
ছাত্ররাজনীতির ঘৃন্য চেহারা দেখেছি বহুকাল ধরে। খুন, লাশ, দখল, পাল্টা দখল, বন্দুকবাজি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, চুলাচুলি, সিট দেয়ার জন্য নেতাদের মেয়ে সাপ্লাই, অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষনা, অবিলম্বে হল ত্যাগের নির্দেশ এই তো দেখে এসেছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং বিভিন্ন কলেজে বছরের পর বছর ধরে ছাত্ররাজনীতির নামে। নিজেদের আসল পরিচয় হারিয়ে ক্ষমতা দখল আর ক্ষমতা রক্ষায় রাজনৈতিক দলের গোলামগিরির নিকৃষ্ট ছাত্ররাজনীতির সাথেই আমাদের পরিচয় এতকাল ধরে। দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বড় বড় কলেজগুলো আজো এই কলঙ্কিত ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা হয়ে আছে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নষ্ট এ ছাত্ররাজনীতির বিপরীতে আজ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখিয়ে দিল সত্যিকারের ছাত্ররাজনীতি কী এবং কাকে বলে। নিছক নিজেদের স্বাথে সংঘবদ্ধ হয়ে যাওয়া এবং বৃহত্তর স্বাথে দাবি আদায় করার জন্য মরণপণ প্রতিজ্ঞা করে । এর জন্য নেতা লাগেনা, কর্মী লাগেনা, বন্দুকের ভয় দেখিয়ে হলের গেট বন্ধ করে মিছিল করতে বাধ্য করা লাগেনা সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের।
ধন্যবাদ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা এই আন্দোলনে কোন না কোন পর্যায়ে শরীক হয়েছে তাদের সবাইকে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরেকটি ধন্যবাদ পাবে যদি- তাদের নিয়ে তাদের মালিকরা যে অতি ব্যবসা এবং লুটপাট করছে তার বিরুদ্ধে এরকম প্রতিবাদী হয়ে উঠতে পারে। অতিরিক্ত টিউশন ফি আদায়ের বিরুদ্ধে অবিলম্বে তাদের এভাবে প্রতিবাদী হয়ে ওঠা উচিত বলে আমি মনে করি।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



