somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রণোদনা এখনই কেন?

০৭ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্টিমুলাস প্যাকেজ বা ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রণোদনার প্যাকেজ এখনই দিতে হবে কেন?
আগে বিপর্যয়টা শেষ হোক, সবকিছু ওপেন চালু হোক।
চীন বাদে অন্যান্নদের সাথে রফতানি আমদানি ব্যাবসা সবই বন্ধ। বলতে গেলে সবই বন্ধ, টাকা দিবে লোন দিবে, ভাল কথা ।
কিন্তু এখন কেন?
কর্পোরেট জায়েন্টরা আমাদের অর্থনীতির জন্য দরকার অবস্যই, তবে এখন প্রণোদনার সময় নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রণোদনার সময় এখনও আসেনি। সময় এলে এবং সামর্থ থাকলে করোনা পরবর্তীকালে এসব প্রায়োরিটি পেতে পারে।


যা দেখা যাচ্ছে করোনার ভয়াল থাবা দীর্ঘমেয়াদে থাকবে।

বিশ্বের ধনাড্ড পরাশক্তিরাই এখন বিপদগ্রস্ত, কেউ কারও সহযোগিতায় এগিয়ে আসার মত অবস্থায় নেই, আমাদের বিপদ আমাদেরকেই মোকাবেলা করতে হবে।


করোনা টেষ্টের লাইন। নিউইয়র্ক কুইনসে করোনা টেষ্টের জন্য রোগি কোয়ালিফাইড কি না সাক্ষাতকার চলছে। যথেষ্ট অসুস্থ না হলে টেষ্ট করছে না, লাইন থেকে বের করে দিচ্ছে।



বর্তমানে বাংলাদেশে আমাদের প্রধান প্রায়োরিটি হওয়া উচিত কৃষি। যে করেই হোক আমাদের খাদ্যের পর্যাপ্ততা মৌজুদ এবং সবরারাহ চেইন মেইনটেইন করতে হবে। অনাবাদী জমি ১০০% ব্যবহার করতে হবে,প্রণোদনা দিয়ে ডিজেল,সার এর দাম কমাতে হবে,বিনামূল্যে বীজ সরবরাহ করতে হবে,কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে,কৃষক ও কৃষিবিদদের মূল্যায়ন করতে হবে।

কিন্তু বাংলার মানুষ গুজবে বিশ্বাসি, ডিম, দুধ খাওয়া ছেড়ে দিছে, ডিমে, দুধে নাকি করোনা।
দুধ ডিম হচ্ছে পুষ্টি, পুষ্টির মাধ্যমেই মানুষ রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা তৈরি হয়। যাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বেশী তারাই করোনা সারভাইব করতের পেরেছে। আমরা ডিমদুধ খেয়ে কৃষকদের কিছু উপকার করতে পারতাম
পশুপাখি গরু মুরগীতে করোনা ভর করতে পারে না, ডিমে দুধে থাকার প্রশ্নই আসে না। ধরে নিলাম আছে, এরপরেও কাচা খেলেও করোনা হবে না, পাকস্থলির এঞ্জাইমে ভাইরাস মরে যাবে। ভিম ভাজি সিদ্ধ করলে যে কোন জার্মস মরে যাবে আর আমরা তো জ্বাল দিয়ে খাই, আর দুধ জ্বাল দিলে আগুনের কাছে সব জীবানু বা এন্টিবায়োটিক শেষ।


করোনা মোকাবেলায় আমাদের গ্রামীণ জীবনযাত্রায় সুবিধা রয়েছে। শহরের হোম-কোয়ারেন্টাইন এবং গ্রামের হোম-কোয়ারেন্টাইনে বাজার এবং মসজিদ মন্দির নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই গ্রামে হোমকোয়ারেন্টাইন অটোমেটিক কার্যকর হয়ে যায়।
আপাতত লকডাউনে মানুষজনদের ক্ষেতে খামারে সচেতনভাবে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বাজার এবং মসজিদ-মন্দিরে যাতায়াত সম্পুর্ন বন্ধ করতে হবে।





করনায় মৃত ব্যাক্তিকে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই

মৃত ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস বাঁচতে পারেনা, ভাইরাস বৃদ্ধিও হয় না। করোনায় মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে ট্রান্সমিশন হয় না।
এছাড়া করোনা ভাইরাস রক্তে থাকে না। ত্বকেও থাকে না। ত্বকে হাচি-কাশির লালা থেকে থাকলেও ঘন্টাখানেক পর শুকিয়ে গেলে ভাইরাস শেষ। রক্তপরিক্ষায় করোনা ভাইরাস ধরা পরে না। মানবদেহ প্রতিরোধ ক্ষমতা রক্তে সংক্রমন ঠ্যাকাতে প্রানপন চেষ্টার কারনেই জ্বর আসে।
ভাইরাসের অবস্থান থাকে ফুসফুসে,
তাই করোনা টেষ্ট করতে শ্বাস নালি থেকে সোয়াব কাঠির মাধ্যমে স্যাম্পল নিয়ে পিসিআর টেষ্ট করতে হয়। রক্ত নেয়া হয় এইচসিটি কাউন্ট ও সিবিসি টেষ্ট করতে।
মৃত ব্যক্তি নিস্বাস-প্রস্বাস নেই, কাশি নেই ভেতর থেকে কিছু বের হওয়ার উপায় নেই। দেহে স্কিনে করোনা ভাইরাস থাকে না, থাকার কথাও না। আর দেহে পচন শুরু হলে ফুসফুসে থাকা করোনা ভাইরাস এমনিতেই মারা যাবে।
মৃত ব্যাক্তিকে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, ইভেন বডি প্লাস্টিকের ব্যাগে সিল করা না থাকলেও।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:০৪
৭টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×