মর্জিনার চেয়ে বার্নি খালাকে একটু ইতিবাচক দেখা যাচ্ছে।
আজ সংবাদ সম্মেলনে অনেক প্রশ্নের মাঝে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে গত বছরের সুরুতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের (নেতিবাচক) বক্তব্যর ব্যাপারে তার কিছু বলার আছে কিনা।
প্রশ্নটি কৌশলে এড়িয়ে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট বলেন
"যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল বা শক্তির পক্ষ নেয় না। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর ও সম্প্রসারিত করতে আগ্রহী। সরকারসহ সব বাংলাদেশির সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করতে আগ্রহী"।
বলেন - চলমান যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রকৃয়া বাংলাদেশী আইনের ভেতরই সচ্ছ থাকবে বলে আশাবাদি।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত চলমান অস্থিরতা ও সহিংসতায় উদ্বেগ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক উদ্দেশে সহিংসতার নিন্দা করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।
এর দুদিন আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সংসদ ভবন পরিদর্শন করে কিছু সময় বসে (অবৈধ) সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন। এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সুন্দর! আমরা গণতন্ত্রকে মূল্যায়ন করি। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক- এটা আমরা চাই। এ জন্য সহযোগিতা করে যাবো। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, মুজিব সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়ন হবে। উন্নয়নের আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা করে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


