somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাসে চলাচল ! একটি ভীতিকর অভিজ্ঞতা এবং উপলব্ধি

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কয়েক মাস আগে আমি তুরাগ বাসে করে ফিরছিলাম। রামপুরা রোডে এসে বাসের ইঞ্জিন গরম হয়ে হঠাৎ করে ইঞ্জিন কভারে আগুন ধরে যায়। সবাই তাড়াহুড়ো করে নেমে গেলেও একমাত্র আমি নামতে পারিনি একেবারে পিছনে থাকায়।

তবে আল্লাহর অশেষ রহমত, আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই লোকজন সেটা নিভিয়ে ফেলতে পেরেছিল।

আমি বেশ ভয় পেয়েছিলাম।

আমাদের দেশে যেসব বাস চলাচল করে তাদের অধিকাংশেই মাত্র একটি দরজা। আবার অনেক বাস আছে যেগুলোতে দুটি দরজা থাকলেও একটি সবসময় বন্ধ করে রাখা হয়। যেমন অনাবিল, সালসাবিল। ইমার্জেন্সি মুহুর্তে মানুষের যে কি অবস্থা হয় সেটা ভুক্তভোগীরাই জানে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং একটি মাত্র দরজা দিয়ে সকল যাত্রীর ওঠানামা কি পরিমান দূর্ভোগের তা সবাই জানেন।

যারা পরিবহন ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের অবশ্যই পাবলিক সেফটির প্রতি খেয়াল রাখা উচিত।

আমি এমনও ড্রাইভার দেখেছি যারা বাসের স্পিড কমিয়ে রাস্তার মাঝেই যাত্রীকে নেমে যেতে বলেন। বাসটাকে রাস্তার সাইডে নিয়ে যাত্রীটিকে নিরাপদে নেমে যাবার জন্য সামান্য সময়টুকুও তারা দেননা।

আর অন্য বাসের সাথে প্রতিযোগিতা করার প্রবণতা তো আছেই।

আমি একবার একজন ড্রাইভারকে প্রশ্ন করেছিলাম, তিনি কেন যাত্রীকে রাস্তার মাঝে নামতে বাধ্য করলেন?

এর জবাবে তিনি বললেন যে, তিনি সেই ভোর ছয়টা থেকে এখন (রাত ১১ টা) পর্যন্ত গাড়ি চালাচ্ছেন। এটাই তার লাস্ট ট্রিপ এবং যত তাড়াতাড়ি স্ট্যান্ডে ফিরতে পারবেন ততটুকু বেশি সময় তিনি ঘুমাতে পারবেন। কারণ আবার খুব ভোরেই তাকে গাড়ি বের করতে হবে।

কিন্ত সে জন্য কি তিনি একজন মানুষকে রাস্তার উপরেই নামিয়ে দেবেন ?

আমার প্রশ্ন হল এরকম বাজে সিস্টেম কেন আমরা বানিয়েছি ?

একজন ড্রাইভার কেনই বা টানা ১৬/১৭ ঘন্টা ডিউটি করবেন? আর তার দায়ভার কেনই বা নিরপরাধ মানুষকে নিতে হবে?

আমরা কি পারিনা, আমাদের সিস্টেমটাকে একটু উন্নত করতে?

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫৭
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ
একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

একদিন সকালবেলা, চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জাতি খবরের কাগজ খুলে দেখল, দেশের সবচেয়ে বড় পদটির জন্য মনোনীত... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রিয়েলিটি আপনারা মাইনে নেন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩০



নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×