প্রভাত পেরিয়েছে সেই কখন,
আলোর দেখা নেই...
আজ যে আলোর আলসেমিতে পেয়েছে,
একবার চোখ মেলে তো আর একবার বন্ধ...
বাবা সূর্য বেশ চিন্তিত,
আলো না উঠলে যে আজ সারাদিন মেঘের লুকোচুরি চলবে।
পিচ্চি মেঘগুলো এদিক সেদিক দৌড়ে বেড়াচ্ছে...
আলোর পাশে মা চা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
আর ডাকছে “ এই... এই খুকু উঠ না... আর কত ঘুমাবি...”
মা জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে দেখল
‘মেঘের ঘনঘটা বাড়ছে,
বজ্র দেবতাও যে আসি আসি করছে’
মা আবারও ডেকে বলছে “তুই উঠবিনা... মেঘেরা তো দৌড়ে বেড়াচ্ছে”
একবার চোখ খুলে আবার চোখ বুজতে বুজতে আলো বলে
“ওদের একটু খেলতে দেওনা মা... আমি উঠলেই যে পালাবে...”
আলো ভাবে আর আনমনে হাসে ‘ওদের সাথে খেলতে আমার ভালোই লাগে’ ।
সূর্য এখন বেশ চিন্তিতভাবে তাকিয়ে আছে,
ভাবছে ‘এই কয়দিনে আলোর আবার কি হল,
ঘুম থেকে উঠেই আবার ঘুমিয়ে পড়ছে’
এদিকে আবার পৃথিবীবাসী,
সূর্যের আলোর দেখা না পেয়ে তারাও চিন্তিত,
বেলা যে অনেক হল।
ছোট্ট মেয়েটি ভাবছে ‘স্কুলে কি আজ ছাতা নিয়ে যাব ?
সূর্যিমামা কেন এখনও আসচ্ছে না’।
সূর্য দীর্ঘশ্বাস ফেলে আর ভাবে,
‘আলো না উঠলে আমার যে আর কিছু করার নেই’,
আলোকে এখন সবাই ডাকছে...
বাবা... মা... বাড়ির ছোট্ট মেয়েটা...
ফোকলা দাঁতে হাসা পিচ্চি ছেলেটা ...
মাঝিভাই... চাষি ভাই... পুরো কুমোর পাড়া ...
সবারই যে আজ সূর্যের আলো দরকার...
এতজনের ডাকাডাকিতে আলো আর না উঠে পারলো না।
অবশেষে শুরু হল নতুন একটা দিন,
একটা নতুন প্রভাত,
নতুন একটা সম্ভবনা...
নতুন দিগন্ত...
জন্ম নিল নতুন একটা কবিতা...
আরও একটা বেঁচে থাকার প্রেরণা...
নতুন এক জীবন...
শুভসকাল ।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




