১১ নভেম্বর : ভারতে গরুর গোশত নিয়ে বিতর্কের মধ্যে নয়া তথ্য সামনে আনলেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পি এম ভার্গব। প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখোপাধ্যায়কে লেখা এক চিঠিতে বিজ্ঞানী পি এম ভার্গব বলেছেন, ভারতের প্রাচীন গ্রন্থে গরুর গোশত খাওয়ার ওপর কোনো বিধি-নিষেধের কথা নেই। বরং আয়ুর্বেদে আচার্য চরক তার সংহিতায় সেক্স-রোগ সহ কয়েকটি রোগের চিকিৎসার জন্য গরুর গোশত খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ৮৭ বছর বয়সী বিজ্ঞানী পুস্প মিত্র ভার্গব (পি এম ভার্গব) দেশে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার প্রতিবাদে সরকারের দেয়া ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন।
বিজ্ঞানী ভার্গব চরক সংহিতা উদ্ধৃত করে বলেছেন, গরুর গোশত অত্যাধিক পরিশ্রমজনিত, আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত অসুখে, অনিয়মিত জ্বর, শুকনো কাশি, বায়ু ইত্যাদি বিকারজনিত অসুস্থ মানুষের জন্য উপকারী।
বিজ্ঞানী ভার্গব উত্তর প্রদেশের দাদরিতে গরুর গোশত খাওয়ার গুজব রটিয়ে মুহাম্মদ আখলাককে পিটিয়ে হত্যা করা প্রসঙ্গে বলেন, ‘সম্ভবত এ ঘটনার নেপথ্যে বিজেপি’র বিশৃঙ্খল অংশের হাত থাকতে পারে। বিজেপির সমর্থকদের খাদ্যাভ্যাস, পরা, ভালোবাসা, পঠন-পাঠন নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘মোদি সরকার বিজ্ঞানের ব্যাপারে খুব কমই জানে। আমি একজন পেশাদার বিজ্ঞানী, আমার ৬৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্বাধীনতার পরে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে বিজ্ঞান নিয়ে অনেকবার আলাপ আলোচনা করেছি। আমার মনে হয় বর্তমান সরকার সবচেয়ে কম বুদ্ধিমান এবং বিজ্ঞানের বিষয়ে তারা খুবই কম চিন্তা করে থাকে।’
বিজ্ঞানী ভার্গব এর আগে বলেছিলেন, ‘বর্তমানে আমাদের দেশের যে পরিস্থিতি তাতে আরএসএস যা বলছে বিজেপি সরকার তাই করছে। আরএসএস হিন্দুত্বের লাইনে চলছে, এজন্য আমি পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এমবিএফ/১৫/বিফ
১১ নভেম্বর : ভারতে গরুর গোশত নিয়ে বিতর্কের মধ্যে নয়া তথ্য সামনে আনলেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পি এম ভার্গব। প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখোপাধ্যায়কে লেখা এক চিঠিতে বিজ্ঞানী পি এম ভার্গব বলেছেন, ভারতের প্রাচীন গ্রন্থে গরুর গোশত খাওয়ার ওপর কোনো বিধি-নিষেধের কথা নেই। বরং আয়ুর্বেদে আচার্য চরক তার সংহিতায় কয়েকটি রোগের চিকিৎসার জন্য গরুর গোশত খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ৮৭ বছর বয়সী বিজ্ঞানী পুস্প মিত্র ভার্গব (পি এম ভার্গব) দেশে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার প্রতিবাদে সরকারের দেয়া ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন।
বিজ্ঞানী ভার্গব চরক সংহিতা উদ্ধৃত করে বলেছেন, গরুর গোশত অত্যাধিক পরিশ্রমজনিত, আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত অসুখে, অনিয়মিত জ্বর, শুকনো কাশি, বায়ু ইত্যাদি বিকারজনিত অসুস্থ মানুষের জন্য উপকারী।
বিজ্ঞানী ভার্গব উত্তর প্রদেশের দাদরিতে গরুর গোশত খাওয়ার গুজব রটিয়ে মুহাম্মদ আখলাককে পিটিয়ে হত্যা করা প্রসঙ্গে বলেন, ‘সম্ভবত এ ঘটনার নেপথ্যে বিজেপি’র বিশৃঙ্খল অংশের হাত থাকতে পারে। বিজেপির সমর্থকদের খাদ্যাভ্যাস, পরা, ভালোবাসা, পঠন-পাঠন নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘মোদি সরকার বিজ্ঞানের ব্যাপারে খুব কমই জানে। আমি একজন পেশাদার বিজ্ঞানী, আমার ৬৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্বাধীনতার পরে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে বিজ্ঞান নিয়ে অনেকবার আলাপ আলোচনা করেছি। আমার মনে হয় বর্তমান সরকার সবচেয়ে কম বুদ্ধিমান এবং বিজ্ঞানের বিষয়ে তারা খুবই কম চিন্তা করে থাকে।’
বিজ্ঞানী ভার্গব এর আগে বলেছিলেন, ‘বর্তমানে আমাদের দেশের যে পরিস্থিতি তাতে আরএসএস যা বলছে বিজেপি সরকার তাই করছে। আরএসএস হিন্দুত্বের লাইনে চলছে, এজন্য আমি পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এমবিএফ/১৫/বিফ

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



