somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার সপ্নঃ একটা স্কুল

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তৃতীয় শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় পযন্ত আমরা গ্রামে ছিলাম। সিটি কপোরেশনের সীমানা পেরিয়ে দুই মাইল পরেই আমাদের গ্রাম। পাহাড়ের পাদদেশ ঘেষে অনাদরে অবহেলায় বেড়ে উঠা পল্লী। একটা প্রাইমারী স্কুল নেই পযন্ত। আমাদের জন্য স্কুল ভ্যান আসতো স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ফিরতাম সেই ভ্যানেই। মা দাড়িয়ৈ থাকতেন উঠানে এসে।গ্রামের অন্যান্য ছেলেমেয়েরা বেশীর ভাগই লেখাপড়া করতোনা। যারা করতো দুই মাইল হেটে গিয়েই করতো।

বাবা গ্রামের পরিস্থিতি উপলব্ধি করে আমাদের শহরে নিয়ে আসলেন মানুষ করার জন্যে।আমরা এখন হয়তো মানুষ হয়েছি কিন্তু ঐ আমার গ্রামটা সেটাতে মানুষ হলোনা। গতবার দেশে গিয়ে দেখেছি আমার শৈশবের বন্ধুরা অশিক্ষিতই রয়ে গেছে। গ্রামের মানুষের সাধ্য নেই একটা স্কুল খুলার। বাবা একরকম পালিয়েই এসেছিলেন আমাদের নিয়ে।

আমার মনে একটা সপ্ন ছিলো স্কুল দেওয়ার। কিভাবে করবো তা ভাবিনি। গত বছর দেশে গিয়েই আমার সপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়ে গেলাম।স্কুল করবো যখন আমার গ্রামেই করিনা কেন।

গ্রামে আমাদের কিছু রেন্ট হাউস আছে। বাবাকে বলে সেখানেই স্কুল করার পারমিশান যোগাড় করেছি। ভাড়াটিয়াদের বিদায় করে স্কুলের আদল গড়ার কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। আপাতত প্রাইমারী লেভেল পযন্ত চিন্তা করছি।আমার পাট টাইম কাজের পয়সা থেকেই স্কুল তৈরির সম্পূণ খরচ দেয়া হবে।

এই মুহূতে যে সমস্যাটা ফিল করছি সেটা স্কুল মেইনটেনানস নিয়ে। আমার পক্ষে প্রতি মাসে স্কুলের খরচ দেয়া সম্ভব না।

কিভাবে কি করবো আপনারা যদি পরামশ দিতেন তাহলে আমার জন্য বিষয়টা সহজ হয়।




সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'মানুষ' হওয়া খুব সোজা, 'মুসলমান' হওয়া কঠিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৪



একটু আগেই ভাবছিলাম, মানুষ হওয়াটা খুব সহজ। বাবা-মা জিংজিং করে আমাদের পৃথিবীতে এনেছেন, এতে আমাদের কৃতিত্ব কোথায়! কোন কৃতিত্ব নেই। আমরা অটো ভাবেই 'মানুষ' হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছি। দুইজন মানব-মানবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধের দায় হযরত আলীর (রা.) হলে আমরা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) কেন দোষ দেব?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৪



সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, মোয়াল্লাফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট),দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমাকে ভালোবাসি I love you

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:০২

তোমাকে ভালোবাসি বাতাসের মতো,
যেমন শিশুর কাছে বালি একটা খেলনা,
অথবা ঝড়ের মতো, যাকে কেউ বোঝে না।

I love you like the wind,
Playing like a child in the sands,
Or a storm that no... ...বাকিটুকু পড়ুন

গর্ব (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪০

একটা সরকারি প্রাইমারি স্কুল। ক্লাস শুরু হয়েছে বেশ আগে। স্কুলের মাঠে জন মানুষ নেই। কয়েকটা গাছ, দু'একটা পাখি আর চিরসবুজ ঘাস তাদের নিজের মতো আছে। একান্ত চুপচাপ একজন মানুষ শিক্ষক-রুমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও কেউ নেই

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫


বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংকট নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, যত টকশো হচ্ছে, যত বিশেষজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন, তার কিছুই ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার কাজে লাগছে না। তিনি জানতে চান একটাই কথা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×