কুচক্রী কর্মকর্তা আর তাল মেলান কিছু কলহপ্রিয় খেলোয়াড়দের জন্য ফুটবল প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে দেশের ফুটবলের পূনর্জন্ম ঘটানোর চেষ্টা যারা করছেন তার নেতৃত্বে দেশের ফুটবল কিংবদন্তী সালাহউদ্দিন। কোটি টাকার টুর্নামেন্ট আয়োজন করে প্রথমে তিনি দর্শকদের স্টেডিয়ামমুখী করেছেন অনেকদিন পর। বিদেশী কোচ সেইসংগে ফুটবলারদের সুযোগ সুবিধাবৃদ্ধি সবকিছুতেই মনে হচ্ছিল ফুটবল বুঝি আবারও তার পুরান দিন ফিরে পাচ্ছে।
কিন্তু দেশের ফুটবলে যে আরও কিছু সমস্যা রয়েছে সেটা ৭জন ফুটবলারের কীর্তি আমাদের চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। কোন ট্রেনিং এর লোড বেশি হয়ে যাচ্ছে বলে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ট্রেনিং বয়কট একটা অভাবনীয় ঘটনা।আমি নিজে কিছুদিন ক্রিকেট ক্যম্পে ছিলাম(স্থানীয়)।একবার মাঠের চারপাশে চক্কর দিতে গিয়ে এক খেলোয়াড় বমি করে দিল। বমি শেষে কোচ তাকে বললেন তার চক্কর দেয়া আবার শুরু করতে, ছেলেটা ভেবেছিল তাকে রেস্ট দেয়া হবে কিন্তু উপায় না দেখে আবার সে দৌড় শুরু করে এবং শেষে সে সেটা শেষ করে ।
কিছু কিছু মিডিয়া ফুটবলারদের এই অমার্জনীয় অপরাধের পক্ষে লেখার চেষ্টা করেছে এবং কিছু ফুটবল কর্মকর্তাদের নামও শোনা যাচ্ছে যারা চাচ্ছিল ডিডো চলে যাক। এদের আসল লক্ষ্য কি জানিনা তবে এইভাবে ফুটবল শুধু ধ্বংসই হবে।
সালাউদ্দিনকে ধন্যবাদ। উনি দেশি ফিরেই কোচের পাশে দাঁড়িয়েছেন। হংকংএ উনার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে অতিরিক্ত ট্রেনিং এর খোঁড়া অজুহাত উড়িয়ে দিয়েছেন। তার এই শক্ত অবস্থান ফুটবলকে পথে আনার জন্য জরুরী। আমরা চাই আমরা ফুটবলে দেখতে আবার স্টেডিয়াম যাব। বিদেশের মাটিতে খেলতে গেলে রাত জেগে ফুটবল দেখব, ক্রিকেটের মতই। সালাউদ্দিন আপনার সাহসী ভুমিকা অব্যহত থাকুক ফুটবলের জয় কামনায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


