সম্প্রতি পাকিস্তান সফর গিয়ে বুঝলাম, দেশটি মারাত্মক সংকটে নিপতিত। আসলে এখান থেকে নিউজ পড়ে পুরো পরিস্থিতি উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। পাকিস্তানে গণতন্ত্র আসার যে একটা সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল তাতে আবার অনিশ্চয়তার কালো ছায়া পড়েছে। বেনজীর ভুট্টো হত্যাকাণ্ডের পর সবার মনের মধ্যে সন্দেহ সংশয় দানা বেধেছে। সবাই বলতে শুরু করেছেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হলেও নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা কম। আর নির্বাচন হলেও নিরপেক্ষ হবে না। আমেরিকার চাপে নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেও নির্বাচিত দলের কাছে ক্ষমতা দেওয়া হবে না। ১৯৭০ সালে জেনারেল ইয়াহিয়া যেমনটি করেছিল। তখন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছিল। কিন্তু জেনারেল ইয়াহিয় বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের নামে প্রহসন করলো। সেই একই কায়দায় চলতে পারে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের প্রবীন জনগণ বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে গর্ব করতেন। হঠাৎ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট পাল্টে যাওয়ায় তাদের মধ্যে সংকা দেখা গেছে। তারা বলেছেন, বাংলাদেশে যা চলছে তা কি পাকিস্তানের মতো অবস্থার দিকে নিয়ে যাবে? আল্লাহ তোমাদের সহায় হোক। বাংলাদেশ যেন সঠিক পথে অর্থাৎ গণতন্ত্রের পথে থাকে। পাকিস্তানের জন্যও দোয়া করুণ। পাকিস্তানে যেন গণতন্ত্র আসে।
সময় স্বল্পতার কারণে সংক্ষেপে শেষ করতে হলো। ব্লগের বন্ধুরা আমি দুঃখিত সবটা লিখতে পারলাম না। অনেকদিন পর লিখলাম। আশা করি সবাই ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



