একজন সরকারি কর্মচারী হিসাবে সব সময় সব কথা বলা যায় না। আবার যেন তেন কথা বলাও একজন সচেতন নাগরিকের বৈশিষ্ট্য নয়। কিন্তু মাঝে মাঝে এমন পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরী হয় যে, মুখ বুঝে থাকলেও নিজেকে নিজের কাছে অপরাধি মনে হয়। মনের মাঝে কি যেন খচখচ করে। তাই মুখ না খুলেও উপায় থাকে না।
সম্প্রতী কওমি মাদ্রাসার সরকারি সনদের স্বীকৃতিকে নিয়ে বন্ধু মহলে আলোচনা ও সমালোচনার শেষ নেই। অনেকে কওমি মাদরাসার ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। হুজুররা এখন অনেক লোভী হয়ে পড়বেন, দুর্নীতিতে অংশ গ্রহণ করবেন, পড়াশোনার মান নষ্ট হয়ে পড়বে ইত্যাদি ইত্যাদি মন্তব্য ঝাড়ছেন। আর সনদ প্রদানের স্বীকৃতি না থাকলে কোন দু নম্বরী করার সুযোগ নাই ইত্যাদি মতামত তাদের। তর্কে তাদের সাথে পারা দায়।
আচ্ছা বেশ, সারাজীবন পড়াশোনা করে সার্টিফিকেট চান না এমন বোকা কি কেউ আছে। যদি না থাকে, তবে আলেমদের ব্যাপারে আমাদের এতো গাত্রদাহ কেন। এত এত শিক্ষিত, সমাজসেবী লোক আমাদের সমাজে। দুর্নীতি দু নম্বরি কি কোথাও কম আছে ? আসলে সমস্যা হচ্ছে আলেমরা যদি সব সেক্টরে অংশ গ্রহণ করার সুযোগ পায় তবে এসমস্ত ভন্ড, ধান্দাবাজদের ধান্দা হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। তাই আগে থেকেই তাদের জ্বালাপোড়া আরম্ভ হয়ে গেছে।
নিজের জন্য যা ভাল মনে করবেন, অন্যের জন্যও তা ভাল মনে করা বুদ্ধিমান-বিবেক সম্পন্ন, মহৎ লোকের বৈশিষ্ট্য। অযথা আবোল তাবোল বকে নিজের সময় নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



