দেশ কোন পথে? এ প্রশ্ন দেশের কোটি মানুষের মনে। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দেওয়ার পরও মানুষ প্রশ্ন করেন, ভাই নির্বাচন কি আদৌ হবে? আসলে কি হতে যাচ্ছে দেশের? নির্বাচনের প্রস্তুতি কি সত্যিই নির্বাচন কমিশন নিচ্ছে?
জাতীয় নির্বাচনের আগে উপজেলা নির্বাচন কেন? এটা কি বর্তমান সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে? তারা তো সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার আগে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথাই বলেছিলেন। জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড দেখে মানুষের মনে প্রশ্ন আসাই স্বাভাবিক। তাছাড়া বর্তমান প্রশাসনের দীর্ঘ মেয়াদি কোনো পরিকল্পনা রয়েছে বলে মনে হয়। তা না হলে তাদের মিডিয়া দখলের দরকার কি? অথচ তারা একের পর এক মিডিয়া দখল করে নিচ্ছেন। সংলাপের নামে ক্যাচাল শুরু করে দিয়েছেন। আসলে দেশ নিয়ে কেউ ভাবেন না, সবাই ভাবেন নিজেকে নিয়ে। নিজে ক্ষমতাবান কিভাবে হওয়া যায়। কিভাবে বিপুল অর্থের মালিক হওয়া যায়। কিভাবে অন্যকে ঠকানো যায়।
এ অবস্থা থেকে এই জাতিকে কে উদ্ধার করবেন? আমরা কি একজন মহাথির মোহাম্মদের সন্ধান পাবো? মালয়েশিয়ার উত্থান আমাদের স্মরণে আছে। থাইল্যাণ্ড এই সেদিনও ছিল দরিদ্র একটি দেশ। সেই দেশও আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। আর আমরা? আমরা সামরিক অথবা একনায়কের জাতাকলে আটকে গেছি। আমি প্রচণ্ড আশাবাদী মানুষ হয়েও আশা আর ধরে রাখতে পারছি না। কেবলই অন্ধকার দেখতে পাচ্ছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




