৯০% মুসলমানের দেশে আল্লাহর দেয়া আদর্শের রাজনীতি নিষিদ্ধের অগণতান্ত্রিক তথা জঙ্গিবাদী আবদার নিয়ে জনবিচ্ছিন্ন কমুনিস্টদের হরতালে জনগণ সাড়া দেবে কি? মরে মাটির সাথে পঁচে যাওয়া সীমিত জ্ঞানের অধিকারী কিছু মানুষের রেখে যাওয়া ত্রুটিযুক্ত আদর্শের অনুসারী বামপন্থীদের আবদার বিশ্ব জগতের জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া একমাত্র পরিপূর্ন আদর্শের জন্য অনুসারীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে!
গণতন্ত্র যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল নীতি হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক বিচারেই নব্বই ভাগ মানুষের বিশ্বাস, আকাঙ্ক্ষা ও অভিপ্রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে হবে। দেশের ৯০% মানুষের ঈমানের ভিত্তি ইসলামী আদর্শের পরিবর্তন চাওয়াটাই সংবিধান তথা গণতন্ত্র পরিপন্থী।
জনগণের কাছে সংবিধান আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা ডান-বাম কোনো দলের দলীয় গঠনতন্ত্র নয়। প্রজাতন্ত্রের দলিল হতে হবে প্রজা বা জনগণের বিশ্বাস বিধৌত। সেই বিশ্বাস বাদ দিয়ে কোনো ‘ইজম’ যদি সংবিধানে রাখা হয় সেটা হবে জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। এ ধরনের ধৃষ্টতা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হলে জনগণ ক্ষমা করবে না।
যদু-মধুদের আদর্শ তথা চেতনা নিয়ে রাজনীতি করলে যদি গণতন্ত্রে বাধা না থাকে, তাহলে মহান আল্লাহ প্রদত্ত আদর্শ কথা বললে সমস্যা কি? অন্ধকারপন্থী কুলাঙ্গারদের কথায় মুসলমানদের তাদের ঈমান তথা বিশ্বাসের আলোকে রাজনীতি নিষিদ্ধের প্রশ্নই ওঠে না।
সরকার নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে ইসলামী আদর্শের রাজনীতি বন্ধের টালবাহানার পাশাপাশি জনবিচ্ছিন্ন ১১ জনের দল দিয়ে হরতাল ডেকে সহায়তা করছে। আল্লাহ এ পাপের প্রায়শ্চিত্ত না করিয়ে ছাড়বেন না। আপনাদের সাফল্য-ব্যর্থতা যা-ই থাকুক জনগণ সময়মতো যার যা প্রাপ্য পাইয়ে দেবে। আল্লাহর আদর্শের রাজনীতি নিয়ে নাড়াচাড়া করুন সেটা জনগণ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অভিমত জানাবে। দোহাই, ‘আল্লাহর দেয়া জীবন বিধান’র মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে হাত দেবেন না। এটি ভারতের সাথে অসম চুক্তি নয়, বান্দার সাথে বোঝাপড়াও নয়। আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার ভঙ্গের মতো বিষয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



