১) তোরা হ উদ্যোক্তা, চাকরিটা আমাদের__এই মানসিকতার মানুষ সমাজে প্রচুর দেখা যায়। মুখে বড় বড় বুলি আওড়ালেও বাস্তবে নিজের সন্তানের বেলা ঠিকই নিশ্চিত চাকরির সন্ধান করা হয়।
২) ফেসবুকে বা টিকটকে মনের কথা সহজে পৌঁছে যায় ঠিকই, তবে তা কারও হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছায় কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। ভার্চুয়াল দুনিয়ার এই প্রকাশ অনেক সময়ই কেবল লোকদেখানো।
কবিতা লিখেছি তোমার জন্য
তুমি আজো জানলে না।
৩) বাঙালি কখনো বাঙালিকে সহ্য করতে পারে না__এই প্রবাদসুলভ সত্যটি যেন আমাদের সমাজে আজ এক চিরন্তন বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। অন্যের সাফল্য দেখলে নিজেদের মধ্যে একধরনের অদৃশ্য দূরত্ব ও পরশ্রীকাতরতা তৈরি হয়।
৪) বড় কোনো দুর্ঘটনা বা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার আগে মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত না হলে কেউ আর সেদিকে ফিরেও তাকায় না। অবহেলা আর দীর্ঘসূত্রতার বেড়াজালে পড়ে সাধারণ মানুষের কান্না তখন সংবাদমাধ্যমের শিরোনামের অপেক্ষায় থাকে।
৫) বাংলাদেশের সংবাদকর্মী ও চ্যানেলগুলোর ২৪ ঘণ্টা কেবল বড় মিয়ার গুণকীর্তন গাইতে গাইতেই শেষ হয়ে যায়। অথচ যাঁদের ঘরে চুলা জ্বলে না, যাঁদের পাতে ভাত থাকে না, সেই ক্ষুধার্ত মানুষগুলোর আর্তনাদ সংগ্রহ করার ফুরসত কারও হয় না।
৬) যেখানে সংবাদমাধ্যম বা গণমাধ্যম জোরালোভাবে উপস্থিত থাকে, কেবল সেখানেই আইন সঠিকভাবে চলার বা ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। মিডিয়ার কড়া নজরদারি ছাড়া আইনের শাসন মুখ থুবড়ে পড়ে।
লেখা মোঃ মুসা গাঙচিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



