রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীর উদাহরন দিলেন আসিফ নজরুল।
জামাতি প্রপাগান্ডা মেশিনের তৈরি কথিত সুখরঞ্জন বালী গুম।
ওনার হিষ্টরি শুনেন। অনেক লম্বা।
সুখরঞ্জন বালী ছিল মুলত রাষ্ট্রপক্ষের একজন সাক্ষী।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর কোন এক সময় সে জামাতি অর্থ জামাতি ত্রাসের কাছে পক্ষত্যাগ করে, এবং পুনরায় সাক্ষী হতে চায়, উলটো সায়েদির পক্ষে!
রাষ্ট্রপক্ষ প্রতিবাদ জানায়। দুইপক্ষেই স্বাক্ষ্য দিতে চাওয়া সুখরঞ্জন বেসিকালি দুইপক্ষের জন্যই বৈরি সাক্ষী (Hostile witness)। উৎকোচের বিনিময়ে হষ্টাইল সাক্ষী আদালতে গ্রহণ হলেও মেরিট অগ্রহনযোগ্য।
২০১২ সালের ৫ নভেম্বর দেলুর পক্ষে তার স্বাক্ষ্য দিতে আসার কথা ছিল। তারপর হঠাৎ সে উধাও। কিন্তু সুখরঞ্জন তখন টাকা পেয়েও উভয় পক্ষের টানাটানিতে ভয় পেয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে তার ভাইয়ের বাসায় আশ্রয় নিতে সীমান্ত পার হয়, কিন্তু ধরা পরে যায়।
জিজ্ঞাসাবাদের জবাবে সুখরঞ্জন বালি বিএসএফের কাছে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি বনগাঁয় তাঁর বড় ভাই পরিতোষ বালির বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে সীমান্ত পার হওয়ার অপরাধে। জেলেই আবার পড়ে ভারতীয় জামাতের খপ্পরে, তৃনমুলের প্রশ্রয়ে ভারতীয় জামাতের সবচেয়ে ব্যায়বহুল আইনজীবীর মাধ্যমে ছাড়িয়ে এনে ভারতীয় মিডিয়াতে জামাতিদের তৈরি বানোয়াট বক্তব্য দেয়।
সরকার কি এত বোকা যে সুখরঞ্জন বালীকে গুম না করে ভারতীয় মিডিয়ার হাতে তুলে দিবে?
সুখরঞ্জন বালিকে এবারও হাজির করেছে জামাত। বানোয়াট শিখিয়ে দেয়া বক্তব্য দিচ্ছে। দিবেই। সায়েদির বিরুদ্ধে সাক্ষীদের শিরোচ্ছেদ করে গুপ্তহত্যা পরিনতি সে দেখেছে।
তখনকার 16 মে, 2013 বিবিসির রিপোর্ট টি দেখুন - সুখরঞ্জন বালির নথিপত্রে অপহরণের কথা নেই
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০২৩ দুপুর ১২:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


