somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ!

১৭ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ১০:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটি ভিডিও ক্লিপ থেকে নিচের ঘটনাটি শুনলাম।
আমেরিকান এক ভদ্রলোক নিয়মিতই হান্টিংয়ে যান। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ঘর সামলান, সন্তানদের দেখে রাখেন। সন্ধ্যায় ভদ্রলোক বাড়ি ফিরে আসেন।
একদিন বৌ লক্ষ্য করে, ভদ্রলোক হান্টিংয়ে যান ঠিকই, কিন্তু কখনই কোন শিকার নিয়ে ফিরেন না।
সন্দেহ জাগাটা অস্বাভাবিক কিছু না।
তাই তিনি পরেরবার ক্রসবো সরিয়ে রাখেন।
তাঁর বিশ্বাস ছিল স্বামীর ফোন আসবে, জানতে চাইবে ক্রসবো কি তিনি বাড়িতে ফেলে গেছেন, নাকি বৌ সরিয়েছে ইত্যাদি। কিন্তু কোন কল এলো না। ভদ্রলোক যথারীতি কোন শিকার ছাড়াই বাড়িতে ফিরেন, এবং এই নিয়ে কোন আলোচনাও করেন না।
মহিলা নিশ্চিত হয়ে যান ঘটনা মোটেই সামান্য কিছু না।
পরেরবার তিনি গাড়িতে জিপিএস ট্র্যাকার যুক্ত করে দেন। ভদ্রলোক বাড়ি ছাড়তেই মহিলা তাঁর বাচ্চাকাচ্চাদের নিয়ে নিজের মায়ের বাড়িতে রেখে ট্র্যাক ফলো করতে শুরু করেন। তাঁর সন্দেহই ঠিক। ভদ্রলোক শিকারের নির্দিষ্ট এলাকা থেকে দুইশো মাইল উল্টোদিকে অবস্থান করছেন।
মহিলা রাগে কিড়মিড় করতে করতে গিয়ে দেখেন সেটি একটি মোটেল। এবং পার্কিংলটে ওর স্বামীর গাড়ির পাশেই স্বামীর বেস্ট ফ্রেন্ডের স্ত্রীর গাড়ি পার্ক করা।
মহিলা আজকেই কেয়ামত নামায় ফেলবেন ভেবে গাড়ি থেকে নেমে মোটেলের দিকে এগুতেই দেখেন লবিতে সেই বেস্ট ফ্রেন্ডের স্ত্রী দাঁড়ানো।
রাগে কাঁপতে কাঁপতে গালাগালি করতে করতে ঐ মহিলার দিকে এগিয়ে গেলে সেই মহিলাও বলেন, "দাঁড়াও! তুমি কি বলছো আমিও বুঝতে পারছি না। আমার স্বামীও প্রতিবার হান্টিংয়ের নাম করে বের হয়। কখনই কিছু নিয়ে ফেরত আসে না। সন্দেহ হওয়ায় আমার গাড়ি ওকে দিয়ে দিলাম এবং গাড়ি ট্র্যাক করে এখানে এসে দেখি তুমি! আমিতো ভেবেছি, তোমার সাথেই কোন সম্পর্ক আছে ওর!"
দুই মহিলা এরপরে মোটেল ম্যানেজারকে ধরেন ওরা কোথায় কোন রুমে আছে। দিতে না চাইলে ওকে ঘুষ দিয়ে তথ্য বের করে।
তারপরে দুই মহিলা সেই রুমে তেড়েমেড়ে উপস্থিত হয়, এবং দরজা খুলে যা দেখে তার জন্য ওরা কেউই প্রস্তুত ছিল না। ওদের দুইজনের বর ছাড়াও সেই রুমে ওদেরই নেইবারহুডের আরও গন্যমান্য মোট দশজন পুরুষ উপস্থিত। বাকিটা বললাম না।
মহিলা বললেন, "অথচ আমার এক্স হাজব্যান্ড ও ওর বন্ধুবান্ধবরা চরম পর্যায়ের হোমোফোবিক ছিল। এখন বুঝি, কেউ অতিরিক্ত কিছু করলে সেটাতেই সন্দেহ করা উচিত।"
অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ১০:০৭
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×