আজ শুক্রবার। জটিল ঘুমে আছিলাম। যখন তার ফোন আসে জানিনা কটা বাজে। শুধো ঘুমের ভেতর থেইকা বাহির হইয়া ফোন ধরি। জানলার দিকে চোখ রাখি। পর্দার কারণে কিছু বোঝা না গেলেও আশা করি ভোর চারটের দিকে। তার কণ্ঠ শুনে মনে হল কাম তাড়িত। মনে হয় হাজবেন্ডের লগে এতক্ষন বিছানায় ছিল। হাজবেন্ড এতরাতে তো নিশ্চই বাজার করতে যায় নাই। বাথরুমে পাঠাইয়া মহিলা প্রেমিককুলের লগে ফোনে মাতছে মনে লয়। তার হাসি আমার অন্তমুল শিহরিত করে। ইশ্বর আমি নিবার্ণ চেয়েছিলাম। সুদূর ইনানীর নৈস্বর্গের মধ্যে গিয়া মহিলা এককান কবিতা লিখছে সেটা শুনানোই তার অভিলাষ। আমি শুনি ঘুমের মধ্যে। কবিতার চাইতে আমার ভাল লাগতে থাকে মহিলার কামভেজা কণ্ঠস্বর। আমার মনে পড়ে শরাবের গ্লাস হাতে ওমর খৈয়ামকে। মনে পড়ে মির্জা গালিবরে, হাফিজ রে। মহিলা বলে, কি বিরক্ত করলাম নাতো! তারপর রিনি ঝিনি হাসি।
আমি লম্পট পুরুষদিগের মত বলি না মনে হয় আজকে ভোরে ইশ্বর আমার ওপর সদয় হয়েছেন। মহিলা আবার হাসে। সি্নগ্ধ হাসি। কবিতা কেমন লেগেছে। অ ামি ওয়ান মোর বললে মহিলা আবার কবিতা পড়ে। দেহসুখের কবিতা। আমি বলি কবিতার চাইতে কবিতা যে পড়ছে তাকেই আমার ভাল লাগছে, তার প্রত্যেকটা শব্দ আমার স্নায়ুগুলোকে একত্রিত করছে। আমার ভেতর জেগে উঠে স্বমেহনের সাধ। মহিলাকে বলি। সে সময় পদর্াপন ঘটে মহিলার স্বামী। কি একটা খুজল যেন সে। মহিলা সতর্ক হলো। আর বিদায় নিয়ে যাবার সময় বলল। আজ তোমার সারাদিন ভাল কাটুক। আমি বলি আজ আমার সারাদিন যৌন তাড়িত। কারণ আমি স্বমেহন সারতে পারি নাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



