যারা মেসির সাথে নেইমারের
আজাইরা তুলনা করেন
তারা point এ আসেন:
১৯ বছর বয়সে মেসি ৩য় বেস্ট
প্লেয়ার হয় আর নেইমার ১৯
বছর বয়সে ৩০তম স্হানও
অর্জন করতে পারে নাই।
মেসির যখন ২০ বছর ছিল
তখন মেসি ছিল ২য় বেস্ট
প্লেয়ার কিন্তু নেইমার???
যখন মেসির ২১ বছর তখন
ওয়ার্ল্ডের বেস্ট প্লেয়ার হয়ে যায়
মানে ব্যালন
ডি ওর জিতে তখন
নেইমার ব্রাজিলিয়ান লিগ
সান্তসেই পরে থাকে।
এর পরে মেসি টানা ৪ বার ব্যালন
ডি ওর জিতেছে কিন্তু নেইমার???
নেইমার ২১ বছর
বয়সে ইউরোপে পারী জমায় আর মেসি ২১
বছর বয়সে বিশ্বসেরা প্লেয়ার হয়।
কার সাথে কার তুলনা করেন একটু
চিন্তা ভাবনা করবেন। কোথায়
লিভারপুল কোথায়
ফকিরাপুল।
মেসি ইজ দ্যা নাম্বার ওয়ান অফ
অলটাইম, এটা মাথায় রাইখেন সব সময়।
গত বিশ্বকাপের গোলের দিক
থেকে মেসির
গোল সংখ্যা অনেকটাই কম।
কিন্তু এবারের
বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচে
অভিষেক
বিশ্বকাপে নেইমারের গোলসংখ্যা ২। এই
দুই
গোল পেয়েই ব্রাজিল সমর্থকরা ফাল
পাড়ছে।
আমি কাউকে পঁচাবো না শুধু কিছু
কথা বলব
ওয়ার্লড ড্রিম টিমে নেইমার নামের
কোন
প্লেয়ার নেই।
যেখানে মেসি সেরা স্ট্রাইকারদের
একজন।
বিশ্বকাপে গোল পাক না পাক
মেসি টানা চার চারবার ব্যালন ডি অর
জেতা প্লেয়ার।
ফ্যান্টাস্টিক ফোর
প্লেয়ারে চারজনই আর্জেন্টিনার।
নেইমার এক ম্যাচে পাঁচ গোল করলেও
মেসিই
কিন্তু বিশ্বসেরা।
নেইমারের Ranking মেসির ধারে কাছেও
না।১৫ এর বাইরে।
বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্লেয়ার
মেসি যেখানে নেইমারের
কথা নাইবা বললাম।
আট ম্যাচে একটা গোল পেয়েও
এখনো শ্রেষ্ঠ
মেসি,এক ম্যাচে দুই গোল পেয়েও মেসির
সাথে তূলনা চলেনা নেইমারের।
কিসের
সাথে কি পান্তা ভাতে ঘি।
আমার
রোনালদিনহোর খেলা ভাল লাগতো,
আমার
ইনিয়েস্তার খেলা ভাল লাগে,আমার
নেইমারের খেলাও খারাপ
লাগেনা কিন্তু
আমার মেসির সাথে নেইমারের
তূলনা ভাল
লাগে না।
পছন্দ হয় ব্রাজিলের
কয়েকটা প্লেয়ারের খেলা, তাই
বলে মেসির
সমতূল্য নেইমার সেটা পছন্দ হয় না।
"মেসি আমার দেখা সেরা খেলোয়াড়"-
কথাটি বলেছিলেন স্বয়ং নেইমার।
বেশি লিখলে আপনারা পড়বেন না তাই
আর
লিখলাম না।লিখতে শুরু করলে লিখে শেষ
করা যাবে না।
ব্রাজিলের ফ্যানদের খারাপ
লাগতে পারে কিন্তু এটাই সত্য, কিছুই
করার নেই।
কষ্ট করে লেখাটা পড়ার জন্য
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



