somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোন মুখে মে দিবসের শুভেচ্ছা জানাই তাঁদের

০১ লা মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মীর আব্দুল আলীম :
আমাদের শ্রমজীবি মানুষগুলোর জীবনে কোনো শুক্র-শনি নেই। দিনরাত নেই। নেই আরাম-বিরাম। কোন মে দিবস নেই। ঠেলার চাকা ঘোরে, রিকশার চাকা ঘোরে। ঘাম ঝড়ে ঝড়ে মাটিতে পরে। এসব শ্রমিকরাই যানবাহনের চাকা সচল রাখে, দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরায় আর এসব শ্রমজীবী মানুষের জীবনের চাকাই আজ জগদ্দল পাথরের মতো সি'র। তা কিছুতেই সচল হয়নি; হচ্ছে না, বোধ করি সহসা হবেও না। আর এ অবস'ায় কোন মুখে মে দিনের শুভেচ্ছা জানাই তাঁদের?
১ মে। এ তারিখটার সাথে শ্রমিকদেও একটা নিরবিড় সম্পর্ক রয়েছে। দিনটি শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন। দিনটি আনত্মর্জাতিক শ্রমিক দিবস নামেও পরিচিত। বেশকিছু দেশে মে মাসের প্রথম দিনটিকে লেবার ডে হিসাবে পালন করে। এদিনটি আমাদের দেশেও ছিল সরকারিভাবে ছুটির দিন। জাতিসংঘও এ দিনটিকে অনুমোদন করে। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরম্ন করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন' কারখানা মালিকগণ এ দাবী মেনে নিল না। ১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে ৮ ঘণ্টা শ্রমদিনের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকের ওপর গুলি চালানো হলে ১১ জন শহীদ হয়। শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকারী প্রায় সব রাষ্ট্রগুলোতে দিনটিকে সরকারিভাবে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মজার বিষয় যে দেশে এই মে দিবসের সৃষ্টি, যুক্তরাষ্ট্র, সেখানে শ্রমিকরা একতরফা দিনটিকে পালন করলেও সরকারিভাবে নাকি মে দিবস পালিত হয় না ! ওখানে যে দিনটিকে লেবার ডে হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয় তা হচ্ছে সেপ্টেম॥্বর মাসের প্রথম সোমবার। কানাডাও দিনটি পালন করে না। পৃথিবীর প্রতিটি দেশের জাতীয় দিবসগুলো আলাদাভাবে উদযাপিত হলেও একমাত্র মে দিবসটিই পৃথিবীর প্রায় সব দেশে সরকারিভাবে পালন করে থাকে।
আমরা শুধু 'মে দিবস' পালন করি; মিছিল করি; জ্বালাময়ী বক্তৃতা দেই;্র শ্রমিকদের আশ্বাস দেই। এসব বক্তৃতা বিবৃতির কতটুকু প্রতিফলন ঘটে। এসব মনে হয়না 'মে দিবস' এর উদ্দেশ্য ছিল! যাদের জন্য মে দিবস তারাই যদি সুফল ভোগ না করলো তাহলে দিবস পালনে স্বার্থকতা কোথায়? মে দিবস এলেই আমাদের দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, আমলা, শ্রমিক সংগঠন, শিল্পপতি, গামেন্টস মালিক সবাই মে দিবসে শ্রমিকদেরকে উদ্দেশ্য করে সুন্দর সুন্দর বক্তব্য দিয়ে থাকেন। কিন' মে দিবস পার হয়ে গেলে শ্রমিকদের প্রতি তাদের কর্তব্য ও এ দিনে তাদের প্রদেয় আপ্ত বাণী বেমালুম ভুলে যান। এ তথ্য আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য। মূলতঃ কথিত সব দিবস পালন তাই শুধুই আনুষ্ঠানিকতাসর্বস্ব এবং এ কারণেই তা ইসলামের দৃষ্টিতে অর্থহীন বটে। কারণ দিবস পালনের মাধ্যমে উক্ত দিনে সংবেদনশীল হয়ে বাকি ৩৬৪ দিন গাফিল থাকার কথাই প্রকারানেত্ম প্রতিভাত হয়।
শ্রমিকদের নিয়ে তামাশা চলছে দেশে-দেশে, যুগ যুগ ধরে। এদেশে শ্রমজীবি মানুষের মৃত্যুর মাতম ফিরে আসে বারবারই। সাভারের রানা পস্নাজার ঘটনাটি দেশবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় ট্রাজিডি। ক’টা মানুষ সুখ শানিত্মর লালশার স্বিকার এসব শ্রমিকরা। পৃথিবীর ইতিহাসে বৃহত্তর ট্রাজেডি হলেও আমাদের এ ব্যপারে বোধউদয় হয়নি এখনো। হলে নিহত এবং আহত শ্রমিকদের পরিবার তাদের নেয্য পাওনা ঠিক সময়ই পেয়ে যাবার কথা। রানাপ্রস্নাজা দুর্ঘটনার ১ বছর পার হলেও শ্রমিকরা এখনও দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে কেন? একজন শ্রমিক মরলো কি বাঁচলো তাতে মালিক বা সরকারের যেন কিছুই আসে যায় না। তাদের মূল্য কেবল এই কারণে যে, তারা শ্রমশক্তির যোগানদাতা। শ্রমিকের ঘামঝড়া কষ্টে মালিকের অর্থের পাহাড় গড়া। নুন্যতম শ্রমিকদের কথা ভাবে না মালিকরা। তা নাহলে সাভারে যা ঘটেছে তাতো গার্মেন্টস মালিকদের সৃষ্ট ফলই। ২৪ এপ্রিল সাভার বাজার স্ট্যান্ডে অবসি'ত রানা পস্নাজা বিল্ডিং ধসে পড়ে শত-শত গার্মেন্ট শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে আশুলিয়ার স্পেকট্রাম ও তেজগাঁর ফিনিঙ কারখানা এরকমভাবে ধসে পড়ে। তাছাড়া, অসংখ্য কারখানায় আগুনে পুড়ে সহস্রাধিক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গত নভেম॥্বরে আশুলিয়ায় তাজরিন গার্মেন্টসে এবং আদাবরে স্মার্ট গার্মেন্টসে দেড় শতাধিক শ্রমিক আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। এতো মানুষের মৃত্যু! সাভারের ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এটি হত্যাকান্ড। ্‌তুসতর্কতা ও বাধা নিষেধ অমান্য করে কেবলমাত্র মুনাফার লোভে এই কারখানাগুলো চালু রাখা বড় ধরণের অপরাধ। সেই হিসাবে এই মালিক পড়্গ প্রশাসনের সঙ্গে মিলে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত করেছে।
শ্রমিকরা অমানবিক পরিশ্রম করলেও মজুরি মিলত নগণ্য। শ্রমিকরা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করত; ড়্গেত্র বিশেষ তা দাসবৃত্তির পর্যায়ে পরত। সেই বৃত্ত থেকেই ১৮৮৬ সালের ১ মে শ্রমিকরা বেরিয়ে আসতে চেয়ে ছিল। তারা ঐ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে অধিকার প্রতিষ্ঠিতও করতে পেরেছিল। শ্রমিক মজুরদের অধিকার আদায়ের যে আন্দোলন হয়েছিল তাতে শ্রমিকদের উপর কৃত অত্যাচার এবং শ্রমিকদের আত্নত্যাগ এর বিনিময়ে প্রতীকি প্রতিবাদ হিসেবে পালিত হয় দিনটি। শুধু বাংলাদেশ নয় বরং গোটা বিশ্ব পালন করে এ দিনটি। কিন' কথা এখানেই শেষ হয়ে যায় না। মে দিবস যাদের আত্নত্যাগ এর ফসল সেই শ্রমিকরা পাচ্ছে কতটুকু? দিনটি তে সব স্কুল-কলেজ-অফিস-আদালত বন্ধ থাকে বটে কিন' যারা এনে দিল এই ফসল তাদের ঘরে কতটুকুইবা সুফল পাচ্ছে! আমাদের শ্রমজীবি মানুষগুলো কি এই দিনটিতে একটুও স্বসিত্ম পাচ্ছে। তারা কি শ্রম ছাড়া থাকতে পারছে? আজও এ দিনটিতেও শ্রমিকরা কাজ করছে অর্থ উপার্জনের জন্য। জীবিকা তাড়নায় তারা ছুটছে। কারণ মে দিবসের এই একটি দিন বসে থাকলে এর মাসুল গুনতে হবে তাকেই। আমরা যারা মে দিবসে ঘরে আরাম করে ছুটি কাটাই কিংবা টিভি তে মে দিবসের নাটক সিনেমা দেখি তারা কি এই শ্রমিকদের কষ্টের কথা ভাবি এতটুকুও। একজন রিঙা চালকের প্রাত্যহিক আয় যদি হয় ৩০০ টাকা, তাহলে এই একটি দিন আরাম করে ছুটি কাটানো মানে তার জীবন থেকে ৩০০ টাকার বিসর্জন। তাই ওদের ঘরে বসে দিনটিতে আরামআয়েশের ফুসরৎ কৈ ?
মে দিবস সার্থক করতে সরকার এবং আমাদের সচেতন হতে হবে। তবেই সার্থকতা আসবে মে দিবসে। যারা জনগণকে নানাভাবে সেবা দেন এবং যারা সভ্যতা নির্মাণের কারিগর তারাই শ্রমিক। যেমন যারা কল-কারখানায়, ড়্গেতে খামারে, ঘর গৃহস'ালীতে, রাজমিস্ত্রির অধীনে বা ঘরামীর কাজ করেন, যানবাহন চালান তারাই শ্রমিক। এছাড়াও কুলির কাজ যারা করেন তারাও শ্রমিক। শ্রমিকরা সর্বাপেড়্গা কঠিন শ্রমের কাজ করে থাকেন অথচ সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার তারাই হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন। পৃথিবী থেকে ভৌগলিক সাম্রাজ্যবাদ উঠে গেলেও অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ উঠে যায়নি। বরং আরও পাকাপোক্তভাবে জেঁকে বসেছে। অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ বলতে আমরা বুঝাতে চাচ্ছি মানবতার ঘৃণ্য অভিশাপ সমসত্ম- রকম শোষণ ও বঞ্চনার হাতিয়ার পুঁজিবাদকে। আইএলও শ্রমিকদের কাজ, পারিশ্রমিক ও সুযোগ সুবিধা সম॥্বলিত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে এবং বাংলাদেশ সেই নীতিমালার ৩১টি ধারা মেনে চলার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছে। যদিও সেই সব নীতিমালার কোনটিই প্রকৃতপড়্গে শতভাগ বাসত্মবের মুখ দেখেনি। উদাহরণস্বরূপ আমরা বলতে পারি আইএলও (ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন) নীতিমালা অনুযায়ী যে কোন দেশে শিশু শ্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। অথচ বাংলাদেশে শিশুর একটি উলেখযোগ্য অংশ জীবিকার জন্য কঠিন শ্রমে নিয়োজিত থাকছে। তাদের কাজের ধরণ হচ্ছে রাজমিস্ত্রির অধীনে কাজ করা, ইট ও পাথর ভাংগা, শিশুরা কাজ করছে বেসরকারি দোকানপাট ও কল-কারখানাগুলোতে। তাদের পারিশ্রমিক উলেস্নখ করার মত কিছু নয়। অনেক ড়্গেত্রে শিশুরা কোন পারিশ্রমিকই পায়না।
বাসত্মবে যা দেখছি, এ সমাজে শ্রমিকদেরকে মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয় না। বাংলাদেশে তারা তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক রূপে ৪২ বছর ধরে দিন কাটাচ্ছে। এভাবে চলে না। চলতে দেওয়া যায় না। আমরা যারা শ্রমিকদের কাজে লাগাই; যাদের শ্রমে অর্থের পাহাড় গড়ি তাদেরকে শ্রমিক স্বার্থ নিয়ে ভাবতে হবে। আমরা যারা মালিক তাদের মানসিকতা বদলাতে হবে। শ্রমিকদের ভাই, বোন কিংবা সনত্মান ভাবতে শিখতে হবে। এদের প্রতিদিনকার শ্রমের মাত্রা এবং শ্রমের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে হবে সময়মত। সর্বোপরি তাদের জন্য তৈরি করে দিতে হবে নিরাপদ কর্মস'ল। যেখানে অনত্মত তাজিন ফ্যাসন কিংবা সাভারের রানা পস্নাজার মত শ্রমিকদের জীবন দিতে হবে না। আর এটাই এবারের মহান মে'র প্রত্যাশা আমাদের প্রত্যাশা।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×