স্টিমুলাস প্যাকেজ বা ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রণোদনার প্যাকেজ এখনই দিতে হবে কেন?
আগে বিপর্যয়টা শেষ হোক, সবকিছু ওপেন চালু হোক।
চীন বাদে অন্যান্নদের সাথে রফতানি আমদানি ব্যাবসা সবই বন্ধ। বলতে গেলে সবই বন্ধ, টাকা দিবে লোন দিবে, ভাল কথা ।
কিন্তু এখন কেন?
কর্পোরেট জায়েন্টরা আমাদের অর্থনীতির জন্য দরকার অবস্যই, তবে এখন প্রণোদনার সময় নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রণোদনার সময় এখনও আসেনি। সময় এলে এবং সামর্থ থাকলে করোনা পরবর্তীকালে এসব প্রায়োরিটি পেতে পারে।
যা দেখা যাচ্ছে করোনার ভয়াল থাবা দীর্ঘমেয়াদে থাকবে।
বিশ্বের ধনাড্ড পরাশক্তিরাই এখন বিপদগ্রস্ত, কেউ কারও সহযোগিতায় এগিয়ে আসার মত অবস্থায় নেই, আমাদের বিপদ আমাদেরকেই মোকাবেলা করতে হবে।

করোনা টেষ্টের লাইন। নিউইয়র্ক কুইনসে করোনা টেষ্টের জন্য রোগি কোয়ালিফাইড কি না সাক্ষাতকার চলছে। যথেষ্ট অসুস্থ না হলে টেষ্ট করছে না, লাইন থেকে বের করে দিচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে আমাদের প্রধান প্রায়োরিটি হওয়া উচিত কৃষি। যে করেই হোক আমাদের খাদ্যের পর্যাপ্ততা মৌজুদ এবং সবরারাহ চেইন মেইনটেইন করতে হবে। অনাবাদী জমি ১০০% ব্যবহার করতে হবে,প্রণোদনা দিয়ে ডিজেল,সার এর দাম কমাতে হবে,বিনামূল্যে বীজ সরবরাহ করতে হবে,কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে,কৃষক ও কৃষিবিদদের মূল্যায়ন করতে হবে।
কিন্তু বাংলার মানুষ গুজবে বিশ্বাসি, ডিম, দুধ খাওয়া ছেড়ে দিছে, ডিমে, দুধে নাকি করোনা।
দুধ ডিম হচ্ছে পুষ্টি, পুষ্টির মাধ্যমেই মানুষ রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা তৈরি হয়। যাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বেশী তারাই করোনা সারভাইব করতের পেরেছে। আমরা ডিমদুধ খেয়ে কৃষকদের কিছু উপকার করতে পারতাম
পশুপাখি গরু মুরগীতে করোনা ভর করতে পারে না, ডিমে দুধে থাকার প্রশ্নই আসে না। ধরে নিলাম আছে, এরপরেও কাচা খেলেও করোনা হবে না, পাকস্থলির এঞ্জাইমে ভাইরাস মরে যাবে। ভিম ভাজি সিদ্ধ করলে যে কোন জার্মস মরে যাবে আর আমরা তো জ্বাল দিয়ে খাই, আর দুধ জ্বাল দিলে আগুনের কাছে সব জীবানু বা এন্টিবায়োটিক শেষ।
করোনা মোকাবেলায় আমাদের গ্রামীণ জীবনযাত্রায় সুবিধা রয়েছে। শহরের হোম-কোয়ারেন্টাইন এবং গ্রামের হোম-কোয়ারেন্টাইনে বাজার এবং মসজিদ মন্দির নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই গ্রামে হোমকোয়ারেন্টাইন অটোমেটিক কার্যকর হয়ে যায়।
আপাতত লকডাউনে মানুষজনদের ক্ষেতে খামারে সচেতনভাবে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বাজার এবং মসজিদ-মন্দিরে যাতায়াত সম্পুর্ন বন্ধ করতে হবে।

করনায় মৃত ব্যাক্তিকে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই
মৃত ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস বাঁচতে পারেনা, ভাইরাস বৃদ্ধিও হয় না। করোনায় মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে ট্রান্সমিশন হয় না।
এছাড়া করোনা ভাইরাস রক্তে থাকে না। ত্বকেও থাকে না। ত্বকে হাচি-কাশির লালা থেকে থাকলেও ঘন্টাখানেক পর শুকিয়ে গেলে ভাইরাস শেষ। রক্তপরিক্ষায় করোনা ভাইরাস ধরা পরে না। মানবদেহ প্রতিরোধ ক্ষমতা রক্তে সংক্রমন ঠ্যাকাতে প্রানপন চেষ্টার কারনেই জ্বর আসে।
ভাইরাসের অবস্থান থাকে ফুসফুসে,
তাই করোনা টেষ্ট করতে শ্বাস নালি থেকে সোয়াব কাঠির মাধ্যমে স্যাম্পল নিয়ে পিসিআর টেষ্ট করতে হয়। রক্ত নেয়া হয় এইচসিটি কাউন্ট ও সিবিসি টেষ্ট করতে।
মৃত ব্যক্তি নিস্বাস-প্রস্বাস নেই, কাশি নেই ভেতর থেকে কিছু বের হওয়ার উপায় নেই। দেহে স্কিনে করোনা ভাইরাস থাকে না, থাকার কথাও না। আর দেহে পচন শুরু হলে ফুসফুসে থাকা করোনা ভাইরাস এমনিতেই মারা যাবে।
মৃত ব্যাক্তিকে নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, ইভেন বডি প্লাস্টিকের ব্যাগে সিল করা না থাকলেও।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




