স্পর্শীয়া
স্পর্শের ঝলকে গমকে উঠে বজ্র বিদ্যুৎ
ক্ষণিকের ভুল, না কি ভুলের মাস্তুলে নিরুদ্দেশ যাত্রা?
অজ্ঞতা কিংবা অবহেলায় প্রস্ফুটিত ভ্রুন
উদ্যত খড়গ – প্রস্থান বিষের যন্ত্রণায় ছটফট
তোর তো মরে যাওয়ার কথা ছিল—
উদর থেকে যখন তুই আলোতে এলি
বিষাদের ঠাণ্ডা স্রোত মেরুদণ্ড বেয়ে কপালে চিকন ঘামের রেখায় স্পষ্ট।
তুই বড় অভাগী রে----
নামহীন তোকে ডাকলাম স্পর্শীয়া
এ জগতে তোকে কে মারবে?
জন্মের আগেই তোর মৃত্যু পরওয়ানায় যাদের আঙ্গুলের ছাপ?
মায়ের কোল তুই চিনলি না,
হাসি- অভিমানে মায়ের কোলের স্পর্শ পাবিনা,
স্পর্শীয়া
তোর গায়ে কি অদ্ভুত সুন্দর দেবশিশুর দুধ মাখানো গন্ধ পাবো?
দুধের স্বাদ ভুলে গেলি গ্লুকোজের মিষ্টি ফোঁটায়
তোর জন্মক্ষণের স্পর্শ টা যে ভুল,
না কি ভুলের মাস্তুলে নিরুদ্দেশ যাত্রা?
বড় যতন করে মায়ের পায়ের নীচে রেখেছে তোকে
মরবি না জেনে, হতাশ চোখে সবাই দেখে
আপদ টা রয়েই গেলো, তুই বড়ো অভাগীরে---
নামহীন তোকে আবারো ডাকলাম স্পর্শীয়া
চোখে চোখ, হাতে হাত স্পর্শের গমকে ঝলকে উঠে বিদ্যুৎ
প্রতি রাতে ভ্রুন আসে, ঘ্রাণ শুকে, জোনাক জ্বলে
মৃত্যু পরওয়ানায় যাদের আঙ্গুলের ছাপ, তাদের উদ্ধত ফণা ধেয়ে আসে।
কত ভ্রূণ অন্ধকারে ড্রেন, ডাস্টবিনে কাক কুকুরের উৎসবে মজে
তুই বেঁচে গেলি, তুই বড় অভাগী রে—
তোকে বেঁচে থাকতে হবে আপন স্বত্বায়
নামহীন গোত্রহীন পৃথিবীতে চেনা স্পর্শের অপেক্ষায়
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



