[রং=মৎববহ]
আমার সবসময় গরুর হাড্ডি র তরকারি পছন্দ। দেশে থাকতে মা প্রায় সময়ই হাড্ডি রাধতেন। আর আমরা ভাই বোনেরা বড় হাড্ডি নেয়ার জন্য মারামারি করতাম। অবশেষে মা ই সমাধান করতেন।
লন্ডনে মা ও নাই গরুর হাড্ডিও নাই। গত বছর এক রেষ্টুরেন্টে কাজ করাকালিন ভেডার হাড্ডি খেয়েছিলাম একবার। তাও শেফকে অনেক রিকোয়েষ্ট করতে হলো। শেফ ছিলেন রেষ্টুরেন্টের বস।উনাকে হাড্ডি খাওয়ার গুরুত্ব বুঝিায়ে বললাম। যেমন ধরুন হাড্ডিগুলো ফেলে না দিয়ে যদি রান্না করা হয় তো একবেলা তরকারি বেচে যায়।তাছাড়া হাড্ডির ভেতর যে ক্যালসিয়াম থাকে সেটাও অনেক উপকারী।
শেফ অনেক চিন্তা করে সপ্তাহে দুই টাইম হাড্ডি ইনক্লুড করলেন ষ্টাফ কারিতে। আমার হলো পোয়া বারো। মনের সুখেই হাড্ডি খাওয়া আরম্ভ হলো।
দূঘটনা ঘটলো দুমাসের মাথায়। সামনের দাত দিয়ে হাড্ডি থেকে মাংস আলাদা করতে গিয়ে খাটাস করে আওয়াজ হলো। মুখে হাত দিতেই দেখি মাংসের সাথে আমার দাতের কিছু ভাংগা অংশ।
তারপর আর কি দাতের জন্য খরচ হলো পুরা মাসের বেতন। শেফ সহ অন্য ষ্টাফরা আমাকে দেখলেই হাসে।
এরপর থেকে হাড্ডি খাবোনা পণ করেছি।
[/রং]
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



