বাংলাদেশী মিডিয়া সোসাল মিডিয়াতে তোলপার
তারেক রহমানের চীন সফরে ভারত উদ্বিগ্ন।
এখন তো দেখলাম অশ্বডিম্ব।
কোন অর্থায়ন চুক্তি নেই, নতুন কোন ঋন দিবে না
বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কোন চুক্তি বা মামুলি সমঝোতা স্মারকও নেই।
পাইটার বিমান নিয়েও কথা নেই, অর্থাৎ বিমান কিনতে অর্থায়ন করবে না, বাকিতেও বেচবে না।
পত্রিকা খুজে কোন চুক্তি তালিকা আর কি কি সমঝোতা স্মারক সবই অস্পষ্ট ভাসা ভাসা কথা
# বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা: অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কারখানা স্থাপন এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় [০.৫.৯, ০.৫.১০]।
# গণমাধ্যম ও গবেষণা: দুই দেশের গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল এবং সংবাদপত্রের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে চারটি সমঝোতা স্মারক সই হয় [০.৫.১০, ০.৫.১২]।
# শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: বাংলাদেশের স্কুল পর্যায়ে ম্যান্ডারিন ভাষা শিক্ষা চালু এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলাদা দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় [০.৫.১৩]।অন্যান্য খাত: সবুজ উন্নয়ন (গ্রিন ডেভেলপমেন্ট), মানবসম্পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য এবং যৌথ কর্মপরিকল্পনা (জয়েন্ট অ্যাকশন প্ল্যান) প্রণয়ন [০.৫.১, ০.৫.১৩]।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন,
ঐতিহাসিক গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে সই হয়।
আমাদের গ্লোবাল ডেভেলপেন্ট ইনিশিয়েটিভ অর্থাৎ যার অধীনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়গুলো রয়েছে, সেগুলো নিয়ে এমওইউ হয়েছে। একইসঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়নে এক পৃথক কো-অপারেশন প্ল্যান সই হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের রপ্তানি বিষয়েও একটা এমওইউ হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


