তৃতীয় শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় পযন্ত আমরা গ্রামে ছিলাম। সিটি কপোরেশনের সীমানা পেরিয়ে দুই মাইল পরেই আমাদের গ্রাম। পাহাড়ের পাদদেশ ঘেষে অনাদরে অবহেলায় বেড়ে উঠা পল্লী। একটা প্রাইমারী স্কুল নেই পযন্ত। আমাদের জন্য স্কুল ভ্যান আসতো স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ফিরতাম সেই ভ্যানেই। মা দাড়িয়ৈ থাকতেন উঠানে এসে।গ্রামের অন্যান্য ছেলেমেয়েরা বেশীর ভাগই লেখাপড়া করতোনা। যারা করতো দুই মাইল হেটে গিয়েই করতো।
বাবা গ্রামের পরিস্থিতি উপলব্ধি করে আমাদের শহরে নিয়ে আসলেন মানুষ করার জন্যে।আমরা এখন হয়তো মানুষ হয়েছি কিন্তু ঐ আমার গ্রামটা সেটাতে মানুষ হলোনা। গতবার দেশে গিয়ে দেখেছি আমার শৈশবের বন্ধুরা অশিক্ষিতই রয়ে গেছে। গ্রামের মানুষের সাধ্য নেই একটা স্কুল খুলার। বাবা একরকম পালিয়েই এসেছিলেন আমাদের নিয়ে।
আমার মনে একটা সপ্ন ছিলো স্কুল দেওয়ার। কিভাবে করবো তা ভাবিনি। গত বছর দেশে গিয়েই আমার সপ্ন পূরণের সুযোগ পেয়ে গেলাম।স্কুল করবো যখন আমার গ্রামেই করিনা কেন।
গ্রামে আমাদের কিছু রেন্ট হাউস আছে। বাবাকে বলে সেখানেই স্কুল করার পারমিশান যোগাড় করেছি। ভাড়াটিয়াদের বিদায় করে স্কুলের আদল গড়ার কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। আপাতত প্রাইমারী লেভেল পযন্ত চিন্তা করছি।আমার পাট টাইম কাজের পয়সা থেকেই স্কুল তৈরির সম্পূণ খরচ দেয়া হবে।
এই মুহূতে যে সমস্যাটা ফিল করছি সেটা স্কুল মেইনটেনানস নিয়ে। আমার পক্ষে প্রতি মাসে স্কুলের খরচ দেয়া সম্ভব না।
কিভাবে কি করবো আপনারা যদি পরামশ দিতেন তাহলে আমার জন্য বিষয়টা সহজ হয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


