somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোঃ খুরশীদ আলম
যারা ইমান আনে এবং সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত যার নিচ দিয়ে প্রবাহিত রয়েছে নহর সমূহ ( আল কুরআন)“সত্য ও সুন্দরকে ভালবাসি, অন্যায়- অবহেলা দেখলে খারাপ লাগে, তাই ক্ষদ্র এ প্রয়াস “

নেক আমল কবুলিয়্যাতের পূর্বশর্ত ব্লগারকেও জানতে হবে। (এক)

২৩ শে জুন, ২০২০ সকাল ১০:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমল একটি আরবি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে কাজ। শরিয়াতের পরিভাষায় সেই সকল কাজ যা ভাল কাজ বলে বিবেচিত, যা করার জন্য মহান আল্লাহ’র নির্দেশ রয়েছে এবং সেই সকল কাজ যা মহান আল্লাহ কর্তৃক নিষেধ রয়েছে তা নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহর (সঃ)’র তরিক্বা অনুসারে পালন করা ও দূরে থাকাকে আমল বলা হয়। আমল দুই প্রকার। যথা –
এক) নেক আমল বা ভাল কাজ;
দুই) বদ আমল বা খারাপ কাজ

ভাল কাজ করলে পুরস্কৃত হওয়া এবং মন্দ কাজ করলে তিরষ্কৃত হওয়া বা শাস্তি দেবার যে বিধান তা সৃষ্টির শুরু হতেই চলমান একটি পক্রিয়া। ভাল-মন্দ কাজের উপর ভিত্তি করে পুরুস্কৃত করা বা শস্তি দেবার যে বিধান তা কোন ধর্মের অনুসারীরাই অস্বীকার করে না। বরং পবিত্র কুরআনে এই উম্মতে মুহাম্মদীকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ উম্মতের মর্যাদা দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র তারা ভাল কাজ করতে আদেশে দেয় এবং মন্দ কাজ করতে নিষেধ করে বা বাধা দেয় বলে। তথাপিও আধুনা শিক্ষার কতিপয় দাবীদারকে দেখা যায় ভাল কাজ করতে বললে কিংবা মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য বললে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয় যদি উক্ত কাজ করার তাগিদ ধর্মীয় আনুকূল্যে উপস্থাপন করা হয়। এরা নিজেদেরকে কোন ধর্মের অনুসারি হিসাবে দাবী করে না বটে তবে ভাল–মন্দ কাজের মাপকাঠি হিসাবে মানবধর্ম নামে একটি মুখরোচক শব্দ ব্যবহার করে যেখানে তারা মন্দ-ভাল’র ফলাফলও নশ্বর এই দুনীয়াতে দৃশ্যমান হিসাবে উপস্থাপন করে এবং আখেরাতে পুরুস্কার বা তিরস্কারের ব্যপারটিকে অযথা হিসাবে প্রচার করতে থাকে যা ইসলাম ধর্মের সাথে বৈরিতা মর্মেই আমার কাছে প্রতিয়মান হয় । এরা যে কোন কিছুকেই যুক্তির নিরিখে বিবেচনা করে এবং যুক্তির ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ করে থাকে। এহেন নাদানদের নিয়ে ভাবনায় ডুবে থাকা অমূল্য সম্পদ সময়ের অপব্যবহার বলেই মনে করি। কিন্তু মনে খুব ব্যথা পাই যখন মুসলমান বন্ধুগণ এদের উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগান্ডায় শামিল হয়ে নিজের আখেরাতকে নষ্ট করার দিকে পুনঃপুনঃ ধাবিত হচ্ছে। (চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০২০ সকাল ১১:০০
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×