মাঝে মাঝেই মনেহয় সেদিনই পিছিয়ে গেছি আসলে, যেদিন বাইরে পড়তে যাওয়ার জন্য জেদ না ধরে দেশেই পড়েছি। আর হেরে গেছি মনেহয় সেদিন, চাকুরিতে ঢুঁকে ইমিগ্রেশনের জন্য চেষ্টা করবনা সিদ্ধান্ত নেই যখন। তবু যখন হাসিমুখে কলিগ বা বন্ধুদের দেখতাম “আই.ই.এল.টি.এস” এর প্রস্তুতি নেয়, পরীক্ষা দিতে যায়, মনে হয় সারি সারি পরাজিত মানুষের লাইন, হেরে গেছে তাই চলে যাবে; নিজেকে বুঝ দেই এভাবেই। নিজেকে জয়ী করতে বারবার চাকুরি বদলাই। এ বিল্ডিং থেকে ওই বিল্ডিংয়ে দাসখত লিখি।
ইন্টারভিউ বোর্ডে চাকুরিদাতাকে স্বপ্ন দেখাই। বোঝাই, আমার অনেক বড় স্বপ্ন, আমার চওড়া কাঁধে ভর দিয়েই আপনার কোম্পানি এগিয়ে যাবে বহুদূর! এরপরেই হোঁচট খাই। স্বপ্নের সাথে সাধ্য মিললেও বাস্তবতা মেলেনা। মনে ভয়, এই বুঝি বছর বছর বেতন বাড়ার স্বপ্নে হাতুড়ির বাড়ি পড়ে!
চুরিটা শেখা হয়নি, তাই এত বছরেও “ব্যাংক ব্যালেন্স” জমিয়ে ব্যবসা শুরুর পুঁজি হয়নি। বিক্রির মধ্যে এখনো মধ্য ত্রিশের শ্রম আর মেধা।
তবু জিততে চাই…
অফিস যেতে আসতে পুড়ে না মরলে এবারো জিতে যাব।
অনন্ত নক্ষত্রবিথীর অবরোধের শুভেচ্ছা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


