বড় মামা বিয়ে করলেন গত বছর।শখানেক মেয়ে দেখা হয়েছে প্রায় বছরখানেক ধরে। কোন কিছু দরকার নেই শুধু মেয়ে সুন্দরী হলে চলবে। এবং তাই হলো।মধ্যবিত্ত পরিবারের এক সুন্দরী মেয়েকে বিনা যৌতুকে বিয়ে করলেন।
পুরো গ্রামের মানুষ বড় মামীর প্রশংসায় মূখর। এমন সুন্দরী মেয়ে গ্রামে একটাই। মামীরও অহংকার গেলো বেড়ে।সংসারের কাজকম বাদ দিয়ে ত্বকের বাড়তি চচায় বিশেষ মনযোগ দিলেন। প্রতি সপ্তাহে বিউটি পালারে যাওয়া আরম্ভ করলেন। শাড়ী গহনা কসমেটিক কিনে ঘর ভতি করতে লাগলেন। মামা ঘর খরচ যা দিতেন তার প্রায় পুরোটাই মামীর ত্বক চচায় ব্যায় হতে লাগলো। মামা পড়লেন বিপাকে। যতই বলেন এত বেশী তক্ব চচা দরকার নাই মামী ততই ক্ষেপে যান। এরপর ঝগড়া শুরুহয় । সংসারে নামে অশান্তি।
মেঝো চাচা যখন বিয়ে করেন তখন সবে আমি ক্লাশ নাইনে পড়ি।নিজের ক্যারিয়ারের উন্নতি করবেন শ্বশুরবাড়ীর সহায়তায় এই চিন্তা করেই বড়লোকের মেয়ে বিয়ে করেন। মেয়ের বয়স একটু বেশী আর চাচা মেধাবী ছাত্র ছিলেন বলেই বোধহয় মেয়ে পক্ষ আপত্তি করেনি। বিয়ের পর মাস তিনেক ভালোই কাটলো। এরপর বেরোলো চাচীর আসল চেহারা। তিনি কাজ করতে পারবেন া, এই ছোট ঘরে থাকা সম্ভব না , আজ এটা চাই কাল ওটা চাই এ ধরনের সমস্যা শুরু হলো। চাচা কিছু বললেই সোজা বাপের বাড়ী চলে যান। অতপর সংসারে অশান্তি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


