পত্রিকাওয়ালাদের একটি নবগঠিত সংগঠন 'সম্পাদক পরিষদের' নামে মিটিং হল। সভাপতি সহ অনেক সদস্যের অনুপস্থিতিতে অনেকটা তারহুড়া করে। শুশিল টিমটি ভালই ডিউটি দিচ্ছে।
তাদের মুল অসন্তোষ - সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারমাধ্যমের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সম্পাদক পরিষদের মাহাফুজ, নুরুলকবির, মতিয়ুর(মানবজমিন) সহ কিছু লেজুড়বৃত্বিতে ডিগ্রীপ্রাপ্ত।
এই সংগঠন মুলত পৃন্টেড পত্রিকার প্রতিনিধীত্ব করলেও তাদের বেশীরভাগ দাবি-দাওয়া টেলিভিশন নিয়ে।
তাদের কিছু অভিযোগ ও সাংবাদিক না হয়েও আমার কিছু কথা।
* সংবাদপত্র ও প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা চলছে। কখনো কখনো কোনো কোনো পত্রিকা বা টেলিভিশনকে অন্যায়ভাবে বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে তকমা দেওয়া হচ্ছে।
তকমা দিলে ক্ষতিটা কি? কোন খবর তো বন্ধ করা হয় নি
*সংসদে সম্পাদক ও প্রকাশকদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, বিশেষত সম্প্রতি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি ছবি ও ক্যাপশন ছাপানোকে কেন্দ্র করে সংসদে দেওয়া প্রতিক্রিয়া।
সংসদে অনেক কথাই বলা হয়, বললে ক্ষতিটা কি? কোন খবর তো বন্ধ করা হয় নি, কারও বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হয় নি।
* ইতিমধ্যে একাধিক সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
মাহামুদুরের (আমারদেশ) নামে সুনির্দিষ্ট মামলা আছে, বাকিগুলো মামুলি ব্যক্তি মানহানি মামলা,
* ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ পত্রিকার অফিসে তল্লাশির নামে পুলিশি হয়রানির মতো ঘটনাও ঘটানো হয়েছে।
নির্জলা মিথ্যা। মুল ঘটনা - পলাতক আসামি ইত্যাদি খুজতে পুলিশের একটি অনুসন্ধান টিম নিউএজ পত্রিকার অফিসের নিকট উপস্থিত হলে দ্বাররক্ষী তাদেরকে বলে এটি একটি ইংরেজি পত্রিকা অফিস, এরপর এরা চলে যায়, নিউএজে পরদিন এই খবর ছাপা হয়। পুলিশ বাড়াবারি করেনি, করলে অবস্যই ভেতরে ঢুকতো।
* একাধিক টিভি মালিককে গ্রেপ্তার করে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।
হ্যা,ইটিভির সালামকে ল্যাংটা ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেল, পর্নগ্রাফি মামলায় গ্রেফতার, ফালুকে রাজনৈতিক মামলা, তবে চ্যানেল বন্ধ করা হয় নি
* টিভি টক শোকে নানাভাবে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কিছু টক শো বন্ধ করা হয়েছে। হচ্ছে। লাইভ অনুষ্ঠান প্রচার নিয়ে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।
এটা মুলত নুরুল কবিরের নিজস্য মত, গত ৩ বছর জাবত উনি বলে আসছেন ওনাদের টক করতে দেয়া হচ্ছেনা, অতচ উনি, শওকতমাহমুদ, মাহাফুজ, মান্না, মতিউর আসিফনজরুলরা কমবেশী প্রায় প্রতিদিনই হাজির হচ্ছেন, হয়েছেন।
২৫ টি টিভি চ্যানেলের শতাধিক টকশোর ভেতর মাত্র ২টি শো বন্ধ হয়েছে। একটি দু বছর আগে দেশটিভির একটি টকশো বন্ধ হয়ে একই সময়ে ভিন্ন নামে আবার চালু হয়েছে এতে মুহম্মদ জাহাঙ্গির বাদ পরে যায়।
বাংলাভিশনের দিনে প্রচারিত একটি টকশো বন্ধ হয়েছে তাদের নিজস্য বিজনেস পলিসিতে। রাতেরগুলো আগের চেয়ে বেশী সময়নিয়ে চলছে। টক শোর অতিথি তালিকা নির্দিষ্ট করে দেয়া হলে মাহাফুজ, মান্না, মতি আসিফনজরুলরা আর নবাগত উগ্র মান্না প্রডাক্টরা এভাবে বেপরোয়া টক করে যেতে পারতোনা। জঙ্গি মান্না তার কনভার্সেশনে বলতেন না তিনি এবং তেনারা সব টক-শো ডমিনেট করেন, করছেন এবং ব্যারিষ্টার পারভেজ, (অলি আহাদের মেয়ে) ব্যারিস্টার রুমিন .. একঝাঁক তারই সৃষ্টি
* গণমাধ্যমে কোনো কোনো সাংবাদিককে সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও দলীয় কার্যক্রমের খবর সংগ্রহের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।
এটিও একটি অস্পষ্ট অভিযোগ, সম্পুর্ন ভিত্তিহিন, অভিযোগ সুনির্দিষ্ট না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



