সশস্ত্র বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় অথবা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ায়, এমন বিষয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে টেলিভিশন ও রেডিওর জন্য নীতিমালা অনুমোদন করেছে সরকার। একই সঙ্গে বেতার ও টিভির লাইসেন্স দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি টিভি দুটোর ক্ষেত্রেই সম্প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা যাতে সংকুচিত না হয়, তার ওপর জোর নীতিমালা অনুমোদন করেছে বর্তমান সরকার। সশস্ত্র বাহিনী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ বা অবমাননাকর দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না, অপরাধীদের দণ্ড দিতে পারেন এমন সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার মতো দৃশ্য বা বক্তব্যও প্রচার করা যাবে না, জাতীয় আদর্শ ও উদ্দেশ্যর প্রতি ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা, জনগণের প্রতি অবমাননা, জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পাওে এমন কোনো বিদ্রোহ, নৈরাজ্য ও হিংসাত্মক ঘটনা প্রচার করা যাবে না। কোনো জাতি বা জনগোষ্ঠী, দেশের মর্যাদা বা ইতিহাসের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনোকিছু, বিদেশি রাষ্ট্রের অনুকূলে যায় এমন কিছু প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে না। এমন কিছু প্রচার করা যাবে না, যাতে দুনীতি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উৎসাহিত হতে পারে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা, আমাদের ভাষা-সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ লালন, উন্নয়নমূলক বিষয় জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে। যাই হোক মূল্যবোধ, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুভূতি সৃষ্টি, রাষ্ট্র প্রশাসনের মূলনীতি ও তার নিশ্চয়তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্যর অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত, সম্প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত এবং স্বাধীন দায়িত্বশীল গণমাধ্যম বিকশিত করতেই এ নীতিমালা করা হয়েছে। আমরা সাধারণ জনগণ চাই এ নীতিমালাতেই নিধারিত হয়ে গণমাধ্যম সংযোগ ঘটাক দেশ ও জনগণের মধ্যে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



