somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বুদ্ধিজীবী হত্যা অনুসন্ধান ও জহির রায়হানের অন্তর্ধান

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তপুকে আবার ফিরে পাবো, একথা ভুলেও ভাবিনি কোনদিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে। ভাবতে অবাক লাগে চার অছর আগে যাকে হাইকোর্টের মোড়ে শেষবারের মতো দেখেছিলাম, যাকে জীবনে আর দেখবো বলে স্বপ্নেও কল্পনা করিনি- সেই তপু ফিরে এসেছে।
এভাবেই শুরু করেছিলেন গল্পটি। গল্পের নায়ক তপু বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনে কপালে গুলি খেয়ে রাজপথে লুটিয়ে পড়ে। পাকিস্তানি মিলিটারিরা লাশ গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এই শেষ।
তপু ৪ বছর পর স্কাল হয়ে ফিরে এলো তার রুমে! তপুর বাঁ পা ছিল ২ ইঞ্চি ছোট। কপালের ফুটো আর বাঁ পা মেপে রুমমেটরা নিশ্চিত হয় এ তপু!!

সেই তপুর স্রষ্টা জহির রায়হানও নিজেই যে এভাবে তপুর মত একদিন হাওয়া হয়ে যাবেন কে জানতো। লেখক যেন ঠিকই জানতেন একদিন তিনিও তপুর মত শহীদ হয়ে অন্তর্ধান হবেন! তপু ফিরে এসেছিল অস্থি হয়ে আর জহিরের অস্থির সন্ধানে আজও সবাই ঘুরে ফিরছে। কি জানি! হয়তো একদিন তিনিও ফিরবেন !

৩০শে জানুয়ারী জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস। ১৯৭২ সালের ৩০শে জানুয়ারি ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। এরপর কেটে গেছে বহু বছর তবু জহির রায়হানের অস্থির সন্ধান মিললো না। তাঁর অন্তর্ধান নিয়ে বহু কাহিনী, বহু গালগল্প প্রচলিত আছে। এতো এতো গালগল্পের আড়ালেই হারিয়ে রইলো তাঁর নিখোঁজের ইতিহাস। আমরা গালগল্প বলতে পছন্দ করি, যে যার মত করে নিজের স্বার্থমত গল্প বানিয়েছি। তবু কেউ এর অনুসন্ধান করিনি। তদন্ত করিনি।

স্বাধীনতার ঠিক আগমুহূর্তে তাঁর বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীদের সাথে অপহরণ করা হয় ও হত্যা করা হয়। সেই হত্যা রহস্যও আমারা জানতে পারিনি। রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে অনেকের লাশ পাওয়া গেলেও শহীদুল্লাহ কায়সারের লাশ পাওয়া যায়নি। শহীদুল্লাহ কায়সারকে বাসা থেকে তুলে নেওয়ার সময় একজনকে চিনে ফেলে তাঁর স্ত্রী ও বোন। পরে তিনি ধৃত হন এবং তাঁর বিচারও হয় অথচ কি অদ্ভুত ব্যাপার, পুলিশ বের করতে পারলোনা শহীদুল্লাহ কায়সারকে কোথায় নেয়া হয়েছে অথবা তাঁর লাশ কোথায়!! সেই অপহরণ কারি ছিলেন তৎকালীন জামায়াত নেতা খালেক মজুমদার। বেঁচে যাওয়া একজন আর বুদ্ধিজীবীদের স্বজনদের বর্ণনা থেকে জানাজায়, হত্যা কারিরাও বাঙালী ছিল। কাঁদা মাখা কোন এক মাইক্রোবাসে করে প্রায় সবাইকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যা ঘটনায়ও আমাদের এইসব তথ্যের উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। সরকারী ভাবে কোন তথ্য অনুসন্ধান বা তদন্ত হয়নি!
ইন্ডিয়া থেকে ফিরে এসে জহির রায়হান তাঁর সক্রিয় প্রচেষ্টায় নিজেই আহ্বায়ক হয়ে এনায়েতউল্লাহ খান, সৈয়দ হাসান ইমাম, এহতেশাম হায়দার চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখকে সঙ্গে নিয়ে বেসরকারিভাবে গঠন করেন ‘বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিটি’।

অথচ কি অবাক ব্যাপার, অপহৃতদের খুনের রহস্য খুঁজতে গিয়ে নিজেই অন্তর্ধানে চলে গেলেন। দুই সহোদরের কোন খোঁজ মিললোনা এই স্বাধীন দেশে। সরকারি ভাবে কোন কার্যকর অনুসন্ধান ও হলো না। মুক্তিযুদ্ধে ও বাংলা চলচ্চিত্র সৃজনশীল এ মানুষটির অবদানের কথা আজকের প্রজন্ম প্রায় ভুলতে বসেছে।

কিছু ব্যক্তিপর্যায়ের অনুসন্ধান হয়েছে। তাঁর মধ্যে জহির রায়হানের ছেলে অনল রায়হানের লেখা “পিতার অস্তির সন্ধানে” পড়ে মনে হবে তিনি হয়তো ভাই কে খুঁজতে গিয়ে মিরপুরে শহীদ হয়েছেন। সেদিনের অপারেশনে বেঁচে যাওয়া একজন ছিলেন পুলিশ অফিসার নবী চৌধুরী। মাসিক ২০০০ তার সাক্ষাৎকার গ্রহন করেছিল। তিনি নিশ্চিত করেছিলেন, সেই অপারেশনে জহির রায়হান ছিলেন। কিন্তু তিনি গুলি খেয়ে ছিলেন কিনা বা শহীদ হয়েছিলেন কিনা তা নিশ্চিত করতে পারেননি। ঐ যুদ্ধের বেঁচে যাওয়া আরেক জন ছিলেন করিম দারোগা। তার ভাষ্য মতে, অনেকে পালিয়ে যাওয়ার পরও কিছু যোদ্ধা অনেকক্ষণ যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনিও জহির রায়হানের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করতে পারেন নি। যদিও এ ঘটনা সরাসরি করিম দারোগার কাছ থেকে জানা সম্ভব হয়নি। সেই যুদ্ধের আরেক শহীদ মিরপুর থানার দারোগা কাজী আব্দুল আলীমের শালা এম এ হাছান এ বর্ণনা প্রতিবেদক কে জানিয়ে ছিলেন। তিনি নাকি করিম দারোগার কাছ থেকে শুনেছিলেন। কিন্তু সেই করিম দারোগার কোন সন্ধান আর পাওয়া যায়নি!

শহিদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার তাঁর লিখিত বই "মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে” তে উল্লেখ করেন- “৩০ শে জানুয়ারী,সকাল। একটা ফোন এলো। ফোনটা আমার ঘরে ছিল বলে আমি ধরলাম। জহির রায়হানকে চাইলো, মেজদাকে (জহির রায়হান) ডেকে দিলাম। কথা শেষ করে আমার পাশে এসে দাঁড়াল। তাকিয়ে দেখলাম উনার মুখটা উজ্জল দেখাচ্ছে।-----কে ফোন করেছে? ভাবী বড়দার খোঁজ পাওয়া গেসে। মিরপুরের ১২ নাম্বারের একটি বাড়িতে বন্দি হয়ে আছে। আমি এখনি বের হব।বড়দাকে নিয়ে আসব। তাঁর সঙ্গে ছোড়দা, শাহরিয়ার কবির, বাবলু ও পান্নার দুই ভাই ছিল। তারা তাঁর সাথে মিরপুর থানা পর্যন্ত গিয়েছিল”

এতে করে নিশ্চিত হওয়া যায় তিনি সেই অভিজানে ছিলেন। কিন্তু যে প্রশ্ন গুলোর উত্তর পাওয়া যায়নি তা হল- ৩০ শে জানুয়ারী এ আক্রমণটা কেন করা হল? কার নির্দেশে করা হয়েছিল। আক্রমণ করা হবে বলেই কি জহির রায়হানকে ফোন করে নিয়ে আসা হয়েছিল? এমনতো নয় যে, অপারেশন হবে শুনে জহির ছুটে গিয়েছিলেন। কোন প্রেক্ষাপটে হঠাৎ অপারেশন হল?

আনুমানিক প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন সেদিনের যুদ্ধে নিখোজ হয়েছিলেন। পরদিন থেকে সেনাবাহিনী ব্যাপক তল্লাশি ও অনুসন্ধান চালিয়েও কারও লাশ খুঁজে পায়নি! শত্রু সংখ্যাও নিশ্চয়ই অনেক ছিল। তবু কোন সুনির্দিষ্ট বর্ণনা জানা সম্ভব হয়নি। যতটুকু জানাজায়, অল্প দিনের মধ্যেই মিরপুরের নিয়ন্ত্রণ বাঙালীদের হাতে চলে আসে। তবু এক অজানা কারনে এ ঘটনা গুলোর কোন তদন্ত হয়নি। সরকারী ভাবে কোন কার্যকর অনুসন্ধান পরিচালনা হয়নি!

বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে ২৫ জানুয়ারি প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জহির রায়হান বলেছিলেন, “বুদ্ধিজীবী হত্যার অনেক রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে। আমাদের কাছে এমন অনেক তথ্য ও প্রমাণ আছে, যা প্রকাশ করলে অনেকের মুখোশ খুলে যাবে। সময় বুঝে আমি একেক করে সব প্রকাশ করব” অনেকের মতে এ ঘোষণাই তাঁর জন্য কাল হল। আবার অনেকে মনে করেন অন্তর্ধানের পরও অনেকদিন জহির রায়হানকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিল!

প্রকৃত অর্থে কি ঘটেছিল তা শুধু অনুসন্ধান আর তদন্ত সাপেক্ষেই বলা সম্ভব। তবে নিঃসংকোচে এটা বলা যায় তৎকালীন সরকার বুদ্ধিজীবী হত্যার তদন্তে যথাযত পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি। তখন এ রহস্য উদ্ঘাটন অনেক সহজ ছিল। তখন তা করা হয়নি, পরেও কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি বরং জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার পর বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্তও সেখানেই থেমে যায়।

আমারা আজ জহির রায়হান অন্তর্ধান দিবস পালন করছি, তাকে বিক্রি করছি। জাতি হিসেবে তাঁর দাঁয় শোধ করতে পারিনি। অনেকেই নিখোঁজ হয়েছিলেন, কিন্তু স্বাধীনতার পর একটা স্বাধীন রাষ্ট্র থেকে তিনি হারিয়ে গেলেন নিজের ভাইকে খুঁজতে গিয়ে? তাঁর মৃত্যুতে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি হল – বুদ্ধিজীবী হত্যা অনুসন্ধান থেমে যাওয়া। বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত ও জহির রায়হানের অন্তর্ধান ঘটনা দুটি গভীর ভাবে জড়িত। কারন তিনি শুধু তাঁর হারিয়ে যাওয়া ভাইকেই খুঁজছিলেন না, তাদের অন্তর্ধানের ও হত্যার রহস্যও খুঁজে ফিরছিলেন এবং এটা বিশ্বাস করাই যায় যে- তিনি যদি বেঁচে থাকতেন তবে এ হত্যা রহস্যের কারন বাঙালী জাতি জানতে পারতেন।

আমরা শুধু এ নিষ্ঠুরতার ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী একদল সশস্ত্র বাঙালী যুবকে দায়ি করতে পারছি যাদের নিহত ব্যক্তিদের পরিবার আলবদর হিসাবে চিহ্নিত করেছেন এবং সে তথ্যের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট দলকে ঢালাও ভাবে দায়ি করে যাচ্ছি।
কিন্তু এ ঘটনাগুলো নির্দিষ্ট ভাবে আমাদের জানা প্রয়োজন। কারা কিডন্যাপ করেছিল, কোথায় নেয়া হয়েছিল এবং কে ট্রিগার চেপে ছিলেন? সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রশ্ন হল কেন তাদের হত্যা করা হয়েছিল? কারন ৩রা ডিসেম্বরের সার্বিক যৌথ আক্রমণের পর ৭ ডিসেম্বরই কার্যত পাকিস্তান সেনাবাহিনী পরাজয় মেনে নিয়েছিল। তারা শুধু সেফ এক্সিট খুঁজছিল। মুক্তিবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর কাছে প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়া ঢাকায় পাকিস্তান বাহিনী অথবা তাঁর দোসর বাহিনী আলবদর কেন এই ঝুঁকি নিতে গেলেন?

জাতি হিসেবে আমাদের জন্য সবচেয়ে পরিতাপের বিষয় হল- আমারা সুনির্দিষ্ট ভাবে আমাদের শহীদদের সংখ্যা জানতে পারিনি! শহীদদের হত্যাকারীদের সুনির্দিষ্ট ভাবে চিনতে পারিনি। আজকের বাংলাদেশে যুদ্ধবিজয়ী মুক্তিযোদ্ধারা অনেক সরকারি সুবিধা ভোগ করলেও জহির রায়হানের মত নিখোঁজ ব্যাক্তিদের ও শহীদ পরিবার গুলো কোন সরকারি সুবিধা পাচ্ছে না!

জানিনা জহির কোনদিন ফিরবেন কিনা? আমাদের প্রজন্মের দাবি হল এ ঘটনাগুলোর সঠিক ইতিহাস আমরা জানতে চাই। আমরা আমাদের অতীত কে ভুলে যেতে চাই না। কারন জহিররা মৃত্যুর পর নতুন করে ফিরে আসে! তাদের অস্থিতে নতুন প্রান আসে!
উল্লেখ্য, জহির রায়হান একাধারে কবি, সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক, রাজনৈতিক কর্মী, চিত্রপরিচালক ছিলেন। প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করেন বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তি সংগ্রামে। রচনা করেন স্টপ জেনোসাইড, জীবন থেকে নেয়া সহ বহু আলোচিত চলচ্চিত্র।

তিনি ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার অন্তর্গত মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

ওদের জানিয়ে দাও
ওরা আমার ভাইবোনকে
কুকুর বিড়ালের মত মেরেছে।
ওদের ষ্টীম রোলারের নীচে...
ওদের জানিয়ে দাও।
ওরা দেখেও যদি না দেখে
বুঝেও যদি না বুঝে
আগুনের গরম শলাকা দু’চোখে দিয়ে
ওদের জানিয়ে দাও,
মরা মানুষগুলোতে কেমন জীবন এসেছে।
-জহির রায়হান



লেখকঃ তানভীরুল হাকিম মিরাজ
ফ্রিলান্স সাংবাদিক, ব্লগার
এমবিএ (অধ্যয়নরত),
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি)

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৪:৪৫
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কারখানা বাঁচাতে পারিনি, তাই মানুষকে অটো চালাতে হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৪


বাংলাদেশে এখন এমন এক অদ্ভুত অর্থনৈতিক সংকট চলছে, যেখানে একজন শ্রমিক কারখানায় বিদ্যুৎ না পেয়ে চাকরি হারিয়ে অটো রিকশা চালাচ্ছেন। সেই অটো আবার চার্জ দিতে বিদ্যুৎ খাচ্ছে। যে বিদ্যুৎ... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা কে রাখলে এমনি হবে...দাদা, যতদিন পারেন রাখেন

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২



২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানটি ভারতের দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে (Hindon Air... ...বাকিটুকু পড়ুন

খারাপটা কোথায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪


বিশ্বখাতায় নাম লিখিলাম পাগল
কবিতারা হেসেই মাঠে হয়ে যায় ছাগল;
ঘাস খাওয়া আনন্দটা অন্যরকম
তবু পাগল বলে কথা, পূর্ণিমায় যুগল;
আজ কাল হাঁটবাজারে হিংসাটা
কম মূ্ল্যেই বিক্রয় হচ্ছে! যোগোপযোগি
সময়টা পাগল ছাড়া চলেই না
লেখার খাতার দামটাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম্লিগ যদি আসে তাহলে ....... :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৬



বিএনপি। আপনারা ১৭ বছর ঘরে থাকতে পারেন নাই কিন্তু এখন যদি আবার আম্লিগ ফিরে আনেন তাহলে আপনারা তো দূরের কথা আপনার বাড়ির মাটিও থাকবে না। আপনার ঘর-দরজা থাকবেনা। শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরকাল কেন পাই না?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২

বিল গেটস এর নামে একটা কথা প্রচলতি আছে; জানি না কথাটা বিল বলেছে কি না, তবে আমার কাছে মাঝে মাঝে কথাটা সত্য মনে হয়। কথাটা এমনঃ আমি কোন কাজ করবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×