দিন তারিখ দিয়ে আন্দোলন হয় না, এতোদিনে বুঝতে পারলো বিএনপি। ২০১৩ সালে ‘২৪ ঘন্টা সময় দিলাম, পদত্যাগ করুন, ৭২ ঘন্টার মধ্যেই সরকারের পতন ঘটানো হবে’ কত দিন তারিখ যে ঠিক করলেন, কোনকিছুই তো হলো না। উল্টো বিএনপির রাজনৈতিক পতন শুরু হয়ে গেল।
সেই পতন থেকে উঠে দাঁড়ানোর জন্য আবার দিন তারিখ ঠিক করলেন, ঈদের পর আন্দোলন। এখন যখন নেতকর্মীরা জিজ্ঞাসা করা শুরু করেছে, আন্দোলন কই? আন্দোলন কোথায় গেল? তখন আবার নেত্রী নেতকর্মীদের ধোঁকা দেয়া শুরু করলেন, ‘দিন তারিখ দিয়ে আন্দোলন হয় না’। দিন তারিখ দিয়ে যে আন্দোলন হয় না, সেটা তো সবাই বোঝে, বোঝে না শুধু বিএনপি। কিন্তু না বুঝে কতো দিন থাকবেন, নিজের ফাঁদে নিজে পড়ে বগা এভাবেই কান্দে। হান্নান শাহ দিন দুয়েক আগে বললেন, ‘আমি হলফ করে বলতে পারি, এ কে খন্দকার যা বলেছে, তার প্রতিটি কথাই সঠিক’! এ কে খন্দকার বলেছে, ২৭ মার্চ ১৯৭১ তারিখে কালুরঘাট বেতারে জিয়াকে ডেকে এনে যে ঘোষণা পাঠ করানো হয়েছে, সেই ঘোষণায় মানুষ মুক্তিযুদ্ধে নেমেছে, এমন দাবি হাস্যকর! তাহলে দাঁড়ালো কি? বিএনপির ঘোষক জিয়ার আর অস্তিত্ব থাকলো না। নিজের ফান্দে আবার নিজেই ধরা। আবার বগারা কবে কান্নাকাটি শুরু করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় এখন সারাদেশের মানুষ। দিন তারিখ দিয়ে যেমন আন্দোলন হয় না, তেমনি একটি ঘোষণা পাঠ করলেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় না। বাক্যের প্রথমটা যখন বুঝেছেন, তেমনি দ্বিতীয় অংশটাও বুঝবেন, বেশি সময় লাগবে না। না বুঝলে দেশের মানুষই ভালভাবে বুঝিয়ে দেবে, ওয়েট ফর দ্যাট টাইম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



