somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি পানির বয়স সূর্যের চাইতেও বেশি

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি পানির বয়স সূর্যের চাইতেও বেশি !! অবাক হলেন ত ? হ্যাঁ গবেষণা এটিই বেড়িয়ে এসেছে । তার মানে দাঁড়ালো সূর্যেরও আগে পৃথিবীর সৃষ্টি । যখন কিনা গ্যালক্সির সৃষ্টি হয়েছে তখনই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে , আর পৃথিবীর সাথেই পানির উদ্ভব হয়েছে । বেশ গোলমেলে বিষয়টা .. কিন্তু এমনটা ধারণা করছে যারা তারাও কোম বড় বিজ্ঞানী নোন । একেবারে নাসা থেকে বেড়িয়ে এল এই তত্বটি । সূর্যের বয়স ৪.৬ বিলিয়ন বছর হলেও তার চাইতে আগে পানির জন্ম হয়েছে । কারণ, পানিতে থাকে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন , যা মহাবিশ্বব্রহ্মান্ডে বহু কাল থেকেই রয়েছে । তাই সূর্যই যে আমাদের সূষ্টির মূল তা নয় , বরং সূর্য হল প্রাণ রক্ষার জন্য উপকরণ । পৃথিবীতে প্রাণী বসবাসের জন্য উপযোগি করেছে সূর্যের আলো আর আমাদের বায়ুমন্ডল ।
আমরা যারা ভাবতা সূর্যের আগে কিছুই ছিলনা , বা সবকিছুর মূলেই সূর্য তাদের ধারণা ভুল হযে গেল । আমরা এতদিন বাইবেলের সেই অমোঘবানীকে মিথ্যা হিসেবে প্রতিপাদ্য করতাম, তারাই মিথ্যা হয়ে গেলাম ! বাইবেলে আছে সূর্যের আগেই পৃথিবী ও জল সৃষ্টি ।
“আদিতে ঈশ্বর পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টি করলেন , দুনিয়ার উপরটা তখনও কোন বিশেষ আকার পায়নি, আর তার মধ্যে জীবন্ত কিছুই ছিলনা; তার উপরে ছিল অন্ধকার ঢাকা গভীর জল । .... ঈশ্বর বললেন ‘আলো হোক’ আর তাতে আলো হল । তিনি দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে ।‍”- পবিত্র বাইবেল (আদিপুস্তক ১: ১-৫) ।
এতদিন বাইবেলের অনুসারীরা মুখবুঝে সহ্য করতেন যে বাইবেলে ভুল আছে । কারণ, আলো বা সূর্য সৃষ্টির আগে পৃথিবী বা জল সৃষ্টি কল্পনা করা যায় না । কিন্তু আজ কি প্রমাণিত হল ? আজ তাদের মধ্যে একটা আলাদা আনন্দ বিরাজ করবে যে তাদের বাইবেল যা ৩.৫ বছর আগে এসেছে তা আজ বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণ হল যে এটি ভুল নয় । বরং দীর্ঘদিন পর হলেও সত্য বলে প্রমাণিত । অনেক বিতর্কের খন্ডল হল । .... আসলে ধর্মগ্রন্থ সমূহকে যারা ভুল প্রমাণের চেষ্টায় ব্রত সেই নাস্তিকদের মুখেই চুনকালি পরছে বার বার । আবার দেখুন, হিন্দুধর্মের পৌরাণীক কাহিনী যদি ধরেন , পৃথিবীর গঙ্গানদী আদিতে আকাশে বিরাজ করত । পৃথিবীর সৃষ্টির বহুকাল পর সেই আকাশ গঙ্গাকে পাতালে আনা হয় । তার মানে হল , পানীর অস্তিত্ব শুধু পৃথিবী নামক গ্রহেই নয় বরং আকাশের কোন কোন গ্রহেও পাওয়া যায় । ... পানি আগে সৃষ্টি আর সূর্য বা আলো এবং প্রাণ পরে সৃষ্টি তার প্রমাণ পাওয়া যায় ব্রহ্মবৈবর্তপূরাণে ও বিষ্ণু পূরাণে । .. পূরান বর্ণনা মতে ভগবান বিষ্ণুদেব কর্ণনর্ভসমূদ্রে গভীর নিদ্রার সময় তার নাভী থেকে একটি পদ্মফুলের সৃষ্টি হয় , আর সেই ফুলেই ব্রহ্মদেব জন্মগ্রহণ করেন । তার পর ব্রহ্মদেব সৃষ্টিকাজ পরিচালনা করেন ।
ইসলাম ধর্মের গ্রন্থসমূহে এ বিষয়ে বিশদ কোন আলোচনা নেই । শুধু কোরানে আছে আল্লাহ তা’লা ছয় দিবসে তার সৃষ্টিকার্য পরিচালনা করেন । তবে বিভিন্ন বিশ্লেষকদের মতে এই ছয় দিবস বলতে পৃথিবীর কোন দিনরাতের হিসেবে নয় , বরং এটি একটি কাল, ছয় মহাকালকে বুঝিয়েছেন ।
কাহিনী হোক বা বানী , ধর্মগ্রন্থের মূল বিষয় কিন্তু শেষমেষ মিলেই যায় ।
অনেকে ভাবতে পারেন সূর্যের আলো ছাড়া ত পানি ঠান্ডায় বরফে পরিনত হবে । হতয় তাই , তবে সেটা পানিরই ত উপাদান, যা সূর্যের সৃষ্টির পর তরলে পরিনত হয়েছে । আর তার পরই আস্তে আস্তে পৃথিবীর বুকে প্রাণের সৃষ্টি লাভ হতে শুরু করে ।
নাসার খবরে এটাই এসেছে “Up to half the water on Earth is likely older than the solar system, raising the likelihood that life exists elsewhere in the galaxy, according to a
The research in the journal Science found that "a significant fraction" of the water on Earth was inherited from interstellar space, and was there before the Sun was formed some 4.6 billion years ago.

সংবাদ সূত্র: http://observerbd.com/details.php?id=45628
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মনের ঘোর গেলো না (উৎসর্গঃ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের)

লিখেছেন চারাগাছ, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩১




আমার মনের ঘোর গেলো না


উৎসর্গ

প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের স্মৃতির প্রতি।

তিনি নেই। অনেক বছর হলো।

তবু তাঁর ব্লগে ঢুকলে মনে হয়, কোথাও যেন কিছুই থেমে নেই। লেখাগুলো আছে, শব্দগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

জঙ্গল পরিষ্কার করে সাপ তাড়ানাে...

লিখেছেন অপলক , ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪১

নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে: পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী হিন্দু অধিবাসীরা চাইলে খুব সহজে তাদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। যদি এই খবরটা সত্য হয়, তবে বাংলাদেশের জন্য সেটা মারাত্মক ভয়ঙ্কর ঘটনা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাড়ে হাজার বিজ্ঞানী এবং একটি স্ক্যামের গল্প

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৮


জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘নলেজ করিডোর’-এর আওতায় আল্লামা ইকবাল বৃত্তি চালু করে। ২০২৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮


হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

জাপানের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের একটি পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাসাহাসি চলছে। আমার মনে হয়, হাসির আড়ালে আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটা কী
প্রধানমন্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×