somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিনা পয়সায়

০২ রা নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেসবুক থেকে সংগৃহিত। View this link দুটি মিনিট টাইম চাচ্ছি আপনাদের কাছে একটু পড়ুন
কথা দিচ্ছি আপনার ভালো লাগতেই হবে.....
ছেলেটি স্কুলে গিয়ে নতুন শিখেছে,
প্রতিটা কাজই মূল্যবান। কোনো কাজই
ফেলনা নয়। সব কাজেরই একটা অর্থমূল্য
আছে। এ ছাড়া কীভাবে বিল করতে হয়, তা-
ও তাকে শেখানো হয়েছে। একদিন সন্ধ্যায়
মা রান্নাঘরে কাজ করছেন। ছেলেটি তাঁর
কাছে গিয়ে একটা বিল জমা দিল। মায়ের হাত
ভেজা। তিনি কাগজটা রেখে দিলেন একটু
পরে পড়বেন বলে। কাজ শেষে তিনি ছেলের
দেওয়া চিরকুটটা হাতে নিলেন।
ছেলে লিখেছে:
গাছে পানি দেওয়া: ১০ টাকা।
দোকান
থেকে এটা-ওটা কিনে দেওয়া (তিনবার): ১৫
টাকা
ছোট ভাইকে কোলে রাখা: ৪০ টাকা
ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে যাওয়া: ২১ টাকা
পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা: ৫০ টাকা
মশারি টানানো: পাঁচ টাকা
মোট: ১৪১ টাকা মাত্র
মা বিলটা পড়লেন। মুচকি হাসলেন। তারপর
তাঁর আট বছরের ছেলের মুখের
দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তাঁর
চোখে জল চলে আসছে। তিনি এক
টুকরো কাগজ হাতে নিলেন। তারপর
তিনি লিখতে লাগলেন:
তোমাকে ১০ মাস পেটে ধারণ করা:
বিনা পয়সায়
তোমাকে দুগ্ধপান করানো:
বিনা পয়সায়
তোমার জন্য রাতের পর রাত জেগে থাকা:
বিনা পয়সায়
তোমার অসুখ-বিসুখে তোমার জন্য
প্রার্থনা করা, শুশ্রূষা করা, ডাক্তারের
কাছে ছুটে যাওয়া, তোমার জন্য চোখের
জল ফেলা:
বিনা পয়সায়
তোমাকে গোসল করানো, পরিষ্কার করা:
বিনা পয়সায়
তোমাকে গল্প শোনানো, গান শোনানো,
ছড়া শোনানো:
বিনা পয়সায়
তোমার জন্য খেলনা, কাপড়চোপড়,
প্রসাধনী কেনা:
বিনা পয়সায়
তোমার কাঁথা ধোওয়া, শুকানো,
বদলে দেওয়া:
বিনা পয়সায়
তোমাকে লেখাপড়া শেখানো:
বিনা পয়সায়
এবং তোমাকে আমার নিজের চেয়েও
বেশি ভালোবাসা:
বিনা পয়সায়
ছেলের হাতে মা কাগজটা তুলে দিলেন।
ছেলে পড়তে লাগল মায়ের বিল।
পড়তে পড়তে তার চোখ জলে ভরে উঠল।
সে তখন তার নিজের
লেখা চিরকুটটা হাতে তুলে নিয়ে লিখল:
পুরো বিল পরিশোধিত।
মায়ের কাছে আমাদের যে ঋণ,
তা কি শোধাবার মতোন?
ভালোবাসার প্রতিযোগিতা হয় না।
কে বেশি ভালোবাসে, আমি না তুমি,
এভাবে কথা বলা যায় না
যদি আপনার কাছে অনেক ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করতে ভোল যেন না হয় ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল, ড. ইউনূস, আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি ও এলিট তৈরির কারখানা - আমাদের শিক্ষা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


জাতিসংঘের অধিবেশনে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ট্রাম্পের সাথে করমর্দনের একটা ছবি প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ছবিটি ঘিরে অনেকে অনেক মন্তব্য করেন। বছরের শুরুতে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে চুক্তিগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা গান: অতীত ও বর্তমান- হৃদয়ে টিকে থাকা সুরের খোঁজে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৩২



বাংলা গান: অতীত ও বর্তমান- হৃদয়ে টিকে থাকা সুরের খোঁজে

রেডিওর ক্র্যাকল শব্দ ভেদ করে ভেসে আসা "আমার সোনার বাংলা", কিংবা কোনো বর্ষার সন্ধ্যায় কাজী নজরুল ইসলামের "কারার ঐ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাক স্পর্শ (এটাকে সুর করে গান করার ইচ্ছে আছে)

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪০

কুয়াশার ভেতর ফিরে আসি চেনা সেই শহরের পথে,
বিবর্ণ আলো ঘুমিয়ে থাকে পুরোনো কোনো জানালাতে।
একটা নাম আজও কেন নিঃশব্দে ডাকে......
ধুলো জমা সেই পথটাতে পায়ের শব্দ থেমে যায়,
দেয়ালজুড়ে মুছে যাওয়া কত স্মৃতিরেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঘোড়ামাছি মৃত্যুঞ্জয়ী সক্রেটিস - যার জন্ম হয়েছিলো সত্যকে পুনর্জীবিত করার জন্যে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



প্লেটোর 'অ্যাপোলজি' কোনো সাধারণ ক্ষমা প্রার্থনার দলিল নয় (গ্রিক শব্দ Apologia মানে আত্মপক্ষ সমর্থন বা যুক্তির ব্যাখ্যা)। ৫০০ জন জুরির সামনে দাঁড়িয়ে ৭০ বছর বয়সী সক্রেটিস যে নির্ভীক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি রাজধানী ঢাকাকে মেরে ফেলছি ?

লিখেছেন এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৯

ঢাকাকে সব কিছুর কেন্দ্র বানিয়ে ঢাকার মাথায় আমরা যে দুর্বহ বোঝা তুলে দিচ্ছি তার ভার কি ঢাকা বইতে পারবে? আমরা যদি খুব চেনা কিছু দেশের দিকে তাকাই তাহলে দেখবো রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×