আমরা যখন সবাই আশায় বুক বাঁধছি যে তুমিনকে এবার দেশে নিয়ে আসতে পারবো তখন স্রষ্টা মনে হয় আড়ালে হেসেছিলেন তাঁর নাদান বান্দাদের প্রতি তাকিয়ে অনুকম্পার হাসি। আজ দুপুরে (১৯.০৫.০৭) খবর পেলাম গতকাল রাতে হঠাতই তুমিনের ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হয়েছে। তুমিনের কথা আপনাদের মনে আছে না? লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত। ওর বয়স সাত বছর। প্রথমে ও গেল সিঙ্গাপুর। তারপর সিঙ্গাপুর থেকে লন্ডন। কেমো দিলো। ডাক্তাররা অভয় বাণী দিলো আমাদের। প্রাথমিক স্টেজে ধরা পড়েছে। ভালো হয়ে যাবে। বছর দুয়েক অবজারভেশনে রাখতে হবে এই যা। মানুষ ভাবে এক হয় আরেক। লন্ডনে তুমিনের সাথে ওর আম্মু , নানা ভাই এবং ওর ছোট ভাই ওয়াফি আছে। তুমিন ওর খালামণি শাবানা, নানু তাদের কাছেই মানুষ। অথচ আল্লাহর এমনই খেলা এখন ওর পাশে দুজনের একজনও নেই। যদি তুমিনের জ্ঞান ফিরে, আবার চোখ মেলে ও ওর সবচাইতে ভালোবাসার দুজন মানুষকে দেখতে পাবে না। ৩রা মার্চ যে রাতে তুমিন সিঙ্গাপুর গেল সে রাতে আমাকে, শাবানা আপুকে সবাইকে এভাবে অভয় দিয়ে পোজ দিয়ে ছবি তুলেছিলো। মা গো, তোমার খালামনি, তোমার নান্,আমি, কেউ যে শঙ্কা ভয় কাটাতে পারছি না তোমার এই ছবি দেখেও। তোমার মতো সুন্দর একটা মামণি আমরা পেয়েছি, তোমার প্রতিটা নিঃশ্বাস, তোমার রিজিক, তোমার হাসি, আনন্দ সবকিছুর জন্যে আমরা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ; তিনি তোমাকে আমাদের দিয়েছেন। এখন আল্লাহকে বলি এই সুন্দর মামণির জীবন ফিরিয়ে দাও। তুমিন বুড়ি, সবার দোয়া চাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



