"মানায় না গো মানায় না"- এ কথা আমি মোটামুটি জন্মাবধি শুনে আসছি।
আমাকে পুরুষের পাশে,নারীর পাশে, এমন কী পোষা বিড়ালের পাশেও
না কি উদ্ভট লাগে। সালোয়ার-কামিজ আমার সাথে যায় না, শার্ট-প্যান্টে
লাগে উগ্র ,- এসব শুনে আমি কুণ্ঠিতভাবে বলেছিলাম -শাড়ী যে
পরে সামলাতে পারি না! মুখঝামটাসহ উত্তর এসেছিলো "ন্যাংটো থেকে
দেখতে পারো!"
নগ্নতাও কি আমাকে মানাবে?-এই ভেবে ফের বিভ্রান্ত হই।
সিগারেট ধরালে- আহা, অমন লালটুকটুক ঠোঁটে আগুন! বড্ড বেমানান।
সুরাতে দিলে জিভ্, ইশ্, এমন নিষ্পাপ মুখশ্রীতে মদিরা!-একদম না।
কূল-কিনারাবিহীন আমি খুঁজতে খুঁজতে উত্তর 'না মানানোর',
পেয়েছি একটা সত্য-আমি বেঁচে থাকার প্রথম শর্ত পূরণ করিনি-
নারী হয়েছি, পুরুষ হয়েছি কিন্তু মানুষ হইনি। তাই আমাকে
কিছুই মানায় না; ভেঙ্গে পড়া আমাকে আলগোছে বলি-
'সহে না যাতনা', তবু সয়ে যাই...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





