somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঈদে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত ছিল সর্বাধিক বিদেশী মুদ্রা অর্জনকারী শিল্পটি ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র ॥ টার্গেট গার্মেন্টস শিল্প

০৯ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গার্মেন্টস সেক্টরকে ধ্বংস করার জন্য দেশী-বিদেশী চক্রান্ত চলছেই। দেশীয় কিছু শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের দিয়ে এই সেক্টরকে ধ্বংস করার জন্য বিপুল অর্থের যোগান দেয়া হচ্ছে। এ কারণে সাধারণ কোন ইস্যুকে কেন্দ্র করে কারখানাগুলোতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করে বিদেশীদের চোখে এই শিল্পকে কালো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। তোবা গার্মেন্টসে আন্দোলনে অংশ নিয়েছে তথাকথিত গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত মহিলা নেত্রী মোশরেফা মিশু ও জলির নেতৃত্বে বহিরাগত শ্রমিক যাদের বেশির ভাগই জামায়াত ও বিএনপিপন্থী লোকজন। দেশের বিরুদ্ধে মোশারেফা মিশুদের মিথ্যা তথ্যে ভরা জার্মান সাংবাদিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আর কথোপকথনে (Conversation between Moshrefa Mishu and Mr. Thomas of Germany on 06 Aug 2014 as Part of Conspiracy against RMG Sector and Govt) ষড়যন্ত্রই নিচের অকাট্য প্রমান,
https://www.youtube.com/watch?v=CGHXV8A6grQ, https://soundcloud.com/anmy367/lp046ffqkfym,
http://omarbangla.com/?p=20223, http://omarbangla.com/?p=20133
Mishu : If you spread Toba garments strike news to the people of Germany-to the European people and spread that World Cup is over-Billions of people enjoyed the game but the workers did not receive their payment. It is brutal-inhuman. You should mention that though BGMEA tells after Tajrin, Rana plaza incidents garments workers condition is very fine, they pay regular salary but in reality these are not true.
Thomas : Is it possible to mail me every days update in short? Then I will update in Internet day by day as long as it goes on.
Mishu : OK. Please try to do something for us-for our movement. You can write in German newspaper so that they understand the reality.
প্রথমদিকে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে। পরে তারা কৌশলে এই শিল্পকে বিনষ্ট করার জন্য দেশী-বিদেশী সাংবাদিকদের কাছে ইন্টারভিউ দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যায়। পোশাক শিল্পে এমন অস্থিরতার পেছনে বিদেশী চক্রান্তকেই বড় করে দেখা হচ্ছে। বেসরকারী খাতে সর্ববৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী একটি খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক শিল্প। মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ৮০ শতাংশই আসে এ খাত থেকে। তৈরি পোশাক বাজারজাত করার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সঙ্গে মার খাচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, চীনসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশ। পোশাক শিল্পের জন্য কাঁচামাল ও ক্যাপিটাল মেশিনারিজসহ সবকিছুই আমদানি করতে হয়। অথচ পাশাপাশি এমন অনেক দেশ আছে যাদের তুলা, সুতা ও হেভি ইন্ডাস্ট্রির শক্ত ভিত্তি রয়েছে। তারাও কুলিয়ে উঠছে না বাংলাদেশের সঙ্গে। তাই এই শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। উদ্যোক্তারা আশা করছেন, আগামী ২০১৫ সালের মধ্যেই তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নিয়েই কাজ করছেন উদ্যোক্তারা। শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যাকান্ডের পর গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত মহিলা নেত্রী মোশরেফা মিশু ও জলির আমন্ত্রণে ইনস্টিটিউট অব গ্লোবাল লেবার হিউম্যান রাইটস নামের একটি সংগঠনের দুইজন এ্যাগোল গ্রীন সুজান ও চার্লস কার্লহাম ট্যুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশে এসেছিলেন। তাঁরা বাংলাদেশে ঘুরেফিরে একাধিক শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁরা দেশে গিয়ে বিসিডাব্লিউএস নামের একটি শ্রমিক সংগঠনের মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম হত্যাকান্ড নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসসহ বেশ কয়েকটি কাগজে প্রতিবেদন প্রকাশ করায়। এরপর বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে চলে আসে। তখন থেকেই গার্মেন্টস শিল্পের ওপর একের পর এক আঘাত আসতে শুরু করে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, এবিসি নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম বাংলাদেশের ঘটনাবলী সম্পর্র্কে নেতিবাচক প্রতিবেদনসমূহ আমেরিকার জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। ঐ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তৈরি পোশাক খাতে শ্রম পর্যবেক্ষণকারী বাংলাদেশী কর্মীরা প্রধানত জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় এবং আমিনুল ইসলামের মৃত্যু ও অন্যান্য শ্রম কর্মীদের হয়রানির ফলে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে। এ ধরনের বিশৃঙ্খলতায় ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়েই ষড়যন্ত্রকারীরা এই শিল্পকে ধ্বংস করার দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্র করছে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×