একে সাংবাদিক বলা হচ্ছে কেন?
সাংবাদিকে ছদ্মবেশে একজন পিকেটার বলাই সংগত।
সাংবাদিকের একটা কার্ড গলায় ঝুলাইলেই যেকোন নাজুক যাগায় পৌছানো যায়। সাংবাদিক নারী হলে বা দাড়ী থাকলে তো সাতখুন মাফ।

দেখেন বুইড়া হারামীটার কারবার। গ্যালারী শোও হার মানবে।
কর্তব্যরত পুলিশের ট্রাকের বাম্পারে উঠে ড্রাইভার কে হাত উচিয়ে বলছে "নাম শালা" বা এরকম কিছু!
এই বেয়াদবটাকে সাংবাদিক বলা যায়?

এদেশী পুলিশ নিশ্চই সাধু বালক না। মানুষ পিটানোতে চ্যাম্পিয়ন! এরপরও বুইড়ার পাছায় বাড়ি দেয় নাই। পরে পুলিশ টেনে হিচড়ে নামালে সে রাস্তায় শুয়ে পরে ট্রাক চলায় বাধা শৃষ্টি করে। পুলিশ বাধ্য হয়ে চ্যাংদোলা করে তাকে সরিয়ে কর্তব্যরত পুলিশের চলাচল রাস্তা ক্লিয়ার করে।
পিটুনি দিল না, গুলিও করলোনা। এত ভদ্র! বাংলাদেশী পুলিশের মারমুখি আচরনের তুলনায় ভদ্রই বলবো। এত ভদ্র ব্যাবহার করার পরও চাকরি হারাতে হল একদল পুলিশের।

হরতালে এক মহিলার ধুমপানে অনেকে বিদ্রুপ করছে।
পিকেটারদের বা যে কেউ ধুমপানে আমি কোন আপত্তি দেখিনা। যার যা অভ্যাস।
ধুমপায়ী মহিলা হলেও সমস্যা নেই। এটা তার ব্যাপার।
আমাদের নানি-দাদীদের দেখেছি, তামুক, হুক্কা টানতো। তখন কেউ খারাপ চোখে দেখতো না।
তবে এখন আমাদের দেশে আইন আছে। কমবয়সীদের ধুমপান নিষিদ্ধ।
আর প্রকাশ্যে ধুমপান শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এসবও মেনেচলা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৬:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



