somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক শ্রেণীর লোক জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে লেগে আছে।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চিহ্নিত এক শ্রেণীর লোক জাফর ইকবাল স্যারের বিরুদ্ধে লেগে আছে।
অদ্ভুত সব অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। উনি কেন মুক্তিযুদ্ধে গেলেন না? 
কথাটি কারা বলছে? চিহ্নিত জামাত-শিবির। ঘাতক আলবদরের ছানা পোনারা।
মানে শিবির চক্রকে জিজ্ঞেস অনুমতি নিয়ে তারপরে মুক্তিযুদ্ধে যেতে হবে । মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে তো শিবির রা ছিল!
আশ্চর্য কয়েক হাজার মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ভারত যেতে পেরেছে, কিন্তু শিবির চক্র বলছে ৭ কোটি মানুষ সবাইকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে হবে? না গেলে এজন্য ওত পেতে থাকে ওনার ঘাড়ে কোপ দিতে হবে।

জহির রায়হান সহ একাত্তরে নিহত বুদ্ধিজীবিগন বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার পক্ষে ঘাতকদের বিচারের জন্য মুখোশ উন্মোচনে যে কাজ গুলো করতেন জাফর ইকবাল স্যার অত্যন্ত নিষ্ঠা ও বিশ্বাসযোগ্যতার সাথেই সেসব কাজ করে যাচ্ছেন। এই সব কাজ স্বাধীনতা বিরোধীদের জন্য ভয়ানক বিপদের কারন। তাই ওনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে বিতর্কিত করে উপস্থাপনা করার একমাত্র কারণ। বিচলিত হওয়ার কিছু নেই, এসব কৌশল সম্মন্ধে মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের জনগণ ভালভাবেই অবগত আছেন। যার জন্য জাফর ইকবাল স্যার এগুলো নিয়ে ভাবেন না বা প্রতিক্রিয়া দেখান না যার জন্য উনি উনার কর্তব্যের কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন।


সপ্তম শ্রেণীর একটা বই। সাধারণ বিজ্ঞান বই। এই প্রাথমিক পর্যায়ের শিশুদের জন্য বিজ্ঞান। এসব কোন কবিতা না কোন সাহিত্য না উপন্যাসও না। বিজ্ঞানের সাধারণ সূত্র মাধ্যাকর্ষণ সূত্র নিউটনের মাথায় আপেল পড়া, গ্যালিলিও, পড়ন্ত বস্তু, বিজ্ঞানের এসব মৌলিক সূত্র সারা পৃথিবীর বিজ্ঞান বইতে থাকতে হয়। থাকবে।

কিন্তু প্রথম আলোর লেজ ধরে সবাই এমন ভাবে বলছে যেন বিশাল কিছু চুরি হয়ে গেছে।
সবটা বই পড়ে কোন কিছুই খারাপ এলোমেলো লাগলো না। একটি ছোট ক্লাসের বিজ্ঞান বই লিখতে গিয়েও যদি সব কিছু নতুনভাবে গবেষণা করে লিখতে আবিষ্কার করে লিখতে হয় সেই চাওয়াটা হচ্ছে শুধু শুধু বিতর্ক তৈরি করার জন্য এটা একটা জামাতি পেইড প্রতিবেদন।
কোথাও তথ্যের কোন ভুল খুজে পায়নি।। আর ক্লাস সেভেন কেনো, ক্লাস টেন ইন্টারমিডিয়েটের বইতেও কোন রেফারেন্স থাকেনা। দরকারও হয় না। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু বাংলায় লেখা টেক্সটবুকগুলো গুলোও রেফারেন্সবিহীন।

এখন দেখা যাচ্ছে প্রথমআলোর ছাগল পালদের কথামতো সবকিছু আবার নতুন করে আবিষ্কার করে পেটেন্ট করে তারপর পাঠ্যপুস্তক লিখতে হবে।
ওরা দাবি করছে, ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে নিয়েছে।
বিদ্রুপাত্তক প্রবল আক্রশ নিয়ে বলছে 'চুরি করেছে'। আমার কথা হচ্ছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি পত্রিকা কি গ্যালিলিও নিউটনদের দাদা? সব বিজ্ঞানের নিউটন গ্যালিলিও সহ সব থিওরির মালিক? ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ম্যাগাজিন কার কাছ থেকে নিল? ওরা কি নিজেরাই এসব আবিষ্কার করছে? সপ্তম শ্রেণীর একটা অতি প্রাথমিক একটা বিজ্ঞান বই। বিজ্ঞানের প্রাথমিক জ্ঞান এটা আবার সূত্র উল্লেখ করা লাগে নাকি।

আজ সারাদিন প্রথম আলোর লেজ ধরে কিছু চিহ্নিত ডক্টর, প্রফেসর নামের গর্ধবগুলো স্যার কে হেয় করে সোশাল মিডিয়া সয়লাব করে ফেলেছে।
এইসব চিহ্নিত ডক্টর, প্রফেসরদের নুন্যতম জ্ঞ্যান নেই যে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক একটি 'ওপেন সোর্স নলেজ সাইট' এবং এর জন্য রেফারেন্স দরকার হয় না।
আসলে উনি তো এ বই লিখেন নাই। উনি শুধু বইগুলো সম্পাদনা করেছেন। এখন বইটির একটি পাতার কিছু লেখা ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে নেওয়া হলেও হুবহুতো নেওয়া হয়নি অনুবাদ করে নেওয়া হয়েছে। একটা অনুবাদ ক্রস চেক করে দেখা কারো পক্ষেই কোনভাবেই অনুমান করা সম্ভব না।
করতে হবেই বা কেন? যদি ইংলিশটা নিতো তাইলে না হয় কিছু বলা যেত। ধিক্কার জানাই প্রথম আলোকে। প্রথম আলোর লেখককে। 
জাফর ইকবাল স্যার আজকে ৭১ টিভি কে ফোনে বলেছেন তিনি দুঃখিত।
উনি সজ্জন মানুষ। তাই বলেছেন। আসলে দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৫
২১টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুকতারা

লিখেছেন সামিয়া, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১



তুমি আমাকে যে জায়গায় রেখে গিয়েছিলে, সেই জায়গাটা ধীরে ধীরে একটা ভূগোল হয়ে গেছে। সেখানে সময়ের নিজস্ব কোনো ঘড়ি নেই, ঋতুর আলাদা নাম নেই, কেবল স্থিরতা আছে, যেন দুপুরবেলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×