জন্মের পর থেকে দেখে আসছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নারীদের নামে নাম রাখার সৌভাগ্য যেসব মানুষদের হয়, তারা সাধারণত কাজের বুয়া। আসিয়া, মারইয়াম, খাদিজা, ফাতিমা। এছাড়াও হাওয়া, হাজেরা, হালিমা, রুকাইয়া, আয়িশা...। হযরত সুলাইমানে আলাইহিস সালামের সমসাময়িক এক রাণীর নাম ছিল বিলক্বীস!
এটি কি বড় আশ্চর্য্যকর নয় যে উম্মাহর শ্রেষ্ঠ নারীদের নামগুলো আমরা "ক্ষ্যাত" মনে করি!
আমরা ভাবি – মারইয়াম, ফাতিমা, খাদিজা, আসিয়া, হাজেরা, হাফসা, যয়নব, রুকাইয়া (রোকেয়া), কুলসুম ইত্যাদি নাম "দরিদ্র শ্রেণীর নারীরা" রাখে।
আমাদের ধারণা – আবদুর রহমান কিংবা "আবদ" দিয়ে মহান আল্লাহ তাআলার সিফাতী নামের সাথে সম্পর্ককৃত নামগুলো সোসাইটিতে অচল। আবদুল খালিক, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল হামিদ ইত্যাদি নাম রাখতে লজ্জাবোধ করি আমরা।
আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "মহান আল্লাহ তা'আলার কাছে সবচেয়ে প্রিয় নাম হলো আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান।"
[জামে আত-তিরমিযীঃ অধ্যায় ৪৩ (কিতাবুল 'আদাব), হাদীস ৩০৬৮।
সুনান ইবনে মাজাহঃ অধ্যায় ৩৩ (কিতাবুল 'আদাব), হাদীস ৩৭২৮।]
ছেলে সন্তানদের নাম "আবদুল্লাহ" ও "আবদুর রহমান" রাখার বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রীতিমত তাগিদ দিয়েছেন। সহীহ বুখারীতে জাবির (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত আছে এই মর্মে [সহীহ বুখারীঃ অধ্যায় ৭৩, হাদীস ২০৫]। একই বিষয়ে হাদীস সুনানে আবু দাউদে আনাস বিন মালিক (রাদিআল্লাহু আনহু) থেকেও বর্ণিত আছে [সুনান আবু দাউদঃ অধ্যায় ৪২, হাদীস ৪৯৩৩]।
সুবহানাল্লাহ; আমরা কোনদিকে ছুটে যাচ্ছি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



