somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমিই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি - মীর আব্দুল আলীম

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মীর আব্দুল আলীম
আমিই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি! বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানই আমাকে এ মহান সুযোগটা করে দিয়েছেন। তার সুবাদেই আমি নিজেকে আজ দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি দাবি করারর সুযোগ পাচ্ছি। তিনি না হলে বোধ করি রাষ্ট্রের এমন একটা পদপদবী আমার পক্ষে দাবি করা সম্ভবই হতো না। এ জন্য তাকে ধন্যবাদ না জানানোর মত অকৃতজ্ঞ অন্তত আমি নই। জন্মঅব্ধি জেনে এসেছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। এ কথা প্রচলিত আছে যে, তাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশেরই জন্ম হতো না। সেই ১৯৭১ এর কথা। তাঁর ডাকেই দেশ স্বাধীন হলো। আর আমরা হলাম স্বাধীন দেশের নাগরিক। সূর্যের আলোর মতইতো পরিস্কার, বঙ্গবন্ধুই এদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, এদেশের স্থ্যপতি। এ ক্ষেত্রে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ অপরাপর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানও অনস্বিাকার্য। হঠাৎ করে ৪৩ বছর পর প্রথম রাষ্ট্রপতিকে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশ ভূঁইয়ে থেকে এদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির ধারনা পাল্টে দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। বলেছেন, শেখ মজিবুর রহমান দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নন। পরের দফায় এও বলেছেন তিনি (বঙ্গবন্ধু) ছিলেন অবৈধ রাষ্ট্রপতি। তাঁর এ বক্তব্যে সারা দেশে ঝড় উঠেছে। বিষয়টির সাথে একমত হয়েছেন কয়েকবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসন অলংঙ্কৃত করা বেগম খালেদা জিয়াও। তিনিও তাঁর পুত্রের সুরেই কথা বলেছেন। আমি মনে করি আর যাই হউক, বেগম জিয়া সভাসমাবেশে, বক্তৃতায় সচরাচর দায়িত্বশিল কথাবার্তা বলেন। তাঁর দেয়া রাজনৈতিক বক্তৃতায়ও সালিনতা থাকে। বঙ্গবন্ধু দেশে, শেখ মুজিবুর রহমান দেশে প্রথম রাষ্ট্রপতি নন এমন বক্তব্য তাঁর কাছ থেকে পেয়ে দেশবাসীকে যারপর নেই মর্মাহত হতে হয়েছে। মহান মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান, বেগম জিয়ার এবং তদিয়পুত্র তারেক রহমানের দল বিএনপি যারা করেন তারাও সবাই এ বক্তব্যে খুশি হয়েছেন বলে মনে করার কোন সুযোগ নেই। যারা তাঁদের দল করেন না, যারা মনে মনে ঐ দলকে সমর্থন করেন, তাঁদের (বিএনপি) ভোট দেন তারাও এ ব্যাপারে বেশ নাখোস। সেদিন দেশের একজন ডাকসাইটে কলাম লেখক এবং রাজনৈতিক, যিনি কিনা প্রায়সই বিএনরপির পক্ষ নেন (গঠনমূলক সমালোচনা করতে গিয়ে লেখা বিএনপির পক্ষে আসে) তিনিও বিষয়টির নিয়ে তাঁর লেখায় বেশ সমালোচনায় করেছেন। এনিয়ে সর্বস্তর থেকে সমালোচনা হবে এটাই স্বাভাবি। যেখানে জিবদ্দশায় প্রেসিডেন্ট জিয়াও কখনো নিজেকে প্রথম রাষ্ট্রপতি দাবি করেননি সেখানে নতুন করে এনিয়ে দাবি ওঠায় প্রশ্নতো উঠবেই।
সে যাই হউক, প্রশ্ন হলো কিভাবে আমি রাষ্ট্রপতি হলাম? তাও আবার দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। এমন উৎভট্ দাবি আমি কেন করছি? আমার এমন কি অধিকার আছে এহন মিথ্যাচারের? বহু কাল ধরেই আমার রাষ্ট্রতি হওয়ার খায়েস। এ দেশে এমন ইচ্ছা অনেকেরই থাকতে পারে, তাতে তেমনতো দোষের দেখি না। লিখে খাওয়া মানুষ আমি। তার আবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার শখ! আমাদেরই পাশের রাষ্ট্র ভারতে খেলালেখি করতে করতে রাষ্ট্রপতি হলেও এদেশে তা কিন্তু কঠিন কাজ। তাই আমার স্বপ্নটা অবাস্তর, এ জাতিয় খায়েসের বাস্তবে রূপ পাবার কোনই সুযোগ নেই। তা হবেও না হয়তো কখনো। তবুও ইচ্ছা জাগে। জাগবেই বা না কেন? ইচ্ছার প্রজাপতিতো জানি আঁকাশে ওড়ে। সুযোগ যখন পেলাম নিজেকে না হয় রাষ্ট্রপতি দাবি করেই বসি না? সেই অনন্ত কাল ধরেইতো বাহু মানব সন্তান দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়ে মনের স্বাদ মিটায়। আমি না হয় তাই মিটালাম। বঙ্গবন্ধু যখন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি নন, তখন অন্য কেউ না কেউতো প্রথম রাষ্ট্রপতি বটে! তাহলে কে সেই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি? ঊঙ্গবন্ধু না হলে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ কোন ব্যক্তিইতো দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হওয়ার কথা। তারেক জিয়ার বিতর্কীত বক্তব্যের পর এনিয়ে প্রশ্ন আসতেই পারে। বঙ্গবন্ধু যদি তা না হন, তবে অন্য কোন লোকটা এদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি? এ জায়গায় অন্য কারো নাম যখন আসছেই, তখন না হয় আমার নামটাও আসুক ঐ মহামান্য পদে। আর যাই হউক ক্ষণিকের কল্পনায়তো দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হলাম?
বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দেশে আমি মোটেও ওসব হতে চাই না। হওয়ার খায়েশ আছে তাও না। অমন মিথ্যাচার করলে লেখক হিসাবে যে মূল্যায়ন হবে না তাও বেশ বুঝি। অহেতুক আলোচনা যখন হচ্ছে তখন রাগে, ক্ষেভেই আমার অখ্যাত নামটা ঐ মহান জায়গায় নিয়ে আসার দু:সাহস দেখালাম মাত্র। আসলে দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির বিতর্কটা যারা করছেন, তাঁরাও বুঝে শুনে বিতর্কের জন্যই বিতর্ক করছেন। এ প্রশংঙ্গে আমার অতি শ্রদ্ধাভাজন, যাকে আমি গুরুতুল্য, পিতৃতুল্যভাবি সেই প্রখ্যাত কলামিষ্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর অতিসমপ্রতিকালে প্রকাশিত কলাম নিয়ে আলোচনা করতে চাই। তিনি তাঁর লেখায় বলেছেন ‘তারেক রহমানের ইচ্ছাই পূর্ণ হেেয়ছে।’ তাঁর কথা, চিলে কান নিয়েছে বলে কেউ চিৎকার করার সঙ্গে সঙ্গে পথিক নিজের কানে আগে হাত না দিয়ে যেমন চিলের পিছু পিছু ছুটেছে, তেমনি তারেক রহমান লন্ডনে বসে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর সেই ইতিহাস সম্পর্কে একটার পর একটা অসত্য তথ্য তুলে ধরছেন, আর আওয়ামী লীগ সঙ্গে সঙ্গে সেই তথ্য লুফে নিয়ে তাকে একটি বিতর্কে পরিণত করে তারেক রহমানের ইচ্ছা পূর্ণ করছেন। অর্থাৎ তারেক রহমান বিদেশে বসে রাজনৈতিক হতাশায় ভুগতে ভুগতে বেপরোয়াভাবে কিছু অসত্য কথা বলে আওয়ামী লীগকে বাকযুদ্ধে নামিয়ে নিজে আবার গুরুত্ব পেতে চান। আওয়ামী লীগ তার পাতা ফাঁদে পা দিয়েছেন। তারেক রহমান তাতে খুশি ও উৎসাহিত হয়েছেন। "জিয়াউর রহমান দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন" এই অসত্য উক্তিটি করার পর আওয়ামী লীগ মহলে তাৎক্ষণিক বিরাট প্রতিক্রিয়া দেখে তিনি উৎসাহিত হয়ে তার দলের একটি "সুশীল সমাজের" আরেকটি সমাবেশ ডেকে ঘোষণা করেছেন, "শেখ মুজিব বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।" আওয়ামী লীগের মধ্যে তার প্রথম অসত্য ভাষণের প্রতিক্রিয়া দেখে তার দ্বিতীয় সুশীল সমাবেশে তারেক রহমান আরো উৎসাহিত হয়ে বলেছেন। গাফ্ফার চৌধুরী তাঁর লেখায় আরও উল্লেখ করেছেন ‘রাজনৈতিক হতাশা থেকে মানুষ প্রলাপ বকে, এমনকি মিথ্যার আশ্রয়ও নেয়। তারেক রহমানও তাই করছেন।’
জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলায় তারেক রহমানের উদ্দেশে সেদিন প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ঐসময় (১৯৭১এর পরের সময়টা) তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। জিয়াউর রহমান শুধুই একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, মুজিবনগর সরকারের অধীনে যুদ্ধ করেছেন। জিয়াউর রহমান নির্বাচিতও ছিলন না। তাঁর কথা, ‘২৫ মার্চের আগে দেশের মানুষ কী জিয়ার নাম জানত? আসলে এসব ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা ষড়যন্ত্র করছে ইতিহাসে তাদের নাম থাকবে না, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আরেক প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির জনক, স্বাধীনতার ঘোষক ও প্রথম রাষ্ট্রপতি- এটা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি। এটা যে অস্বীকার করবে সে সংবিধান লঙ্ঘন করবে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কটূক্তি করলে বর্তমান সংবিধানেই সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। আমি দু:ক্ষিত দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি দাবি করায় জন্য। আমি সংঙ্কিত, আমি ভীত এই ভেবে যে, সংবিধান লঙ্ঘনের দায় আবার আমার উপর গিয়ে না বর্তায়। তারেক জিয়া এমন দাবি করলে না হয় করুন, আমি এমন দাবি কিছুতেই করতে করতে পারিনা। যে অসত্য ইতিহাস শুনে গোটা জাতি আজ হতবাক, সে দাবি করা যায় না। বাঙ্গালী হিসেবেতো নয়ই। জানি ইতিহাস একটাই হয় এবং তা বিকৃত করার সুযোগ নাই। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্থপতি, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি এটা সূর্যেও আলোর মতই পরিস্কার। আর এ আলো জ্বলে থাক অনন্তকাল।
এদেশের মানুষের ভুলবারতো কথা নয় যে, ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানি সামরিক স্বৈরশাসক আইউব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান ঘটায় এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ আসনে জয় লাভ করার পর পাকিস্তানিরা ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। আর তখনই পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার নির্দেশ দেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ৬ দফা ঘোষণা করেছিলেন মূলত সেটাই ছিল বাঙালির স্বাধীনতার সনদ। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের বক্তৃতা স্বাধীনতা ঘোষণার বক্তৃতা। স্বাধীনতা হলো এ দেশের মানুষের হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন। এ দেশের পাকিস্তানি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, মানুষ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আমাদের দেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে তাই স্বাধীনতার ঘোষক এবং দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি সর্ম্পকে এত সস্তা ও অসত্য মন্তব্য করা কোন নাগরিকেরই উচিত না।
এটা সত্য, এটা সত্য, সত্য যে, ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলার প্রথম সরকার গঠিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা অনুযায়ী। এই প্রথম সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর তার অবর্তমানে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল সে সময় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দীন আহমদ তার নেতৃত্বেই মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল। যা দেশে-বিদেশে স্বীকৃত এখানে বির্তকের কোন প্রকার অবকাশ নেই।
ক্স লেখক- সাংবাদিক, কলামিস্ট
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×