নীতিমালায় বলা হয়েছে, ‘
আলোচনামূলক অনুষ্ঠানে কোন প্রকার বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য বা উপাত্ত দেয়া পরিহার করতে হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠানে সকল পক্ষের যুক্তিসমূহ যথাযথভাবে উপস্থাপনের সুযোগ থাকতে হবে।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও তেল-গ্যাস-বন্দর ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব আনু মোহাম্মদ বাংলামেইলকে বলেন, ‘টক-শো’গুলোতে তো সরকারের পক্ষের লোকেই বেশি থাকে। সরকারের গুণগান তারা করে। তারপরও শেখ হাসিনা সরকারের কেন এত সমস্যা তা আমার বোধগাম্য নয়। সরকারের সামান্যতম ভুলত্রুটির কথা হয়ত সহ্য করার সাহস নেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের ভুল-ত্রুটির আলোচনা হবে। তাই বলে আইন করে এটা বন্ধ করতে হবে- এটা গণতন্ত্রের মধ্যে পরে না। টক-শো’তে ভুলগুলো তুলে ধরলে শুধরে নেবে এই সৎ সাহস সরকারের নেই।’
এরাই হলো আমাদের দেশের বড় বড় সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত লোক । যারা সমাজের জন্য অভিশাপ ছাড়া আর কিছুই না । এদের কাজই হলো আওয়ামী সরকারে সমালোচনা করা ।
আলোচনামূলক অনুষ্ঠানে কোন প্রকার বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য বা উপাত্ত দেয়া পরিহার করতে হবে।
এর মানে এই নয় যে সরকারের সমালোচনা করা যাবে না । আনু মোহাম্মদ, আসিব নজরুল গংদের প্রধান কাজই হলো অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সাধারন মানুষদের মাঝে উত্তাপ ছড়িয়ে নিজেদের ফায়দা লুটা । নতুন নীতিমালা হওয়াতে তাদের সমস্যা পড়তে হবে । এই জন্য একটি স্পষ্ট কথাকে তারা ভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা করছেন । এরাই আমাদে শিক্ষ দিয়ে থাকেন, এরাই আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



