আফগানিস্তানে এক হসপিটালে বোমা হামলা করে ৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।
হামলা করেছে পাকিস্তান।
রমজান মাসে।
খুব সম্ভব লাইলাতুল কদরের রাত ছিল সেটি।
"খুব সম্ভব" বললাম কারন আমি নিশ্চিত না সে রাতেই কদরের রাত ছিল কিনা। কিন্তু আমাদের অঞ্চলে সেই রাতকেই কদরের রাত ধরে ইবাদত করা হয়। ইসলাম ধর্মে এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, অধ্যাত্মিকতাপূর্ণ রাত দ্বিতীয়টি নেই। এই রাতেই নবীজির (সঃ) কাছে কুরআনের প্রথম আয়াত নাজেল হয়েছিল। আমাদের নবীজি (সঃ) মক্কার "আল-আমিন" (বিশ্বাসী) থেকে হয়ে গিয়েছিলেন "মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ!" হেরাপর্বতের সেই অন্ধকার গর্তে যে আলোকরশ্মির জন্ম হয়েছিল, আজ সেই আলো পৃথিবীর সর্বকোণে পৌঁছে গেছে।
এই রাতেই আসমানের ফেরেস্তারা আল্লাহর হুকুমে পৃথিবীতে নেমে আসেন। বিশেষ মেহমান হিসেবে আসেন ফেরেস্তা সম্রাট জিব্রাঈল (আঃ)। নবীজির (সঃ) ইন্তেকালের পরে তিনি কেবল এই কদরের রাতেই পৃথিবীতে আগমন করেন। তাঁর আগমন উপলক্ষে আর আল্লাহর করুণা লাভের আশায় আমাদের প্রতিটা মুসলিমের ঘরে, অন্তরে আর মসজিদে মসজিদে থাকে বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা। এই রাতের মর্যাদা হাজার মাসের চাইতে উত্তম।
সেই রাতেই কিনা চারশোর বেশি রোগীকে মেরে ফেলা হলো?
মানলাম ইরানে, গাজায়, লেবাননে বোমা ফেলছে ইজরায়েল-আমেরিকা, ওরা অমুসলিম, ওদের কাছে রমজান মাসের কোন মূল্যই নেই।
কিন্তু একটা মুসলিম আরেক মুসলিমকে কিভাবে রমজান মাসে বোমা হামলা করতে পারে?
এই জানোয়ারদের মুসলিম বলবেন কোন হিসাবে?
হেরা গুহার সেই আলো ওদের কাছেও পৌঁছেছে, কিন্তু জন্মান্ধের কাছে আলোর মূল্য কি?
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



