মুখে উড়িয়ে দিয়ে বলবেন, "ভারতে এতজন মরেছে - কোই তা নিয়েতো হৈচৈ হয়নি, মাত্র দুইজন মরায় এত কিসের আলাপ?"
ঠিক। ক্ষমতাশীনদের চোখে আমরা হচ্ছি ইঁদুরের মতন বংশ বিস্তার করা জাতি। আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনের মূল্য ওদের কাছে কখনই ছিল না। সেটা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল হোক, স্বৈর শাসক আইয়ুব খাঁ হোক, কিংবা আমাদের বর্তমান নৌ-পরিবহন মন্ত্রী। আমরা গাধার মতন মনে করি নিজের দেশের লোক, নিজের ভাষায় কথা বলা লোক যেহেতু ক্ষমতার গদিতে বসেছে, হয়তো আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও উপলব্ধি করবে। আহারে আমাদের বুদ্ধিশুদ্ধি।
ভারত-পাকিস্তানকে কবে থেকে আমরা স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে নিতে শুরু করেছি? আজকে মহারাষ্ট্রে তেত্রিশ জন মরার পর যেহেতু কেউ আওয়াজ তুলেনি, তাই আমাদের আওয়াজ তোলা যাবেনা।
কালকে বেলুচিস্তানে বোমা হামলায় শতাধিক লোকের মৃত্যুতেও যদি ওরা আওয়াজ না তুলে আমাদের দেশের যেকোন জঙ্গি হামলায় আমরা চুপ করে বসে থাকবো? নাকি নিহতের সংখ্যা একশো এক হলেই কেবল বলতে পারবো - এখনতো আমাদের সংখ্যা পাকিস্তানের নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে - এখন নাহয় আমাদের সুবিচার পাইয়ে দিন।
কোন লজিকে কথাবার্তা বলে এইসব আহাম্মক নেতৃবৃন্দ? অন্যায়কে অন্যায় বলে স্বীকার করতে কতটুকু মস্তিষ্কের প্রয়োজন হয়?
"লাগে রাহো মুন্নাভাই" সিনেমায় মুন্না আত্মহত্যা করতে যাওয়া এক ছেলেকে ধমকে বলেছিল, "তুই যখন মরে যাবি তোর বাপের ছয়মাস লেগে যাবে শুধু এইটা বুঝতেই যে তুই মরেছিস। আরে যেই ফোন থেকে তুই আমাকে ফোন করেছিস সেই নাম্বারেই তোর বাপ একের পর ফোন করতে থাকবেন এই ভরসায় যে তুই একদিন ঠিকই রিসিভ করবি।"
এই দৃশ্যটা যতবার দেখি, ততবার কাঁদি। কারন বাস্তবেই এমনটা হতে দেখেছি। আমার অতি প্রিয় বন্ধু পানিতে ডুবে মারা যাবার পর তাঁর বাবা কয়েক বছর পরেও তাঁর পুরানো মোবাইল নম্বরে ফোন করেন। কেউ দেখে ফেললে ফোন সরিয়ে রাখেন। আঙ্কেল এখনও এই আশায় আছেন একদিন ইকবাল ঠিকই ফোন তুলে বলবে "হ্যালো আব্বু, আমি ঠিক আছি - তুমি চিন্তা করোনা।"
এই যে মেয়েটি মারা গেল, তাঁর বাবা সেই হত্যাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। বলছেন, "আইজকাও সকাল বেলায় গেছি যেখানে আমার মেয়েডা মারা গেল। গিয়া দেখি, ছাতাটা পইরা আছে, স্যান্ডেল পইরা রইছে, ছাতিটা দেইখ্যা বইয়া বইয়া কান্দি। কেউ বললো, তুমি কাইন্দো না, তুমি বিচার পাইবা।"
আহারে - এই লোকটা বিচারের আশায় বসে আছেন। নিহত সন্তানের বোকা বাপটা। আহারে।
আমাদের দেশের লোকজনের কিছু কর্মকান্ড দেখে মাঝে মাঝে খুব মজা পাই, মাঝেমাঝে খুব বিরক্তও হই। যেমন আমাদের ওয়েস্টার্ন হবার আপ্রাণ প্রচেষ্টা। আমাদের দেশের একটা বিরাট অংশের লোকের ধারণা যেহেতু পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো উন্নত, সেহেতু তাঁরা যা করে তাই অনুসরণ করলেই বুঝিবা আমরাও উন্নত সমাজ হয়ে যাব। এই যে কিছুদিন আগে চুম্মাচাটি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে পোস্ট নিয়ে ফেসবুক তোলপাড় হয়ে গেল - সেটার ভিত্তিতেই উদাহরণ দেয়া যাক।
পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বের একনম্বর দেশ কেন জানেন? রাস্তাঘাটে চুম্মাচাটি বা লিভিংটুগেদার কালচারের জন্য নয়। পঞ্চাশ ষাট বছর আগেও এসব দেশের সমাজে লিভিংটুগেদার কনসেপ্ট এতটা সাধারণ ঘটনা ছিল না, তখনও এইসব দেশ বিশ্ব মঞ্চে ছড়ি ঘুরিয়েছে। এরা পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশ হবার কারন হচ্ছে এইসব দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত। অন্যায় যেই করুক না কেন, তাকে শাস্তি দেয়ার অঙ্গীকার করে এইসব দেশের শাসন ব্যবস্থা। আপনি অতি সাধারণ মানুষ হয়েও দেশের সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন, এবং আপনি সঠিক হলে বিচার আপনার পক্ষে যাবে এই ব্যাপারটা আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশ - ভারত - পাকিস্তানে এমনটা কল্পনা করা যায়? এসব দেশের আদালত যদি দুর্বল হতো - যদি আইন শৃঙ্খলা প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান দুর্বল হতো - তাহলে সেই কবেই দেশগুলো ধ্বংস হয়ে যেত।
আমাদের দেশে এমনটা হবেনা অনেকটা নিজেদের দোষেই।
এই যে সিটিকর্পোরেশন নির্বাচন হচ্ছে, বরিশালের এক বামপন্থী মহিলা পদপ্রার্থীর কথাবার্তা শুনে যথেষ্ট ইম্প্রেসিভ মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল যাক, ভাল কেউ রাজনীতিতে নেমেছে। ডাক্তার মনীষা নামের মেয়েটি বলেছিল, "তিরিশ বছরের দুর্নীতির অভিজ্ঞতার চেয়ে তিরিশ বছরের সংগ্রামের জীবন অনেক বেশি গৌরবের।"
শুধু কথায় নয়, মেয়েটি কাজেও নিজেকে প্রমান করে চলেছিল। অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে গেছে চিরদিন। যদিও বামপন্থী বা কমিউনিস্ট মতবাদের সাথে আমি সহমত নই, তারপরেও বাংলাদেশে আমি জীবনে ভাল রাজনীতিবিদ যতজন দেখেছি সব এই জাসদ-বাসদ বা কমিউনিস্ট পার্টি করা লোকজন। একটা আদর্শে স্থির থাকে, লাত্থিগুতা খায়, সাধারণ মানুষের জন্য লড়ে যায়, দুর্নীতি করেনা - এবং একসময়ে নীরবে মরেও যায়। মায়া লাগে এদের জন্য। জীবনে কিছুই পায় না। অথচ তাঁদের ভাঙিয়েই লোকজন বড়লোক হয়ে যায়।
আর বিএনপি-আওয়ামীলীগ করে সব ধান্ধাবাজের দল। বেশিরভাগই ক্ষমতায় যাবার জন্য যেকোন অপকর্ম করতে এরা রাজি। আদর্শ ফাদর্শ এদের মাথায় নেই। নিজের দলের পেছন দিয়ে হাতি চলে গেলেও শব্দ নেই - বিপক্ষদলের পিঁপড়াতেও দোষ।
তা কী হলো এই ডাক্তার মনীষার? সে বেচারি নির্বাচন থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ভোট দিতে গিয়ে দেখে ব্যালট বাক্স ভরে ফেলা হচ্ছে নৌকা প্রতীক দিয়ে। বেচারি প্রতিবাদ করতে গিয়ে মার খেয়ে হাতও ভেঙ্গেছে। বোকা মেয়েটাকে কেউ বুঝায় না, কোন দেশের মানুষের জন্য সে এসব করছে? কী লাভটা হবে এসব করে? মুসলমানদের কথা বাদই দিলাম, হিন্দু হয়ে দাঁড়াচ্ছে এই মেয়ে ইলেকশনে, অথচ বেশিরভাগ হিন্দু ভোট যাবে সেই নৌকা প্রতীকেই যারা তাঁকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছে। বাহ্! কী মজা!
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে কিভাবে? পুলিশ একাই দুর্নীতি করে? ওপরতলা থেকে নির্দেশ আসার পরে তাদের কী করার থাকে? কে সাধ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বদলি হতে চায়? এই উপরওয়ালাদের নির্বাচন করে কারা? জনগণ। তাহলে দোষটা কাদের?
আমরা চুম্মাচাটি নিয়ে যতটা সোচ্চার, এর অর্ধেকটাও যদি দেশের পলিটিক্স, নিজের ভোটের মূল্য নিয়ে ভাবতাম, তাহলে আমাদের এই পরিণতি হতো না।
কারোর কতটুকু মনে আছে জানিনা, ২০১৪ সালে কোরিয়ায় ফেরি দুর্ঘটনায় ছাত্রছাত্রীর মৃত্যুতে সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী সরকারের দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছিলেন। তিনি আহাম্মকের মতন হাসিমুখে বলেন নাই, বাংলাদেশে প্রতিবছর লঞ্চ দুর্ঘটনায় এতজন মারা যায়, আপনারা কেন মাত্র এতজনের জন্য প্রশ্ন করছেন?
কিছুদিন আগে দেখলাম কোন দেশের দুর্নীতিবাজ এক নেতাকে গণধোলাই দিয়ে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে। প্রতীকী দৃশ্য। ওদের ওখানেই মানায়। আমাদের দেশের জনগণ এই উদাহরণ টেনে ব্যাটার হাসিমুখ বন্ধ করে দিতে পারে না?
একদিন একজন বলতেন, "আল্লাহর মাল আল্লায় নিছে" এখন শুনতে হয় "ভারতে তেত্রিশজন মরলো, কেউ শব্দ করলো না....।"
আমরা সাধারণ জনতা ফেসবুক চালাই, ডঃ মনীষার মতন নেতাদের পোস্টে লাইক দিয়ে ভোট দেই সেই নৌকা বা ধানের শীষে, এবং তারপর খেয়ে দেয়ে নিশ্চিন্তে ঘুম দেই।
আর জাহাঙ্গীর মিয়ার মতন সন্তানহারা বাপগুলো মেয়ের ভাঙা ছাতা হাতে নিয়ে কান্না করতে থাকেন।
আমার সোনার বাংলা - আমি তোমায় ভালবাসি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:১১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বকশিস

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:১৫

বকশিস
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

খুশি হতে বেশি কিছু লাগে না
যা ভাগ্যে জোটে তাতে সুন্তুষ্ট
হলে মন ভরে উঠে আনন্দে
একদিন বাসে চড়ে ফিরছিলাম ঘরে
ঈদের দিনে, বাসের কন্ডাক্টর
ভাড়া সংগ্রহ করছিল
প্রতি যাত্রীদের কাছ থেকে
অতিরিক্ত ভাড়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাহরাম নয়, এমন পুরুষকে কি একজন স্ত্রীলোক নিজের স্তনের দুধ পান করাতে পারবেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২১

আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: সাহলা বিনতে সুহাইল নবী করীম ﷺ-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমার নিকট সালেমের আসাটা আবু হুযাইফা ভালো মনে করছেন না। নবী বললেন:... ...বাকিটুকু পড়ুন

লুচ্চামি আর যৌন হতাশা এক বিষয় না।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২


সম্প্রতি জামায়াতের এক লুচ্চা এমপি-র অন্তত দুইজন তরুণী নিয়ে কট খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তিনি তরুণী নিয়ে হোটেল, কোচিং সেন্টারে রুম ডেট করতেন। নেটিজেনরা তার এই লুচ্চামি এমনভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতির বিদায়ঘণ্টা: রাজনীতি ও নৈতিকতা

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



বাংলাদেশের রাজনীতি অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
পদত্যাগ কেবল একজন ব্যক্তি বা কোন একটি বিশেষ পদের পরিবর্তন নয় বরং এটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×