somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নৈ

০২ রা মে, ২০১৫ দুপুর ১:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জেলেপাড়ার হাড় জিরজিরে কুকুরগুলোর রক্তে আগুন জ্বালিয়ে একনাগাড়ে ডেকে ডেকে কাশবনের হতচ্ছাড়া শিয়ালগুলো ক্লান্ত হলে; ভোঁস-ভোঁস, ফোঁস-ফোঁস, শীৎকার করতে করতে অবশেষে রাত্রি দ্বিপ্রহরে গগনবাবুর রতিপাত হলো! তাতে আমার শুষ্ক নিষ্ফলা জঠর ক্ষণিকের জন্য কিছুটা আর্দ্র হলেও নতুন প্রাণের সঞ্চার হলো না।
চৈত্র-বোশেখের তীব্র দাবদাহে আমার বুকটা ভীষণ জ্বলে গো বাবুমশাই, আমি সইতে পারি না। সূর্যদেবের সঙ্গে আমার আজন্মকালের শত্রুতা! বরাবরই তিনি আমার ওপর রুষ্ট। শীত যেতে না যেতেই তিনি আমার কোল খালি করেন। আর চৈত্র-বোশেখ-জ্যৈষ্ঠিতে তিনি আমাকে জ্বালান, পোড়ান! কী যে সুখ পান!

অথচ আষাঢ় থেকে অগ্রহায়ণ অব্দি আমারই বুকের আয়নায় মুখ দেখতে দেখতে, চুলে টেরি কেটে, ধুতির কোঁচা উঁঁচিয়ে দিব্যি হেঁটে যান ফিরিঙ্গিপাড়ায়!
তবে বাবুমশাই, আমি সূর্যদেবকে দোষ দেব না। তার স্বভাব তো বরাবরই ঋষি দূর্বাসাসুলভ। আমি দোষ দিই মানুষকে। এই মানুষেরাই তো নানা অনাচারে-অনাসৃষ্টিতে দিনকে দিন ধরণীকে তপ্ত করে তুলছে। তাছাড়া সূর্যদেব যতো রুষ্ট-ই হোন না কেন, আগে কোনোদিন তিনি আমার কোল খালি করতে পারেন নাই।

বাবুমশাই, বলতে চোখ ভিজে যায়, গলা আটকে যায়, তবুু বলি- আগে কী দিন ছিল আমাদের! আমরা ছিলাম পিঠোপিঠি তিন বোন আর সবার ছোট্ট আমাদের আদরের ভাই নদ। এছাড়া আমরা মা-মাসি-পিসি, মাসতুতো-পিসতুতো ভাই-বোন মিলে লতায়-পাতায় জড়িয়ে ছিলাম অসংখ্য। সংখ্যাটা বলেই দিই-প্রায় বারশো! এখন মরে-ধরে তিনশো’র নিচে এসে ঠেকেছে। মানুষের অত্যাচারে আগামী দিনে এও থাকবে না। এক কালের বনেদী নৈ-বংশ নির্বংশ হবে!

সেই ইতিহাস না হয় নাইবা বললাম। আমি শুধু আমাদের তিন বোন আর এক ভাইয়ের গল্পই আপনাদের বলবো। আগেই বলেছি, নদ আমাদের ভীষণ আদরের ছোটভাই। যেমন কার্তিকের মতো চেহারা ছিল তার, তেমনই গায়ের রঙ! আমাদের তিন বোনের মতো স্থুলকায় নয়, চিকন দেহ সৌষ্ঠব। আমাদের তিন বোনের মধ্যে আমি-ই ছোট। আমার পরেই নদ। তাই আমার সাথেই তার যোগসূত্র গভীর। তার যতো চাওয়া-পাওয়া, যতো আবদার, সব আমার কাছেই। আমার অন্য দুই বোন ছোট ভাইকে যা দেবার আমার মাধ্যমেই দিতো।
আমরা তিন বোন দয়ালু, পরপোকারী; আবার বর্ষায় কখনও কখনও ক্ষ্যাপা পাগলী, রণচণ্ডী! এলেই ঘাড়ে যেনবা স্বয়ং মা কালী ভর করে! রূঢ় চিত্তে, রক্তনেত্রে, ক্ষিপ্রহাতে পার ভাঙি! কাঁথিতে দিই লাথি! বাড়ি-ঘর, গাছপালা গ্রাস করি একের পর এক। তবু যেন ক্ষুধা মেটে না, পেট ভরে না। পাড়া-গাঁয়ের বুড়িরা বলে, ‘সর্বনাশী, রাক্ষুসী মাগি!’
তবে এক কূল ভাঙলেও আমরা আরেক কূল গড়ে দিই, এই-ই আমাদের ধর্ম। কিন্তু আমাদের ভাই নদ যেমন ছিল পরপোকারী, তেমনি ছিল ধীর-স্থির, শান্ত আর কী দারুণ স্বচ্ছ!

বাবুমশাই, এই মানুষের জন্য আমরা কি না করেছি, এখনো করি! বর্ষায় আমাদের বুকের ওপর দিয়ে বৈঠা বেয়ে নাউ নিয়ে মাঝিরা যায় হাটে মাছ বিক্রি করতে-আমাদেরই কোল ছাঁকা মাছ। বেনে বাবুরা বড় বড় পানসী বোঝাই করে ধান, পাট, খাদ্যশস্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যায়; আর রাতেরবেলা ভাটিতে নৌকা ভাসিয়ে মাঝিরা গলা খুলে গায়-ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া। সেই গানের সাথে আমাদের বুকের ছলাৎ ছলাৎ বাজনা মিশে সৃষ্টি হয়-কী যে এক সুমধুর সুরের মূর্ছনা, মায়াবী মুহূর্তের দ্যোতনা! তা বলে বোঝানো যাবে না। আর এর সাথে যখন থাকে দিগন্ত প্লাবিত করা জ্যোৎস্না, আকাশ ভরা নক্ষত্র অথবা নীলিমার অলংকার থেকে খুলে পড়া মুক্তোর মতো বৃষ্টি! আহা! বাবুমশাই, একবার ভাবুন তো!

শুধু কি তাই! আমাদের বুকের ওপর দিয়ে নৌকায় ভাসতে ভাসতে বর যেতো বিয়ে করতে, এখনো যায় কখনো-সখনো। মহা উল্লাসে ঢাক, ঢোল, সানাই বাজাতে বাজাতে নতুন বউ আর বরকে নিয়ে ফিরতো বরযাত্রীগণ। আর বারো মাস মানুষের আত্মীয়-কুটুম্ব বাড়ি যাওয়া-আসা তো ছিলই। বারুইপুরের রথের মেলা, উদয়পুরের দূর্গাপূজার মেলা, শ্যামনগরের ঈদমেলা, সখিপুরের বাউলদের মচ্ছবে হাজার হাজার মানুষ ছুটতো আমারই বুকের ওপর দিয়ে। আর আমার কোমরের কাছে বসন্তপুরের নৌকা বাইচ! সে কথাই বা ভুলি কী করে! কী বিশাল ছিল তার আয়োজন! কী বিপুল ছিল লোক সমাগম! সে-সব আজ ইতিহাস!

বাবুমশাই, ঐ যে শুরুতে জেলে পাড়ার কথা বললাম, যেখান থেকে কুকুরগুলো হুঙ্কার ছাড়ে শিয়ালের ডাক শুনে। কষ্টিপাথরে খোদাই করা মূর্তির মতো ওখানকার ঐ পরিশ্রমী, সৎ জীবনযোদ্ধারা দুধে-ভাতে, মোটা কাপড়ে, বারো মাসে তোরো পার্বণে, উৎসবে-আমোদে কাটাতো তাদের দিন। আর এখন? ফাল্গুনের বাতাস আমার কাছে নিয়ে আসে তাদের হাহাকার আর ক্ষুধার্ত শিশুর চিৎকার!

মা-খুড়িদের মুখে শুনেছি, আমাদের ধারে-কাছে যাদের বাস অর্থাৎ নদী পারের মানুষ সরল আর উদার মনের হয়, সংস্কৃতিবান এবং উৎসবপ্রিয় হয়, নদী পারের মানুষ দারুণ বুদ্ধিদীপ্ত হয় পর্যাপ্ত আমিষের কল্যাণে। কিন্তু এখন দেখছি নদী পারের মানুষ নিষ্ঠুর আর কু-বুদ্ধিসম্পন্নও হয়!
কথায় কথা বাড়ে, বেলা যায় বয়ে। তা বাবু মশাই, যে কথা বলছিলাম-আমাদের আদরের ভাই নদের কথা। যে নদ মানুষের দুঃখ-কষ্ট সহ্য করতে পারতো না। চৈত্র-বোশেখে ওর বুকে জল কমে গেলে মাছও কমে যেতো। তখন ও আমায় বলতো, ‘ও দিদি আমার দিকে একটু স্রোত বাড়াও, কিছু মাছ দাও। জেলেপাড়ার চুলোগুলো যে বন্ধ হতে চললো! মাছ না পেলে ওরা নিজেরা খাবে কী, আর ছেলেপুলেদেরকেই বা খাওয়াবে কী? খিদের জ্বালায় ছেলেপুলেগুলো রাতভর কাঁদে। আমার ঘুম আসে না। ছেলেপুলের কষ্ট যে আর সইতে পারিনে!’

এমনই দরদী আমাদের ভাই। আর আমাদের তিন বোনের আগে সেই ভাই-ই মানুষের লোভের প্রথম বলি হলো! কিছু লোভী মানুষ একটু একটু করে ওর বুক ভরাট করে গড়ে তুললো মসজিদ-মাদ্রাসা। ভাবছেন, এই মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ করেছে বলে ওরা খুব ধর্মপরায়ণ! তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন! এটা ওদের একটা কৌশল মাত্র। আমাদের মতো ধর্মভীরু মানুষের দেশে ধর্মানুভূতি-ই ওদের পুঁজি! মসজিদ-মাদ্রাসাকে ঢাল হিসেবে সামনে রেখে পরবর্তীতে ওরা গড়ে তোলে বাজার, কল-কারখানা, জনবসতি। আমাদের ভাই নদকে একটু একটু করে খেতে খেতে ওর পুরো শরীরটাই গ্রাস করে ফেললো লোভী মানুষগুলো। মাটিচাপা পড়ে গেল আমাদের আদরের ভাই নদ। নদের জীবনের শেষ দিনগুলো আমি কিছুতেই ভুলতে পারি না, এখনও আমার কানে বাজে ওর বাঁচার আকুতি-হাহাকার। নদের বুকের ওপর এখন মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, হাট-বাজার, কল-কারখানা, জনবসতি। নদ আজ কেবলই ইতিহাস!

নদের পর মানুষেরা খেতে শুরু করলো আমাদের তিন বোনকে। আমার শরীরের আশপাশে কোথাও গড়ে উঠেছে শহর আবার কোথাও গ্রাম। বাবুুমশাই, আমার কোমরটা ক্রমেই বেঁকে আসছে। দিন দিন আমি হয়ে যাচ্ছি কুঁজো বুড়ি! আমার কোমরে, ঊরুতে গড়ে উঠছে কল-কারখানা। আর তার আবর্জনা ক্রমাগত কলঙ্কিত করছে আমাকে। শীত আসার আগেই আমার বুকের স্থানে স্থানে জেগে ওঠে বিরান বালুচর। চৈত্র-বোশেখে ধু ধু করে আমার বুক। একসময় যেখানে শীতল বাতাস বইতো, এখন সেখানে তপ্ত বাতাস দাপিয়ে বেড়ায়। বালুকণার সাথে গোল্লাছুট খেলে বাতাস। তৃষ্ণায় আমার বুক ফেটে যায়। জেলেপাড়া থেকে ক্ষুধার্ত শিশুর কান্না ভেসে আসে। মায়ের বুকে দুধ না পেয়ে ক্ষুধার জ্বালায় সারারাত ধরে কাঁদে শিশুগুলো। আমি তাদের জন্য কিছুই করতে পারি না। আমারও যে কোল খালি! আমার কোল ভরলে তবেই না জেলে শিশুদের পেট ভরবে। আমার বুক ফেটে যায় বাবুমশাই। আমি যে কাঁদতেও ভুলে গেছি!

আমার অন্য দুই বোনেরও একই রকম দূরাবস্থা। বড়বোনটার কপাল পোড়া! তার উর্ধ্বাঙ্গ ভোগ করছে এক দেশ, নিন্মাঙ্গ ভোগ করছে আরেক দেশ। কী লজ্জা! ক্ষমতার লোভে মানুষ আমাদেরও ভাগ করে নিলো! বড়বোনের গলায় ফাঁস দিয়েছে। শুকনো মৌসুমে সে হাঁস-ফাঁস করে মরে। আমরাও মরি।

মেজো বোনটাও মৃতপ্রায়। কুষ্ঠ রোগগ্রস্থ। ওর দুই পারেও গড়ে উঠেছে কল-কারখানা। কারখানার বর্জ্যে ওর রুপালি শরীরটা এখন কালো আর দুর্গন্ধময়। পোকা থিক থিক করে। নিদারুণ কষ্টে বোনটা আমার ছটফট করে।

বাবুমশাই, আমরা সবাই মানুষের লোভের জাঁতাকলে আটকে পড়েছি। বাঁচার আর আশা নাই। মানুষের অত্যাচারে আমাদের রোগ হয়। কিন্তু রোগ নিরাময়ের কোনো ব্যবস্থা মানুষেরা করে না। তাই মৃত্যুই আমাদের অমোঘ নিয়তি!

বাবুমশাই, আমরা সুখে-দুঃখে সবসময় আপনাদের পাশে থেকেছি। তাইতো কিছু উদার মানুষ আমাদের নিয়ে লিখেছেন কতো গান, কবিতা, গল্প, উপন্যাস! মানিকবাবু আমার মাকে নিয়ে লিখেছেন, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’। আমার এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়কে নিয়ে অদ্বৈত মল্লবর্মণ লিখেছেন, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’। আমার আরেক দূরসম্পর্কের পিসতুতো ভাইকে নিয়ে মাইকেল মধুসুদন দত্ত লিখেছেন কবিতা, ‘কপোতাক্ষ’। আর আমার এক দূর সম্পর্কের মাসতুতো বোনকে নিয়ে কবি জীবনানন্দ লিখেছেন কী অসাধারণ কবিতা- আবার আসিব ফিরে! এই কবিতাটি শুনে আমার চোখে আজও জল চলে আসে। কী অভিলাষের কথা-
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে-এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয়-হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে;
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল ছায়ায়;
হয়তো বা হাঁস হব-কিশোরীর-ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,
সারাদিন কেটে যাবে কলমির গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;’
আহা! চোখের জল ধরে রাখতে পারিনে বাবুমশাই। কবিতাটি শুনেছিলাম আজ থেকে বহু বছর আগে এক তরুণের মুখে-গোধূলিবেলায়। আমার কূলে বসে জলে পা ডুবিয়ে সেই তরুণ এই কবিতাটি আবৃত্তি করছিল, আর ওর দু-চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছিল আমার বুকে।
একবার ভাবুন তো বাবুমশাই, যদি জন্মান্তর সত্য হয়, যদি জীবনানন্দ বাবু সত্যি সত্যিই হাঁস হয়ে আবার এই বাংলায় আসেন, তবে তিনি কলমির গন্ধভরা জল কোথায় পাবেন! কোথায় ভাসবেন! যদি আমরাই বেঁচে না থাকি! তখন তিনি এই মরুময় দেশ দেখে কী এই বাংলায় আবার ফিরে আসতে চাইবেন? তখন হয়তো তিনি মনে মনে বলবেন-‘আবার আসিব না ফিরে ধানসিঁড়িহীন নীড়ে-এই মরুবাংলায়!’

বাবুমশাই, আপনারা পয়সা খরচ করে সমুদ্দুরে যান। কিন্তু নদীর ভালবাসা কি সমুদ্দুরে পান! নদী হলো ঘরের বউয়ের মতোন, সুখে-দুঃখে সর্বদাই পাশে থাকে। আর সমুদ্দুর হলো লাস্যময়ী বারবণিতা। সমুদ্দুরে ফুর্তি মেলে, প্রশান্তি মেলে না। প্রশান্তির জন্য আবার চান করতে হয়। আর নদী সব সময় প্রশান্তি দেয়, তৃষ্ণা মিটায়, শরীরের জ্বালা জুড়িয়ে দেয়, ঘাম-কাদা ধুয়ে দেয়। সেই নদীর ওপর আপনারা নির্মম অত্যাচার করছেন!

মানুষেরা যা শুরু করেছে, উত্তরকালে মানুষের উত্তরপুরুষেরা এই পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, তিতাস, ধানসিঁড়ি, ব্রহ্মপুত্র, করোতোয়া, ধলেশ্বরী, গড়াই, কীর্তনখোলা, কপোতাক্ষকে কোথায় খুঁজে পাবে বলুন তো? ইতিহাসের পিঙ্গল পাতায়! তাই এই মরণাপন্ন-সংকটকালে শুধু একটাই প্রশ্ন আপনাদের কাছে, আমাদের তো মেরে ফেলছেন, কিন্তু আমাদের মেরে আপনারা বাঁচবেন তো বাবুমশাই?

ঢাকা
এপ্রিল, ২০১৪।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৪৯
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×